দুঃসাহস দেখেন পুলিশ কর্মকর্তার, এত দুঃসাহস কোত্থেকে আসে: ফখরুল

0
53
ছবি-সংগ্রহীত

(দিনাজপুর২৪.কম) ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলামকে উদ্দেশ্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দুঃসাহস দেখেন এই সরকারের পুলিশ কর্মকর্তার। এত দুঃসাহস কোত্থেকে আসে!

রোববার বিকেলে চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ডে আয়োজিত সমাবেশ থেকে তিনি এ কথা বলেন।

ফখরুল বলেন, দুঃসাহস দেখেন এই সরকারের পুলিশ কর্মকর্তার। এত দুঃসাহস কোত্থেকে আসে! আপনারা পুলিশে চাকরি করেন, পুলিশের আইজিপি হন আর কমিশনার হন, আপনারা এ দেশের জনগণের সেবক। জনগণের ট্যাক্সের পয়সায় আপনাদের বেতন হয়। আপনারা ভেবেছেন সারা জীবন এভাবে আওয়ামী লীগ সরকার থাকবে আর আপনাদের সমস্ত অন্যায়ের প্রশ্রয় দিয়ে যাবে? সেটা হবে না। সাবধান হয়ে যান, ঔদ্ধত্বপূর্ণ কথা বলবেন না। অশালীন কথা বলবেন না। শিষ্টাচার বিবর্জিত কথা বলবেন না। এ দেশের মানুষ আপনাদের ক্ষমা করবে না।

তিনি বলেন, র‌্যাবের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এসেছে। অপেক্ষা করেন আরও কী কী আছে। এরপর জনগণের নিষেধাজ্ঞা আসবে। আবারও বলছি, সাবধান হয়ে যান। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে নিয়ে কটূক্তি করলে দেশবাসী ক্ষমা করবে না।

ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে ইতিহাস বিকৃত করেছে। জিয়াউর রহমানকে ইচ্ছা করলেই মুছে ফেলা যায় না। তিনি বাংলাদেশের মাটিতে মিশে আছে। ইতিহাস বিকৃত করে আওয়ামী লীগ সব এক ব্যক্তির ইতিহাস বলে চালাতে চায়। এমন না, এক ব্যক্তি ছাড়া কেউ ছিল না। সেই ব্যক্তি তো দেশেই ছিল না! পাকিস্তানে ছিল। দেশে ছিল জিয়াউর রহমান ও তার সৈনিকেরা। আওয়ামী লীগ সুচতুরভাবে বাংলাদেশের সমস্ত গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে ফেলেছে। বাংলাদেশকে একটা অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। এখন ভোটের দিনের ভোট আগের রাতে হয়ে যায়। জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। যতই টালবাহানা করুন, আপনাদের সময় শেষ হয়ে এসেছে।

জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশকে মুক্ত করার জন্য, গণতন্ত্রকে মুক্ত করার জন্য, দেশনেত্রীকে মুক্ত করার জন্য আজ থেকে নতুন মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলো। আসুন আমরা সবাই এই যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ি।

শনিবার রাজধানীতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মুক্তিযোদ্ধা দাবি করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ব্যক্তব্য নিয়ে মন্তব্য করেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘একটি পার্টির খুব সিনিয়র এক নেতা বলা শুরু করেছেন, তাদের নেত্রী নাকি এক নম্বর মুক্তিযোদ্ধা। এর চেয়ে হাস্যকর…। যাকে তার স্বামী পরিত্যক্ত করে বলেছিলেন, পাকিস্তানের ওখানে কী করছ…। আর এখন সে নাকি বড় মুক্তিযোদ্ধা। আর না বলি।’ -অনলাইন ডেস্ক

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here