ভোলার ১৪ গ্রামে ঈদ পালন

0
47

(দিনাজপুর২৪.কম) সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ভোলার ১৪ গ্রামে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে। জেলার পাঁচ উপজেলার ১৪ গ্রামের প্রায় ৩ হাজার পরিবার এক দিন আগেই পবিত্র ঈদুল ফিতর পালন করছেন। সোমবার (২ মে) সকাল সাড়ে ৮টায় বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী গ্রামে খলিফা মজনু মিয়ার নিজ বাড়ির আঙিনায় ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এবং তিনি নিজেই ওই জামাতের ইমামতি করেন।

এছাড়াও সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে জেলার বিভিন্ন জায়গায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে তজুমদ্দিন উপজেলার ছালাম মেম্বার বাড়ি, আব্দুল্লাহ মাঝি বাড়ি, লালমোহন উপজেলার লাঙ্গলখালীর পশ্চিম পাশে পাটোয়ারী বাড়ির জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব জামাতে মুসল্লিদের নিরাপত্তায় পুলিশ সদস্য মোতায়েন ছিল।

শরিয়তপুরের নুরিয়া সুরেশ্বর দরবারের মুরিদ ও ভোলা জেলার দায়িত্বে নিয়োজিত খলিফা মজনু মিয়া জানান, আজ ভোলা জেলার ৫ উপজেলার ১৪ গ্রামের প্রায় ৩ হাজার পরিবার ঈদুল ফিতর উদযাপন করছে।

ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ও রতনপুর গ্রাম, বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ও মুলাইপত্তন গ্রাম, তজুমদ্দিন উপজেলার শিবপুর, খাসেরহাট, চাঁদপুর ও চাঁচড়া গ্রাম। লালমোহন উপজেলার পৌর শহর, ফরাজগঞ্জ গ্রাম এবং চরফ্যাশন উপজেলার পৌর শহর, দুলারহাট, ঢালচর ও চর পাতিলা গ্রামের প্রায় ৩ হাজার পরিবার প্রতি বছর একদিন আগেই ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করেন।

জানা যায়, সুরেশ্বর পীরের মুরিদ ছাড়াও চট্টগ্রামের সাতকানিয়া ও মাইজ ভাণ্ডার শরিফের পীরের মুরিদ পরিবারের সদস্যরা শতাধিক বছর ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন।

সুরেশ্বর পীরের আরেক মুরিদ বোরহানউদ্দিনের টবগী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার হারুন অর রশিদ বলেন, ‘আমাদের মতে পৃথিবীর যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখা গেলেই রোজা ও ঈদ পালন করা যায়। সে অনুযায়ী আমরা প্রতি বছর একদিন আগে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে আসছি। অনলাইন ডেস্ক

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here