বুধবার , ১ অক্টোবর ২০২৫ | ৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. আইন আদালত
  3. আর্ন্তজাতিক
  4. এক্সক্লুসিভ
  5. কৃষি ও কৃষাণ
  6. ক্যাম্পাস
  7. ক্রিকেট
  8. গল্প-সাহিত্য
  9. চাকুরি
  10. জাতীয়
  11. জেলার খবর
  12. টালিউড
  13. টেনিস
  14. তথ্য-প্রযুক্তি
  15. ধর্ম ও ইসলাম

গণঅভ্যুত্থানে নিহত শিশুদের পরিবার পাচ্ছে সরকারি সম্মাননা

প্রতিবেদক
admin
অক্টোবর ১, ২০২৫ ১:৩৩ অপরাহ্ণ

(দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর ডটকম) গত বছরের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে যেসব শিশু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বুলেটের আঘাতে প্রাণ হারিয়েছিল, তাদের পরিবারকে সম্মাননা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।  বুধবার (১ অক্টোবর) মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ৬ অক্টোবর দেশব্যাপী বিশ্ব শিশু দিবস পালিত হবে। সেদিনই জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শিশুদের পরিবারের হাতে সম্মাননা তুলে দেবে সরকার।  এছাড়া ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর জাতীয় শিশু অধিকার সপ্তাহ পালন করা হবে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো একযোগে পালন করবে এ বিশেষ সপ্তাহ। এবারের বিশ্ব শিশু দিবসের প্রতিপাদ্য ‘শিশুর কথা বলবো আজ, শিশুর জন্য করবো কাজ’।

riya-gop
গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন নারায়ণগঞ্জ শহরের নয়ামাটিতে বাড়ির ছাদে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় ফুটফুটে শিশু রিয়া গোপ।

দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ শিশু অ্যাকাডেমির আয়োজনে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ। এতে সভাপতিত্ব করবেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মমতাজ আহমেদ এবং বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেবেন ইউনিসেফের প্রতিনিধি ও শিশু প্রতিনিধিরা। প্রসঙ্গত, গত বছরের জুলাইতে ঢাকায় শুরু হয় সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। সেই আন্দোলন দমাতে শিক্ষার্থীদের ওপর দমন-পীড়ন চালায় তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগ এবং পুলিশ। এতে ঢাকার আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে।

A
গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন ঘরের বারান্দায় দাঁড়িয়ে চার বছর বয়সি আব্দুল আহাদও বুলেটের আঘাতে চলে যায় পরপারে। ছবি- সংগৃহীত

একপর্যায়ে আন্দোলন দমাতে মারণাস্ত্র ব্যবহার করে পুলিশ এবং আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনগুলো। মারা যায় কয়েকজন শিক্ষার্থী। এরপরই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্দোলনে যোগ দেয় সাধারণ জনতাও। সেই আন্দোলনে নির্বিচারে গুলি চালায় পুলিশসহ সরকারের বিভিন্ন বাহিনী। হেলিকপ্টার ব্যবহার করে ওপর থেকেও ছোড়া হয় গুলি।

এসব ঘটনায় সারাদেশে প্রায় দেড় হাজার ছাত্র-জনতা নিহত হন। পাশাপাশি মারা যায় শতাধিক শিশুও। তাদের কেউ রাস্তায় আন্দোলন দেখতে গিয়ে, কেউ বাসার ছাদে বা বেলকনিতে, কেউ আবার ঘরের ভেতরে থেকেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে মারা যায়। -নিউজ ডেস্ক

সর্বশেষ - আর্ন্তজাতিক