ঘোড়াঘাটে মামলা তুলে নিতে বাদীকে প্রাণ নাশের হুমকী

0
49

মাহতাব উদ্দিন আল মাহমুদ (দিনাজপুর২৪.কম)  দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের বহুল আেিলাচিত হানিফ কাউন্টর মাস্টার আঃ হামিদকে আতহত্যায় প্ররোচিত করার ্অপরাধে মামলার গ্রেফতারকৃত অন্যতম আসামী মোঃ হাজিরুল ইসলামকে(৪৫) জেল হাজত থেকে জামিনে এসে মামলার বাদী মোঃ আঃ রহিম ধলুকে মামলা তুলে নিতে প্রান নাশের হুমকী প্রদান করেছে। গত ১৫ এপ্রিল দুপুর ২টায় উপজেলার রাণীগঞ্জ বাজার পুরাতন সোনালী ব্যাংকের সামনে মহা সড়কে বাদীকে হুমকী প্রদান করে। হুমকী প্রদান করায় তিনি নিরাপত্তহীনতায় ভুগছেন। এ বিষয়ে মামলার বাদী মোঃ আঃ রহিম ধলু হাজিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘোড়াঘাট থানায় নিরাপত্তা চেয়ে একটি সাধারণ ডায়রী করেছেন। বাদী মোঃ আঃ রহিম ধলু সাধারণ ডায়রীতে জানান,আমার বড় ভাই মৃত, আঃ হামিদকে আত্মহত্যার ঘটনার সহায়তা প্রদান কারি জামাই উপজেলার হাটপাড়া দুর্গাপুর গ্রামের মৃত, বছির উদ্দিনের পুত্র মোঃ হাজিরুল ইসলামকে ১নং আসামী করে ১৬/০১/২২ইং তারিখে ৭ জনের বিরুদ্ধে ঘোড়াঘাট থানায় একটি মামলা আনায়ন করি। যার মামলা নং ৫,৩২৩/৩৩৬, পেনাল কোড-১৮৬০। বাদী মোঃ আঃ রহিম ধলু সাধারণ ডায়রীতে বলেন,সে মামলা তুলে না নিলে তাকে হত্যা করে তার লাশ গুম করবে বলে হমকী প্রদান করে। বাদী মামলার বাদী নিহত আঃ হামিদের ছোট ভাই আঃ রহিম ধলু জানান,আমার বড় ভাই উপজেলার কশিগাড়ী আফসারাবাদ কলোনীর মৃত আব্দুল হামিদ ঘোড়াঘাট উপজেলার রানীগঞ্জ বাজারে হানিফ বাস কাউন্টার চালাত। গত অনুমান ২ বছর পূর্ব হতে জামাই হাজিরুল ও ফাতেমার প্রত্যক্ষ ইন্ধন ও সহায়তায় পুত্র, পুত্রবধু, জামাতা, কন্যা, স্ত্রী ও শালিকা মিলে মৃত আব্দুল হামিদ এর নামীয় জমি নিজেদের নামে লিখে নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টিসহ শারীরিক ও মানসিক নির্ষাতন করতে থাকে। বিষয়টি নিজে সামলাতে না পেরে আমাদের দুই ভাইসহ তার বন্ধু বান্ধবদের জানায়। বিষযটি নিয়ে পারিবারীকভাবে পুত্রদের ও জামাইকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও তারা ভাইদের কোন কথায় কর্নপাত করেনি।আঃ হমিদের উপর আরও বেশি চাপ সৃষ্টিসহ শারীরীক ও মানসিক নির্ষাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এক পর্ষায়ে উপায়ান্তর না পেয়ে প্রায় এক বছর পূর্বে আঃ হামিদ বাধ্য হয়ে তার নিজ নামীয় সকল সম্পত্তি, ব্যাংক-ব্যালান্সে উপরোক্ত পুত্র সাদ্দাম হোসেন ও মেয়ে কেয়া বেগমের নামে লিখে দেয়। তার কিছুদিন পর হতে জামাই হাজিরুল ও শালিকা ফাতেমার প্রত্যক্ষ ইন্ধন ও সহায়তায় আঃ হামিদকে তার বাড়ী থেকে বের হয়ে চলে যাওয়ার জন্য পুনরায় বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টিসহ শারীরীক ও মানসিক নির্ষাতন করতে থাকে। ঘটনার ৩ দিন পূর্বে ৩০/১২/২০২১ তারিখ সকাল অনুমান ১১টয় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করাসহ মারধর করে। তাকে দোতলার সিড়ি থেকে জামাই হাজিরুল ফেলে দেয়। মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন ্অঙ্গে প্রচন্ড আঘাত প্রাপ্ত হয় এবং জখম হয়। বিষয়টি ৩ ডিসেম্বর শুক্রবার মহত ব্যক্তি ও প্রত্যক্ষদর্শী প্রতিবেশীদের জানালে তারা জুম্মার নামাজ পর শালিস বৈঠকের মাধ্যমে সামাজিকভাবে মিমাংসা করার আশ্বস্ত করেন আঃ হামদকে। মামলা জুম্মার নামাজ শেষে মহত ব্যক্তি ও প্রত্যক্ষদর্শী প্রতিবেশীদের লোকজন মারফত জানতে পারেন যে, আঃ হামিদ তার বাড়ীর ২য় তলা বিল্ডিং এর নীচতলায় তার শয়ন কক্ষে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্বহত্যা করেছে। উক্ত সংবাদের প্রেক্ষিতে মহত ব্যক্তি ও প্রতিবেশীরা দ্রুত সেখানে গিয়ে আব্দুল হামিদ এর মরদেহ তার শয়ন ঘরের খাটের উপর শোয়ানো ্অব¯’ায় দেখতে পায়। বিষয়টি সন্দেহ জনক হওয়ায় ঘোড়াঘাট থানা পুলিশকে জানালে ঘোড়াঘাট থানা পুলিশ নিহত আঃ হমিদের মরদেহ উদ্ধারকরে।পুলিশ মরদেহের সুরুতহাল রিপোর্ট তৈরী করে ময়না তদন্ত করে।পরে অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা নং-১৫, তাং- ০৩/১২/২০২১ ইং দায়ের করা হয়। আঃ হামিদের মৃত্যু ঘটনাটি আত্মহত্যায় প্ররোচিত করার প্রমাণিত হওয়ায় নিহত আঃ হামিদের ছোট ভাই আঃ রহিম (ধলু) বাদী হয়ে পুত্র, পুত্রবধু, জামাতা, কন্যা, স্ত্রী ও শালিকাসহ ৭ জনকে আসামী করে ১৫ জানুয়ারী একটি আত্মহত্যায় প্ররোচিত করার মামলা দায়ের করে।পুলিশ পর দিন ১৬ জানুয়ারী সকাল ১০টায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ ফারুখুজ্জামান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে আঃ হামিদের কশিগাড়ী আফসারাবাদ কলোনীর বাসা থেকে মামলার ১নং আসামী জামাই হজিরুল ইসলামকে(৪৫) গ্রেফতার করে।

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here