বুধবার , ২৬ নভেম্বর ২০২৫ | ২৬শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. আইন আদালত
  3. আর্ন্তজাতিক
  4. এক্সক্লুসিভ
  5. কৃষি ও কৃষাণ
  6. ক্যাম্পাস
  7. ক্রিকেট
  8. গল্প-সাহিত্য
  9. চাকুরি
  10. জাতীয়
  11. জেলার খবর
  12. টালিউড
  13. টেনিস
  14. তথ্য-প্রযুক্তি
  15. ধর্ম ও ইসলাম

‘একটি কাপড়ও বাঁচাতে পারিনি, বাচ্চাটাকে কীভাবে রাখবো?’

প্রতিবেদক
admin
নভেম্বর ২৬, ২০২৫ ৯:৫৭ পূর্বাহ্ণ

(দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর ডটকম) আগুনে সর্বস্ব হারানোর পর পাশের একটি অক্ষত দোকানে বসে থাকা আইরিনের মুখে গভীর ট্রমার ছাপ। গালে হাত দিয়ে স্তব্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা সেই চেহারা বলে দিচ্ছে রাতের ভয়াবহতা। চারদিকে পোড়া গন্ধ, ঘরবাড়ির ছাই আর ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা ঘিরে ধরেছে তাকে।

পাশে সেলাই মেশিনের টেবিলে কাপড়ের থান দিয়ে বালিশ বানিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রেখেছেন আড়াই বছরের ছেলে আইমানকে। আগুনে চারটি কক্ষ ভস্মীভূত হওয়ার পর পরিবারটি এখন সম্পূর্ণ নিঃস্ব। আতঙ্কিত আইরিন বললেন, ‘এখন কোথায় যাবো? একটা কাপড়ও বাঁচাতে পারিনি। বাচ্চাটাকে কীভাবে আগলে রাখবো?

আইরিনের শ্বশুর আব্দুর রশিদ বলেন, আমি বাড়িতে ছিলাম না। যখন খবর পেলাম তখন আর ভেতরে ঢুকতে পারিনি। সকালে এসে দেখলাম, চারপাশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। আমাদের ঘরের প্রতিটি জিনিস— টেবিল, আলমারি, বিছানার চাদর, কাপড়, এমনকি শিশু আইমানের খেলনা—সবই আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সঞ্চয়, সংগ্রহ করা জিনিসপত্র সবকিছু হারিয়ে ফেলেছি।

চোখের পলকেই আগুন চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে জানিয়ে আব্দুর রশিদের প্রতিবেশি রাজিব হোসেন বলেন, চোখের পলকেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে ছোট একটি আগুন দেখেছিলাম, কিন্তু মুহূর্তের মধ্যেই পুরো ঘর লেলিহান শিখায় জড়িয়ে যায়। চারদিক ধোঁয়া আর আগুনে অন্ধকার হয়ে আসে। তখন আর কিছু বাঁচানোর মতো সময় ছিল না। প্রাণ বাঁচাতে সবাই কোনো রকমে বাইরে বেরিয়ে আসি। কেউই কল্পনা করতে পারেনি এত দ্রুত সব শেষ হয়ে যাবে। বাইরে এসে দাঁড়িয়ে শুধু আগুনে পুড়তে থাকা ঘর দেখা ছাড়া কিছুই করার ছিল না।

এদিকে ফায়ার সার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় এবং শুকনো মৌসুমের কারণে আগুন দ্রুত শতাধিক ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের মোট ১৯টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও, সরু পথ ও পানির অভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে মারাত্মক বেগ পেতে হয়। এলাকার লেক থেকে পাইপ টেনে এনে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা চেষ্টার পর রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে।

ছবি-সংগ্রহীত

ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন ও মেন্টেনেন্স) লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী গতকাল রাতে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বস্তিতে বিভিন্নভাবে কথা বলে আমরা জনাতে পেরেছি আনুমানিক ১৫০০ ঘর-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে তদন্তের পর জানা যাবে আসলে কত ঘর-বাড়ি পুড়েছে।

তিনি আরও বলেন, আগুন লাগার ৩৫ মিনিট পর ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় তিনটি স্টেশনের ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট, ওইসময় সড়কে অনেক যানজট ছিল। এরপরে আরও ইউনিট এলেও বড় গাড়িগুলো ঢুকতে পারেনি সরু রাস্তার কারণে। অনেক সীমাবদ্ধতা নিয়ে কাজ করতে হয়েছে তবে এখানে পৌঁছানোর আগেই আগুন ডেভলপ স্টেজে চলে যায়। এ আগুন নিয়ন্ত্রণে একটু বেশি সময় লেগেছে।  -ডেস্ক রিপোর্ট

সর্বশেষ - অর্থনীতি

আপনার জন্য নির্বাচিত

অফিস নেই, ঠিকানা ভুয়া, ইসির তালিকায় ‘অস্তিত্বহীন’ পর্যবেক্ষক সংস্থা

ভারতে নাইটক্লাবে ভয়াবহ আগুন, ২৩ জনের প্রাণহানি

গুরুতর অসুস্থ আব্দুল মজিদ: দ্রুত সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়ার আর্তি

দুঃখ প্রকাশ করে যা বললেন উপদেষ্টা মাহফুজ আলম

‘জুলাই সনদ’ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

বাস-ট্যাঙ্কার সংঘর্ষ : মদিনায় ৪২ ভারতীয় ওমরাহ যাত্রী নিহত

রাত পোহালেই রাকসুর ভোট: শীর্ষ ৩ পদে হতে পারে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

গাজা যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের ২১ দফার প্রস্তাবে যা আছে

আসন ভিত্তিক ভোটার তালিকা প্রকাশ, ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ