প্রিন্ট এর তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
একই চক্রে ঘুরছে দেশের রাজনীতি ও জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
১৯৪৭ সালের দেশভাগ আন্দোলন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪-এর যুক্তফ্রণ্ট নির্বাচন, ১৯৬৬-এর ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যূত্থান, ১৯৭০-এর নির্বাচন, ১৯৭১-এর মহান মক্তিযুদ্ধ, ১৯৭৫ এ সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যা, ১৯৮১ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ড, ১৯৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, ২০০৭ সালের ওয়ান-ইলেভেন কিংবা ২০২৪-এর জুলাই আন্দোলন— স্বাধীন বাংলাদেশ সৃষ্টির পূর্বের ও পরের রাজনৈতিক ইতিহাসের মিল যেন ঈদের কোলাকুলির মতো।বিজ্ঞাপনপশ্চিম পাকিস্তান, পূর্ব পাকিস্তান কিংবা বাংলাদেশে যেসব রাজনৈতিক দল কিংবা সামরিক শাসক বা অরাজনৈতিক গোষ্ঠী ক্ষমতার মসনদে বসেছেন, তাদের মধ্যেই কেউ কেউ স্বল্প সময়ের জন্য কিংবা দীর্ঘ সময়ের জন্য স্বৈরতান্ত্রিকভাবে দেশ পরিচালনা করার চেষ্টা করেছেন। বিশেষ করে বাংলাদেশ সৃষ্টির পর স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাবের প্রভাব খুব বেশি দেখা গেছে, প্রায় প্রতিটি সরকারের সময়েই। স্বাধীন বাংলাদেশে ক্ষমতার মসনদে টিকে থাকবার জন্যই কখনো রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার আবার কখনো সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পরিচালিত হয়েছে। ক্ষমতা সবসময় এখানে জনগণের ওপর ছড়ি ঘুরিয়েছে। জনগণের সম্মিলিত আন্দোলন-সংগ্রামের ফসল জনগণ কখনো ঘরে তুলতে পারেনি; মুষ্টিমেয় সুবিধাবাদী ব্যক্তি ও গোষ্ঠী লুটেছে যত ফায়দা।স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের ফসল হিসেবে বাংলাদেশ পেয়েছিল সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের পছন্দের- নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার। যা ক্ষমতার পালাবদলের জন্য একটি নিরপেক্ষ সরকার ব্যবস্থা। কিন্তু এতেও শেষ পর্যন্ত শান্তি আসেনি। জনগণ দেখেছে আরেকটি মহাপরাক্রমশালী স্বৈরাচারী সরকার।
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর ডট কম