হারিকেন ধরার টাইম পাবেন না, আ.লীগকে মির্জা ফখরুল

0
18

(দিনাজপুর২৪.কম) ভোলায় পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আবদুর রহিম নিহত হওয়ার প্রতিবাদে ডাকা বিক্ষোভ সমাবেশে বিএনপির কর্মীরা হরতালের দাবি তুলে স্লোগান দিয়েছেন। এ সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা রাস্তা দখল করতে রাজি আছেন? রাস্তায় না নামলে কিছু হবে না, রাস্তা দখল করতে হবে। সরকার পতনের এক দফার আন্দোলনের জন্য সবাই রেডি হয়ে যান, তৈরি হয়ে যান।’

আজ মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশে দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি বিএনপি মহাসচিব এই আহবান জানান। ঢাকা মহানগর বিএনপির উদ্যোগে ভোলায় পুলিশের গুলিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের আবদুর রহিম নিহতের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এতে রাজধানীর বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী সমাবেশে অংশ নেন।

সমাবেশে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা এই ফ্যাসিস্ট সরকারকে টেনে হিচড়ে নামাব। আমরা জনগনের সরকার প্রতিষ্ঠা করব। এটা হোক আজকে আমাদের শপথ। আসুন এক দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে, জনগনের সরকার প্রতিষ্ঠা, জনগণের প্রতিনিধিদের সংসদে পাঠানো, আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে নেতৃত্ব দিচ্ছেন আমরা সেই আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধ হই। আমরা বিশ্বাস করি, তার নেতৃত্বে এদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলিত হবে।’

ভোলায় পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আবদুর রহিম নিহত হওয়ার প্রতিবাদে ডাকা বিক্ষোভ সমাবেশে বিএনপির কর্মীরা হরতালের দাবি তুলে স্লোগান দিয়েছেন। এ সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা রাস্তা দখল করতে রাজি আছেন? রাস্তায় না নামলে কিছু হবে না, রাস্তা দখল করতে হবে। সরকার পতনের এক দফার আন্দোলনের জন্য সবাই রেডি হয়ে যান, তৈরি হয়ে যান।’

আজ মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশে দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি বিএনপি মহাসচিব এই আহবান জানান। ঢাকা মহানগর বিএনপির উদ্যোগে ভোলায় পুলিশের গুলিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের আবদুর রহিম নিহতের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এতে রাজধানীর বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী সমাবেশে অংশ নেন।

সমাবেশে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা এই ফ্যাসিস্ট সরকারকে টেনে হিচড়ে নামাব। আমরা জনগনের সরকার প্রতিষ্ঠা করব। এটা হোক আজকে আমাদের শপথ। আসুন এক দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে, জনগনের সরকার প্রতিষ্ঠা, জনগণের প্রতিনিধিদের সংসদে পাঠানো, আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে নেতৃত্ব দিচ্ছেন আমরা সেই আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধ হই। আমরা বিশ্বাস করি, তার নেতৃত্বে এদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলিত হবে।’

লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে হারিকেন হাতে বিএনপির নেতাদের বিক্ষোভের ঘটনায় গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিএনপির নেতাদের হাতে হারিকেন ধরিয়ে দিতে বলেন। এর জবাবে ফখরুল বলেন, ‘হারিকেন ধরিয়ে দেওয়ার সময় এসেছে আপনাদের। হারিকেন ধরার টাইম পাবেন না। পেছনের দরজা দিয়ে যাওয়ারও সময় পাবেন না।’ শ্রীলঙ্কার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘জনগণ পালাতে দেয় না। গত ১৫ বছরে বাংলাদেশকে বর্তমান সরকার শ্মশানে পরিণত করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ঘোষণা করছি, আগামী বৃহস্পতিবার থেকে প্রতিটি অঙ্গসংগঠন বিক্ষোভ করবে। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসনের নেতৃত্বে পরবর্তী কর্মসূচি দেব।’

সমাবেশে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘এই সমাবেশ থেকে আমি আহবান জানাতে চাই, আমাদের টার্গেট এই ফ্যাসিবাদ, লুটেরা সরকারকে হটাতে হবে, আমাদের টার্গেট আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে, আমাদের টার্গেট আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে এনে স্বাধীনভাবে রাজনীতি করার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।’

মহানগর উত্তরের আহবায়ক আমান উল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব আমিনুল হক ও রফিকুল আলম মজনুর পরিচালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, বিএনপি নেতা আবদুস সালাম আজাদ, কামরুজ্জামান রতন, এবিএম মোশাররফ হোসেন, মীর সরাফত আলী সপু, সাইফুল আলম নিরব, ইকবাল হোসেন শ্যামল, মহানগর বিএনপির  ইউসুফ মৃধা, ইশরাক হোসেন, যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোনায়েম মুন্না, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, মহিলা দলের নিলোফার চৌধুরী মনি, হেলেন জেরিন খান, ওলামা দলের শাহ নেসারুল হক, কৃষক দলের হাসান জাফির তুহিন, শহিদুল ইসলাম বাবুল, তাঁতী দলের আবুল কালাম আজাদ, মৎস্যজীবী দলের আবদুর রহিম, জাসাসের জাকির হোসেন রোকন, শ্রমিক দলের মোস্তাফিজুল করীম মজুমদার, ছাত্রদলের কাজী রওনা্কুল ইসলাম শ্রাবন ও সাইফ মাহমুদ জুয়েলসহ আরও অনেকে। -ডেস্ক রিপোর্ট

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here