লক্ষ্মীপুরে ১১ গ্রামের সহস্রাধিক মানুষের ঈদ পালন

0
31

(দিনাজপুর২৪.কম) সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগেই ঈদুল ফিতর উদযাপন করছে লক্ষ্মীপুরের ১১ গ্রামের মানুষ সহস্রাধিক। আজ সোমবার (২ মে) সকাল ১০টায় রামগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ পূর্ব নোয়াগাঁও তালিমুল কুরআন নূরানী মাদরাসা ঈদগাহ ময়দানে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিরা। এ উপজেলার ৪টি ও রায়পুর উপজেলার একটি মসজিদে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাওলানা ইসহাক (রাঃ) এর অনুসারী হিসেবে ৪৫ বছর ধরে এ নিয়ম পালন করে আসছেন তারা।

তবে এসব স্থানে আগামীকাল অধিকাংশ মুসল্লি ঈদ পালন করবেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সকাল ৭টায় রামগঞ্জ পৌরসভার জাহাঙ্গীর টাওয়ার, ৯টায় পূর্ব বিঘা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, পশ্চিম নোয়াগাঁও জামে মসজিদে নামাজ আদায় হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, জেলার রামগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও, জয়পুরা, বিঘা, বারোঘরিয়া, হোটাটিয়া, শরশৈই, কাঞ্চনপুর ও রায়পুর উপজেলার কলাকোপাসহ ১১টি গ্রামের সহস্রাধিক মানুষ ঈদ আনন্দে মেতে উঠেছেন। তারা পৃথকভাবে স্ব স্ব এলাকার মসজিদে ঈদের নামাজের আয়োজন করেছেন।

আবদুল্লাহ আল মামুন, আবদুল কাদের, মো. হোসেনসহ কয়েকজন মুসল্লি জানান, তারা পূর্ব পুরুষের নিয়ম অনুযায়ী রোজা ও ঈদ করে আসছেন। সৌদির সঙ্গে মিল রেখে তারা রোজা রাখেন। আবার সৌদির সঙ্গে মিল রেখেই রোজা ভাঙেন তারা।

পূর্ব বিঘা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের মুসল্লি বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুনুর রশিদ বলেন, পৃথিবীর কোথাও একবার চাঁদ দেখা গেলেই ঈদ উদযাপন করতে হবে। সৌদি আরবে চাঁদ দেখা গেছে। আগামিকাল বাংলাদেশে ঈদ ঘোষণা করা হয়েছে। এখন আর চাঁদ দেখার প্রয়োজন অনুভব করা হচ্ছে না। সৌদি আরবে শুক্রবারে জুমা হয়, এখানেও হয়। শুধু ঈদ আর রোজা নিয়েই পার্থক্য সৃষ্টি করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে দক্ষিণ পূর্ব তালিমুল কুরআন মাদরাসার ঈদগাহের খতিব মাওলানা আমিনুল ইসলাম খান জানান,আমরা হানাফি মাজহাবের অনুসারী। প্রত্যেকটি মাজহাবে একসঙ্গে সারা বিশ্বে ঈদের জামাত আদায় করার ফতোয়া রয়েছে। শুধু বাংলাদেশ ছাড়া পৃথিবীর অন্যান্য দেশে ঈদ উদযাপন করা হচ্ছে। আগে যোগাযোগের উন্নত মাধ্যম ছিল না। এজন্য মানুষ সৌদি আরবের একদিন পর ঈদ করতো। কিন্তু এখন যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেক উন্নত। এতে আমরা পিছিয়ে থাকবো কেন? অনলাইন ডেস্ক

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here