মঙ্গলবার , ২৬ আগস্ট ২০২৫ | ১৪ই ভাদ্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. আইন আদালত
  3. আর্ন্তজাতিক
  4. এক্সক্লুসিভ
  5. কৃষি ও কৃষাণ
  6. ক্যাম্পাস
  7. ক্রিকেট
  8. গল্প-সাহিত্য
  9. চাকুরি
  10. জাতীয়
  11. জেলার খবর
  12. টালিউড
  13. টেনিস
  14. তথ্য-প্রযুক্তি
  15. ধর্ম ও ইসলাম

শুনানিতে বিএনপি-এনসিপির মারামারি, ইসির জিডি

প্রতিবেদক
admin
আগস্ট ২৬, ২০২৫ ৫:৫৮ অপরাহ্ণ

(দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর ডটকম) ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩ আসনের খসড়া সীমানার শুনানিতে গত রোববার মারামারি ঘটনা শেরেবাংলা নগর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ ঢাকা মেইলেকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সচিব বলেন, শুনানিতে মারামারি ঘটনায় আমরা পুলিশকে জানিয়েছি। ইসির পক্ষে থেকে জিডি করতে বলা হয়েছে। কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে নয় আমরা নিজেরা এটা করিয়েছি।

ইসির উপসচিব ও প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা ঢাকা মেইলকে জানান, শেরেবাংলা নগর থানায় কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে গত ২৪ আগস্টের সীমানা নির্ধারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩ আসনের শুনানিতে মারামারি ঘটনায় থানায় জিডি করা হয়েছে। ডিজিতে অভিযুক্ত হিসেবে কারো নাম দেওয়া হয়নি।

গত ২৪ আগস্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩ আসনের খসড়া সীমানা উপর দাবি-আপত্তিতে শুনানি শুরু করে (ইসি)। শুনানির একপর্যায়ে দুই পক্ষ উত্তেজিত হয়ে পড়েন এবং মারামারি শুরু করেন। তারপর ইসি কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে ইসি সচিব ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩ আসনের জন্য শুনানি শেষ করেন এবং তাদের শুনারি কক্ষ ত্যাগ করার অনুরোধ জানান।

এরপর শুনানি শেষে সাংবাদিকদের ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা শুনানি শেষে বলেন, আমার বিপক্ষে যারা এসেছেন তারা গুন্ডাপান্ডা নিয়ে এসেছে। চাইলে আমিও আনতো পারতাম কিন্তু আনিনি। আমাকে যখন ধাক্কা দেওয়া হয়েছে ওই সময় তো আর আমার লোকজন বসে থাকবে না। তারাও চড়াও হয়েছে। এছাড়া নিজ দলের নেতা-কর্মীদের হাতে ধাক্কা খাওয়া নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশও তিনি করেছেন।

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার নেতৃত্বে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আতাউল্লাহকে মারধর করা হয়েছে এমন অভিযোগ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

এ বিষয়ে রুমিন বলেন, উনি এনসিপি থেকে এসেছেন নাকি অন্য কোনো দল থেকে এসেছেন তা বোঝা মুশকিল। কারণ তিনি পরিচিত মুখ নন। একজন পাঞ্জাবি পড়া লোক আমাকে ধাক্কা দিয়েছে তারপরে আমার লোক তো বসে থাকবে না। আমি তো একজন মহিলা এবং পরে যখন আমার লোকজন মারধর করেছে। আমার লোকজন জাবাব দিয়েছে সিম্পল।

হামলার শিকার এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আতাউল্লাহ ওইদিন সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সীমানা শুনানিতে অংশ নিতে গিয়ে তিনি রুমিন ফারহানা ও তার সমর্থকদের হাতে হামলার শিকার হয়েছেন।

আতাউল্লাহ বলেন, আমাকে টেনে-হিঁচড়ে বাইরে সরানোর চেষ্টা করা হয়েছে। পরে শুনানির ভেতরে ঢুকলে রুমিন ফারহানা ধাক্কা দেন এবং তার সন্ত্রাসীরা আমাকে মাটিতে ফেলে মারধর করে। আমার সঙ্গে থাকা আরও দুজন নেতাকর্মীকেও আঘাত করা হয়েছে। সিসিটিভিতে সবকিছু দেখা যাবে।

আতাউল্লাহ বলেছিলেন, যদি এ ঘটনার বিচার না হয় তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে পদত্যাগ করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলন শেষে গত ২৪ আগস্ট ইসির সিনিয়র সচিব বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আতাউল্লাহ। -ডেস্ক রিপোর্ট

সর্বশেষ - অর্থনীতি

আপনার জন্য নির্বাচিত