পুলিশের সহায়তায় জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগ

0
26
ছবি-সংগ্রহীত

(দিনাজপুর২৪.কম) হবিগঞ্জে পঞ্চম ধাপে জেলার মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলার ২১টি ইউনিয়নে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। তবে চুনারুঘাট উপজেলার ৬ নম্বর চুনারুঘাট সদর ইউনিয়নের জিকুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পুলিশ ও আনসারের সহায়তায় জাল ভোট প্রদানের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পাঁচজনকে জাল ভোটের জন্য আটক করা হলেও রহস্যজনক কারণে তাদেরকে কোনো শাস্তি না দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। ওই কেন্দ্রে পুলিশ ও আনসার সদস্যরা ভোট কেন্দ্রের ভেতরে গিয়ে ব্যালট ভেঙে ভোট দিতে সহায়তা করতে দেখা গেছে।

বর্তমান চেয়ারম্যান ও ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী কাউছার বাহারের প্রধান এজেন্ট আফসার আহমেদ বিষয়গুলো নিয়ে প্রতিবাদ করলে তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী কাউছার বাহারের প্রধান এজেন্ট আফসার আহমেদ অভিযোগ করেন, তিনি প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট হিসাবে জিকুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গেলে সেখানে কর্তব্যরত পুলিশের এসআই মৌলভীবাজারের সিআইডিতে কর্মরত মোজাম্মেল হোসেন তার সাথে দুর্ব্যবহার করেন এবং কেন্দ্র থেকে চলে যেতে বলেন। প্রধান এজেন্ট হিসাবে কেন্দ্র দেখার অধিকার আছে বললে এ ধরনের কোনো আইন নেই বলে ওই পুলিশ কর্মকর্তা তাকে ধাক্কা দিয়ে কেন্দ্র থেকে বের করে দেন। বিষয়টি তিনি পুলিশ সুপারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকতাকে জানালেও কোনো প্রতিকার পাননি।

তিনি আরো অভিযোগ করেন পুলিশ ও আনসার সদস্যরা স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহবুবুর চৌধুরী নোমান এর কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে তাদের সঙ্গে এমন আচরণ করেছেন। কেন্দ্রটি ওই প্রার্থীর বাড়ির কাছে হওয়ায় পুলিশকে ম্যানেজ করে তারা ইচ্ছামত জাল ভোট প্রদান করেছেন বলে অভিযোগ তার।

কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার ও চুনারুঘাট উপজেলার রাণীগাঁও মাসুদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ও কলেজের ইংরেজী বিভাগের প্রভাষক বিটন কান্তি বৈদ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে আনসার ও পুলিশ সদস্যরা বয়স্ক ও অন্ধ লোকজনকে ভোট দিতে মানবিক কারণে সহায়তা করেছেন বলে তিনি স্বীকার করেন। -অনলাইন ডেস্ক

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here