আ.লীগের ৫০০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বিএনপির করা মামলার আবেদন খারিজ

0
20

(দিনাজপুর২৪.কম) বিএনপির শান্তিপূর্ণভাবে সমবেশে হামলার অভিযোগে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদারসহ আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের ৫০০ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিএনপি মামলার আবেদন খারিজ করেছে আদালতে। আজ মঙ্গলবার জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক ফারুকী মামলার আবেদন করেন।

ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে মামলাটি গ্রহণ করার মতো কোনো উপাদান নাই মর্মে খারিজ করেছেন। যা বিএনপির আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার নিশ্চিত করেছেন। মামলার আরজিতে ২০ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ৪০০-৫০০ আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের ৫০০ নেতাকর্মীদের আসামিরা করা হয়েছিল।

মামলার আরজির অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা, সংসদ সদস্য আগা খা মিন্টু, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ঢাকার মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ মান্নান কচি, ঢাকার মহানগর উত্তর যুব লীগের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, ঢাকার মহানগর উত্তর যুব লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি, ঢাকার মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি ইসহাক মিয়া, স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোবাশ্বে ও চৌধারী, রুপনগর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী রজ্জব হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজী তোফাজ্জল হোসেন টেনু, রুপনগর থানা যুবলীগের সভাপতি জাকির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. খোকন, ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা কেশেম মোল্লা, সাবেক মহিলা সংসদ সদস্য তুহিন, মিরপুর থানা আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মান্নান, মিরপুর থানা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন লিটু, সাধারণ সম্পাদক সালা উদ্দিন রবিন, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহিম ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের কোষাধক্ষ্য সালাম চৌধুরী। এছাড়া মামলায় ৪০০-৫০০ জন অজ্ঞাত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী আসামির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, জ্বালানি তেলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি এবং পুলিশের গুলিতে দলীয় ৩ (তিন) নেতা নিহত হওয়ার প্রতিবাদে বিগত ১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি কর্তৃক পল্লবী থানাধীন মিরপুর-৬, কাঁচা বাজারের সামনে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ সমাবেশ শুরু হলে আসামিগণের প্রত্যক্ষ নির্দেশে এবং উপস্থিতিতে উক্ত শান্তিপূর্ণ সমাবেশে আসামিরাসহ অজ্ঞাতনামা ৪০০-৫০০ আসামি অবৈধভাবে লাঠি সোটা, অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু; একাত্তরের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর ইট পাটকেল নিক্ষেপ করিতে থাকেন। আসামিদের হামলায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী রক্তাক্ত জখম হয়। এছাড়া ওই সময় মহিলা দলের নেতাকর্মীদের গালিগালাজ ও শ্লীলতাহানি করেন। পরবর্তীকালে আহত নেতাকর্মীদের চিকিৎসা শেষে থানা মামলা করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ মামলা না নেওয়ায় বাদী আদালতে মামলা করতে এসছেন। -ডেস্ক রিপোর্ট

 

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here