ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হত্যায় ৫ জনের যাবজ্জীবন

0
31
প্রতীকী ছবি

(দিনাজপুর২৪.কম) চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসীর প্রতিবাদ করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ছাত্র মনিরুল ইসলাম বিপুকে গুলি করে হত্যার মামলায় পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ১৯ বছর আগে রাজধানীর ডেমরায় সংগঠিত এ হত্যা মামলায় আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইকবাল হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর পাঁচ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন বাবু, চায়না বাবুল ওরফে বাবুল, তারিকুল ইসলাম ওরফে মিল্লাত, খায়রুল বাশার ওরফে খায়রুল ও পাতলা সুমন ওরফে সুমন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে তাদের আরও ৩ মাস কারাভোগ করতে হবে।

দণ্ডপ্রাপ্তাদের মধ্যে বাবু ও মিল্লাত আজ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। খালাস পাওয়া পাঁচজন হলেন সোহেল, আলম, আজাহারুল ইসলাম ওরফে পারভেজ, মামুন ও উজ্জল।

মামলা থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী বিপু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ পড়তেন। পাশাপাশি তিনি ব্যবসা করতেন। ২০০৪ সালের ২৬ জুলাই দুপুরে ডেমরার বাসায় ঘুমাচ্ছিলেন তিনি। দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে প্রতিবেশী বাবু বাসায় এসে বিপুকে ঘুম থেকে ডেকে নিয়ে যান। এর ১৫-২০ মিনিট পর বিপুর বাসার কাজের মেয়ে এসে জানায়, বিপু মাথায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। বিপুর খালা রোকসানা আক্তার ও পাশের সুমন তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় বিপুর মা লায়লা বেগম ওই দিনই ডেমরা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে ডেমরা থানার উপপরিদর্শক সাইদুল ইসলাম ২০০৪ সালের ২৯ নভেম্বর ১০ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন। চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসীর প্রতিবাদ করায় বিপুকে গুলি করে হত্যা করা হয় বলে চার্জশিটে উল্লেখ করেন তদন্ত কর্মকর্তা। ২০০৬ সালের ১২ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে আদালত চার্জশিটভুক্ত ৩০ জন সাক্ষীর মধ্যে ৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। -ডেস্ক রিপোর্ট

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here