এসএসসিতে ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা বাদ দেয়ায় তীব্র নিন্দা হেফাজতের

0
79

(দিনাজপুর২৪.কম) ২০২২ সালের জন্য সুপারিশকৃত নতুন শিক্ষাক্রমে এসএসসি পরীক্ষায় ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষার বিষয় বাদ দেয়ার প্রস্তাবের প্রতি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমান।

শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা বলেন, দেশ থেকে ক্রমান্বয়ে ইসলামি চেতনাবোধ মুছে ফেলা ও নাস্তিকবাদী ধ্যান-ধারণার প্রসার ঘটানোর ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের অংশ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা বাদ দেয়ার সুপারিশ হয়ে থাকতে পারে। ৯২ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশে এ জাতীয় সিদ্ধান্ত জাতি কখনো মেনে নেবে না। আমরা অবিলম্বে এই সুপারিশ বাতিলের জোর দাবি জানাচ্ছি।

তারা আরো বলেন, শিক্ষার লক্ষ্য তো শুধু রুটি-রুজির জন্য জ্ঞান আহরণ ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা নয় বরং শিক্ষার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য থাকে, নীতি-নৈতিকতা, বিনয়, মানবতাবাদ, ইনসাফপূর্ণ দেশ ও সমাজগঠন এবং সৎভাবে জীবন পরিচালনার প্রেরণা লাভ ও জ্ঞান অর্জন করা। আর এসব অর্জন করতে হলে অবশ্যই ধর্মীয় শিক্ষা ও তার অনুশীলনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

তারা বলেন, এসএসসির মতো গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষায় ধর্মীয় শিক্ষা না থাকলে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের কাছে ওই বিষয়ের আর গুরুত্ব থাকে না। তখন সঙ্গতভাবেই ধর্মীয় শিক্ষা গুরুত্ব হারাবে। এতে করে ভবিষ্যত প্রজন্ম ইসলাম থেকে দূরে সরে যেয়ে নাস্তিক্য ধ্যান-ধারণার প্রসার ঘটাবে। দেশে মাদকের কারবার, খুন-খারাবি, অপরাধ প্রবণতা, ধর্ষণ ও নারী-নিপীড়ন বাড়বে। পরিবার ও সমাজ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হবে। ধর্মীয় অনুশীলন ও নীতি-নৈতিকতা থেকে দূরে সরে পড়ে আত্মকেন্দ্রিকতা ও ভোগবাদের প্রতি ভবিষ্যত প্রজন্ম আরো বেশি ঝুঁকে পড়বে। পুঁজিবাদের বাজার সম্প্রসারিত হয়ে শোষণ ও লুটপাট আরো গভীর হবে।

তারা এসএসসি পরীক্ষায় ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা বাদ দেয়ার সুপারিশ বাতিলের দাবি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, এ ক্ষেত্রে আমরা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। -অনলাইন ডেস্ক

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here