(দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর ডটকম) ভোটার হওয়ার পর প্রথমবার ভোট দিতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন তরুণরা। ভোট দেওয়ার পর কেন্দ্রের বাইরে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলে স্মৃতি হিসেবে ধরে রাখছেন অনেকে। পরে সেই ছবি পরিচিতজনদের সঙ্গে শেয়ার করে নিজেদের আনন্দের মুহূর্ত ভাগাভাগি করছেন।
অনেক আগেই ভোটার তালিকাভুক্ত হলেও কখনো নিজের ভোট নিজে দিতে পারেননি দুই তরুণ চিকিৎসক ডা. শিহাব ও ডা. ইমামুল হাসান। তবে ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ভোটাধিকার প্রয়োগ করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তারা।
মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্রের সামনে কথা হয় তাদের সঙ্গে। সেখানে তারা জানান, আগের নির্বাচনে নিজের ভোট নিজে দেওয়ার সুযোগ পাননি।
এইমস হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শিহাব বলেন, আমি অনেক আগেই ভোটার হয়েছি। কিন্তু কোনো নির্বাচনেই আমার ভোট আমি নিজে দিতে পারিনি। শুনেছি অন্যরা আমার ভোট দিয়ে দিয়েছে। এ কারণে কেন্দ্রে যাওয়ার আগ্রহও ছিল না। নিজের ভোট নিজে দেওয়া একটি মৌলিক অধিকার। সেই অধিকার এবার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রথমবার ভোট দিতে পেরে খুব ভালো লাগছে। স্মৃতি হিসেবে সেলফি তুলেছি।
তিনি আরও বলেন, অধিকার ২৪ আন্দোলনের পর আমাদের ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এবার মনে হয়েছে আমার অধিকার হরণ হয়নি।
হলি ফ্যামিলি হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. ইমামুল হাসানও একই অনুভূতির কথা জানান। তিনি বলেন, আমিও জীবনে প্রথমবার ভোট দিয়েছি। আমরা দুই বন্ধু একসঙ্গে এই কেন্দ্রে ভোট দিয়েছি। এতদিন যে আনন্দ থেকে আমাদের বঞ্চিত করা হয়েছিল, আজ সেটা অনুভব করেছি।
তিনি বলেন, ‘আমার ভোট আমি দেব, যাকে ইচ্ছা তাকে দেব’—এই স্লোগান এবার বাস্তবে পরিণত হয়েছে। কাকে ভোট দিয়েছি সেটা বলব না। তবে ভোটের পরিবেশ ভালো লেগেছে।
ডা. ইমামুল হাসান আরও বলেন, ভোটের শুরু যেমন সুন্দরভাবে হয়েছে, শেষ পর্যন্ত যেন একই সুষ্ঠু পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হয়—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
প্রথমবার ভোট দেওয়ার এই অভিজ্ঞতা তাদের কাছে শুধু একটি নাগরিক দায়িত্ব নয়, বরং জীবনের একটি স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবেই মনে থাকবে বলে জানান তারা। -নিউজ ডেস্ক