জি কে শামীমসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলার রায় ২৫ সেপ্টেম্বর

0
76
গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীম। পুরোনো ছবি

(দিনাজপুর২৪.কম) যুবলীগের কথিত সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ঠিকাদার এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীম ও তার ৭ জনের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলায় রায় ঘোষণার জন্য আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর ধার্য করেছেন আদালত।

আজ রোববার শুনানি শেষে ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শেখ ছামিদুল ইসলাম রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেন। রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর সালাহউদ্দিন হাওলাদার এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘মামলাটিতে আদালত ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন। আদালতে রায়ের তারিখ ধার্য করেছেন। আশা করছি, আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা হবে।’

মামলার অপর আসামিরা হলেন, জিকে শামীমের সাত দেহরক্ষী মো. জাহিদুল ইসালাম, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন, মো. সামসাদ হোসেন, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. মুরাদ হোসেন।

২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর অস্ত্র মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি একই আদালত আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

মামলার চার্জশিটে বলা হয়, আসামি আমিনুল ইসলাম জামালপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে লাইসেন্স প্রাপ্ত হয়েছে মর্মে ডকুমেন্ট দেখালেও তা যাচাইয়ে তার সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাই তার অস্ত্রটি অবৈধ। সেই অবৈধ অস্ত্রের নকল কাগজপত্র নিয়ে ২০১৭ সালে প্রথমে এস.এম বিল্ডার্স কোম্পানিতে যোগদান করেন আমিনুল। পরে ২০১৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে আসামি জি কে শামীমের দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করে আসছিল। তিনি মূলত অবৈধ অস্ত্রটি ৭০ হাজার টাকায় কিনে করে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করে। তাই তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত হয়। তার বিরুদ্ধে পৃথক একটি চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। এছাড়া অন্য আসামিরা নিরাপত্তার অজুহাতে অস্ত্রের লাইসেন্সপ্রাপ্ত হলেও তারা শর্ত ভঙ্গ করে অস্ত্র প্রকাশ্যে বহন, প্রদর্শন ও ব্যবহার করে লোকজনের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টির মাধ্যমে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, মাদক ও জুয়ার ব্যবসা করে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন।

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হলে ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিকেতনে শামীমের বাড়ি ও অফিসে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে আটটি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গুলি, ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর এবং নগদ প্রায় এক কোটি ৮১ লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা এবং মদ জব্দ করে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও মানিলন্ডারিং আইনে তিনটি মামলা করা হয়। -অনলাইন ডেস্ক

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here