চবিতে যৌন নিপীড়ন : গ্রেফতার ৪ জনই ছাত্রলীগ কর্মী

0
26
(দিনাজপুর২৪.কম) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের দায়ে গ্রেফতার হওয়া চারজনই ছাত্রলীগের কর্মী। জানা গেছে, তাদের দুজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ও বাকি দুজন হাটহাজারী কলেজের ছাত্র। সবাই শাখা ছাত্রলীগের কর্মী।
শনিবার (২৩ জুলাই) স্থানীয় মানুষ ও ছাত্র-শিক্ষকদের সঙ্গে কথা এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে শুক্রবার রাতে হাটহাজারী ও রাউজানের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের দায়ে গ্রেফতার হওয়া চারজনই ছাত্রলীগের কর্মী। জানা গেছে, তাদের দুজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ও বাকি দুজন হাটহাজারী কলেজের ছাত্র। সবাই শাখা ছাত্রলীগের কর্মী।
শনিবার (২৩ জুলাই) স্থানীয় মানুষ ও ছাত্র-শিক্ষকদের সঙ্গে কথা এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে শুক্রবার রাতে হাটহাজারী ও রাউজানের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
-ছবি সংগ্রহীত

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- হাটহাজারীর ফতেহপুরের মো. আমিরের ছেলে মো. আজিম (২৩)। তিনি চবির ইতিহাস বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। একই এলাকার জাবেদ হোসেনের ছেলে নুর হোসেন শাওন (২২)। তিনি হাটহাজারী কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র। ফেনীর পরশুরামের বেলায়েত হোসেনের ছেলে নুরুল আবছার বাবু (২২)। তিনি চবির নৃবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। ঝালকাঠি সদরের আব্দুল মান্নানের ছেলে মাসুদ রানা (২২)। তিনি হাটহাজারী কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, যৌন নিপীড়নের ঘটনায় জড়িত সবাই শাখা ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত। গ্রেফতার আজিম শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক রুবেলের অনুসারী এবং চুজ ফ্রেন্ডস উইথ কেয়ার (সিএফসি) গ্রুপের কর্মী। শাওন, রানা ও আবছার শাখা ছাত্রলীগের নেতা প্রদীপ চক্রবর্তী দুর্জয়ের অনুসারী ও ভার্সিটি এক্সপ্রেস (ভিএক্স) গ্রুপের কর্মী।
এ বিষয়ে চবি ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক রুবেল বলেন, অপরাধী যে দলেরই হোক, সে তার শাস্তি পাবে। ছাত্রলীগ কখনও তাদের কর্মীদের পাওয়ার খাটিয়ে অপকর্ম করার অনুমোদন দেয়না। আমার বোনের সঙ্গে ঘটে যাওয়া জঘন্য অপরাধের বিচার চাই।
এদিকে ভিএক্স গ্রুপের নেতা প্রদীপ চক্রবর্তী দুর্জয়কে একাধিকবার কল দিলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।
র‍্যাব জানায়, ঘটনার দিন (১৭ জুলাই) রাতে চবির ওই ছাত্রী তার এক বন্ধুকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেন এলাকা থেকে আসছিল। এ সময় অভিযুক্তরা ওই ছাত্রীর বন্ধুকে জেরা করে। পরে ঘটনাক্রমে মেয়েটি, তার বন্ধু ও অভিযুক্ত আজিমের মোবাইলে ভিডিও ধারণ করা হয়। ওই ছাত্রীকে মারধর করেন বহিরাগত শাওন।
তারা আরও জানান, আজিম ও তার ওই গ্রুপটা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায়ই আড্ডাবাজি করে থাকে। এ ঘটনায় দুইটি মোটরসাইকেল ব্যবহার করা হয়। এ দুইটি ছিলো সাইফুল ও শাওনের। ঘটনায় ব্যবহৃত দুটো মোটরসাইকেল ও তিনটি মোবাইল জব্দ করা হয়েছে। -অনলাইন ডেস্ক
মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here