(দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর ডটকম) জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একদিনে আয়োজনের কারণে ভোটকেন্দ্রে সময় সংকট দেখা দিতে পারে। ভোটারদের সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে কেন্দ্র ও বুথর সংখ্যা বাড়ানো হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মক ভোটিং পরিদর্শন শেষ সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একদিনে আয়োজনের কারণে সময় সংকট বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। সে বিষয়টি যাচাই করতেই রাজধানীতে মক ভোটিংয়ের আয়োজন করে নির্বাচন কমিশন। সেখানে পরিদর্শনে গিয়ে সিইসি জানান, ভোট ও গণভোট একইসঙ্গে হলে ভোটারদের লাইন দীর্ঘ হতে পারে। তাই সময় ব্যবস্থাপনা দেখে প্রয়োজন হলে কেন্দ্র ও বুথ বাড়ানো হবে। এ সময় অন্যান্য কমিশনার ও ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নাসির উদ্দীন বলেন, ‘আমরা অনুমানের ভিত্তিতে এগোতে চাই না। বাস্তব অভিজ্ঞতা দেখে সিদ্ধান্ত নেব। যদি মনে হয় বুথ বা পোলিং স্টেশন বাড়ানো প্রয়োজন, আমরা তা করব। খরচ নয়, ভোটারের সুবিধাই আগে।’

মক ভোটিংয়ে অনেক ভোটার দেড় ঘণ্টার বেশি লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এটি সময় সংকটের ইঙ্গিত দেয় কি না-এমন প্রশ্নে সিইসি বলেন, ‘এটাই তো অ্যাসেসমেন্টের উদ্দেশ্য। একজন ভোটার ভোট দিতে কত সময় নিচ্ছেন, গণভোটের ব্যালটের কারণে প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত সময় কত, সব হিসাব আজকের অভিজ্ঞতা থেকেই বের হবে।’
নাসির উদ্দীন আরও বলেন, ‘যদি রিয়েল-টাইম মূল্যায়নে দেখা যায় বুথ বাড়ালে গণভোটসহ পুরো প্রক্রিয়া সময়মতো শেষ করা সম্ভব-তাহলে বাড়ানো হবে।’
সিইসি আরও জানান, গত ১৫ বছরে বিপুল সংখ্যক তরুণ প্রথমবারের মতো ভোট দেবেন। অনেকে কখনো ভোট প্রক্রিয়া দেখেনি। মক ভোটিং নতুন ভোটারদের জন্য বাস্তব অনুশীলনও বটে।
মক ভোটিংয়ে অনেক ভোটার গণভোটের হ্যাঁ-না বুঝতে পারছিলেন না। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সিইসি বলেন, ‘এটা স্বাভাবিক। এখনো আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হয়নি। মাত্র গত মঙ্গলবার অধ্যাদেশ হয়েছে, এরপরই আমরা প্রক্রিয়া শুরু করেছি। তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়সহ আমরা সবাই মিলে ব্যাপক প্রচারণা চালাব।’ তিনি বলেন, গণভোটের চারটি প্রশ্ন ‘বান্ডেল, আলাদা করে প্রতিটি প্রশ্নে হ্যাঁ–না দেওয়ার সুযোগ নেই—এটি আইনগত বাধ্যবাধকতা।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে উন্নত উল্লেখ করে সিইসি বলেন, সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন অনেক ভালো। বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা কখনোই শতভাগ নিখুঁত ছিল না। বিচ্ছিন্ন ঘটনা সব সময়ই থাকে। তবে আগের তুলনায় পরিস্থিতি অনেক উন্নত। সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছি। -নিউজ ডেস্ক



















