‘তেলের দাম বাড়িয়ে সিন্ডিকেটকে শাস্তির বদলে পুরস্কৃত করা হয়েছে’

0
73

(দিনাজপুর২৪.কম) ‘ঈদের আগে সয়াবিন তেল সরবরাহ না করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে আমদানি ও উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো, আর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নতুন করে মূল্য বাড়িয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করল।’ গতকাল বৃহস্পতিবার সাধারণ নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন আহমেদ এক লিখিত বিবৃতিতে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘সরকার জনগণকে স্বস্তি দিতে যেখানে আমদানি ও উৎপাদন পর্যায়ে এডো শুল্ক প্রত্যাহার করল, সেই সুবিধা তো জনগণ পেলই না, উল্টো আরও দাম বাড়িয়ে জনগণের পকেট কাটার সঙ্গে সঙ্গে বাজার থেকে হঠাৎ করে তেল উধাও করে দেওয়া হলো।’

বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন ঘটনা বিরল উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘এ সকল প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যেখানে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা, তা না করে আজ উল্টো দাম বাড়িয়ে জনগণের সঙ্গে প্রহসন করা হয়েছে। এটি জনগণের সঙ্গে এক প্রকার প্রতারণা।’ ‘আমাদের দাবি, মূল্য নির্ধারণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সয়াবিন তেলের মূল্য নির্ধারণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের গণশুনানি করা এবং তারপর মূল্য নির্ধারণ করা,’ যোগ করেন তিনি।

বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে আরও ৩৮ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৪৪ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

দাম বৃদ্ধিতে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৬০ টাকা থেকে বেড়ে ১৯৮ টাকায় এবং খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৩৬ টাকা থেকে বেড়ে ১৮০ টাকায় বিক্রি হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সয়াবিন তেলের নতুন দামের অনুমোদন দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। আগামীকাল শুক্রবার থেকে এটি কার্যকর হবে।

ঈদের আগে ভোজ্যতেল আমদানিকারক, শোধনাগার ও পাইকারি বিক্রেতারা দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছিল।

নতুন দাম অনুযায়ী সয়াবিন তেলের পাঁচ লিটারের বোতলের দাম এখন ৯৮৫ টাকা। আগে এর দাম ছিল প্রায় ৭৬০ টাকা।

এ নিয়ে গত ৪ মাসে তৃতীয়বারের মতো ভোজ্যতেলের দাম বাড়ালো সরকার।

তবে গত ২০ মার্চ বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম একবার কমানো হয়েছিল।

তখন বোতলজাত তেলের দাম লিটার প্রতি ৮ টাকা কমে ১৬০ টাকা এবং খোলা তেলের দাম ৭ টাকা কমিয়ে ১৩৬ টাকা করা হয়েছিল। -অনলাইন ডেস্ক

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here