বৃহস্পতিবার , ১৩ জুন ২০২৪ | ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. আইন আদালত
  3. আর্ন্তজাতিক
  4. এক্সক্লুসিভ
  5. কৃষি ও কৃষাণ
  6. ক্যাম্পাস
  7. ক্রিকেট
  8. গল্প-সাহিত্য
  9. চাকুরি
  10. জাতীয়
  11. জেলার খবর
  12. টালিউড
  13. টেনিস
  14. তথ্য-প্রযুক্তি
  15. ধর্ম ও ইসলাম

ঘূর্ণিঝড় রেমালে সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি

প্রতিবেদক
admin
জুন ১৩, ২০২৪ ৪:০০ অপরাহ্ণ

(দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর ডটকম) ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে ৭ হাজার ৪৮১ কোটি ৮৩ লাখ ৯ হাজার ২৫২ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

সরকারের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সমন্বিত এ ক্ষয়ক্ষতির হিসাব তৈরি করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) ক্ষয়ক্ষতির প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করেন দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান।

গত ২৬ মে সারাদেশে আঘাত হানে রেমাল। এতে তিন লাখ ৮৩ হাজার ৮১৫ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। রেমালের প্রভাবে দমকা হাওয়া ও বৃষ্টিতে ৮২৭৮৩ দশমিক ৮২ হেক্টর ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আক্রান্ত কৃষকের সংখ্যা পাঁচ লাখ ৩৭ হাজার ২৩৪ জন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ঘূর্ণিঝড়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ৬১৩টি স্কুল, ৫৬টি কলেজসহ মোট ৬৬৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ৩১ কোটি ৭৬ লাখ ৪৮ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এ ছাড়া প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদফতরের আওতাধীন বরিশাল ও খুলনা বিভাগের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, পিটিআই, বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসসহ মোট ৭৭ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

বরিশাল বিভাগের ৮৮০টি, চট্টগ্রাম বিভাগের ৯৮টি ও খুলনা বিভাগের ৩৮৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ক্ষয়ক্ষতির এই বিবরণীতে উপজেলা ত্রাণ গুদাম কাম দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা তথ্য কেন্দ্রসহ ১০টি সুপারিশ করা হয়েছে। সুপারিশের মধ্যে রয়েছে— গ্রামীণ রাস্তায় ১৫মিটার সেতু/কালভার্টের দৈর্ঘ্য বাড়িয়ে ৩০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে; পরিবেশ সুরক্ষায় প্রচলিত ইট ব্যবহার না করে ইউনি ব্লকভিত্তিক রাস্তা নির্মাণ এবং রাস্তার বর্তমান সংখ্যা বাড়িয়ে পরবর্তী বছরে ৫ হাজারে উন্নীতকরণ; চলমান প্রকল্পের বাইরে আরও ১ হাজার সাইক্লোন সেন্টার ও ৫০০ বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ; বাংলাদেশের সব মুজিবকেল্লাকে পাকা অবকাঠামোয় রূপান্তর; খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষকদের সুরক্ষায় সারাদেশে ‘শেখ হাসিনা কৃষক শেড’ নির্মাণ; হিউম্যানিটারিয়ান স্টেজিং এরিয়া দ্রুত নির্মাণ; বজ্রপাত মোকাবিলায় পরিকল্পনা কমিশনে বিবেচনাধীন ডিপিপি অনুমোদন ও ভূমিকম্প মোকাবিলায় পর্যাপ্ত মালামাল ক্রয়ের অনুমোদন প্রদান; ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সমন্বিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তুলতে ফায়ার সার্ভিস ও আবহাওয়া অধিদফতরকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে অঙ্গীভূতকরণ। -নিউজ ডেস্ক

সর্বশেষ - ক্যাম্পাস