হিলি স্থলবন্দরে ৪ মাসে রাজস্ব ঘাটতি সাড়ে ২৭ কোটি টাকা

0
59
-পুরনো ছবি

স্টাফ রিপোর্টার (দিনাজপুর২৪.কম) চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। এ সময়ে বন্দর থেকে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৫৭ কোটি ২৬ লাখ টাকা। এর বিপরীতে আহরণ হয়েছে ১২৯ কোটি ৭৭ কোটি টাকা। অর্থবছরের বাকি সময়ে বন্দর দিয়ে দুই দেশের মাঝে পণ্য আমদানি রপ্তানি স্বাভাবিক থাকলে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। হিলি স্থল শুল্কস্টেশন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার অধিক রাজস্ব আহরণ করায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর থেকে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে ৪৫৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা। সে হিসাব মোতাবেক অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাই মাসে বন্দর থেকে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৬ কোটি ৩৫ লাখ টাকা, এর বিপরীতে আহরণ হয়েছে ৩৩ কোটি ৫৮লাখ টাকা। আগস্ট মাসে ৪৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আহরণ হয়েছে ২৬ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। সেপ্টেম্বর মাসে ৩৭ কোটি ৯৩ লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আহরণ হয়েছে ৩৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা। অক্টোবর মাসে ৩৯ কোটি ২লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আহরণ হয়েছে ৩৪ কোটি ৩১ লাখ টাকা।

হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা এসএম নুরুল আলম খান দিনাজপুর২৪.কমকে বলেন, গত অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার অধিক রাজস্ব আহরণ করায় চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে অনেক বেশি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেওয়ায় কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হচ্ছে না। তবে বন্দরের রাজস্ব আহরণ নির্ভর করে বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি রপ্তানির উপর যদি আমদানি রপ্তানি বাড়ে তবে রাজস্ব আহরণ বাড়বে আর যদি ধর্মঘটসহ অন্য কোন কারণে আমদানি রপ্তানি বন্ধ হয় বা কমে তাহলে রাজস্ব আহরণ কমবে। তবে বন্দর থেকে রাজস্ব আহরণ বাড়াতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের উপকমিশনার। তিনি বলেছেন, শুধুমাত্র আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য ছাড়া সকল পণ্যই এই বন্দর দিয়ে ভারত থেকে আমদানি করতে পারবেন আমদানিকারকরা। তবে সে ক্ষেত্রে আমদানি করা পণ্যের ওজন সঠিক থাকতে হবে, ঘোষণা অনুযায়ী পণ্য ঠিক থাকতে হবে, এইচএসকোড ঠিক থাকতে হবে।বর্তমানে যে হারে বন্দর দিয়ে আমদানি রপ্তানি বিরাজমান রয়েছে তাতে করে অর্থবছরের বাকি সময়ে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে। তবে সম্প্রতি রেয়াতি শুল্কহারে চাল আমদানির সময়সীমা শেষ হওয়ায় বন্দর দিয়ে চাল আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ও পেঁয়াজের উপর থেকে আমদানি শুল্ক কমানোর কারণে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন খুব সহজ হবে না বলে ব্যবসায়ীরা মনে করছেন।

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here