মঙ্গলবার , ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ | ৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. আইন আদালত
  3. আর্ন্তজাতিক
  4. এক্সক্লুসিভ
  5. কৃষি ও কৃষাণ
  6. ক্যাম্পাস
  7. ক্রিকেট
  8. গল্প-সাহিত্য
  9. চাকুরি
  10. জাতীয়
  11. জেলার খবর
  12. টালিউড
  13. টেনিস
  14. তথ্য-প্রযুক্তি
  15. ধর্ম ও ইসলাম

চাল নিয়ে চালবাজী ! উৎপাদন বেশি হলেও দিনাজপুরে চালের বাজারে ঊর্ধ্বগতি

প্রতিবেদক
admin
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬ ৪:০৩ অপরাহ্ণ

আব্দুস সালাম, হেড অব নিউজ (দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর ডটকম) আমনের ভরা মৌসুমে পর্যাপ্ত সরবরাহ ও মজুত থাকার পরেও দিনাজপুরের বাজারে চালের দাম বেড়েছে। ধানের দাম বৃদ্ধি ও বড় ব্যবসায়ীদের প্রভাবকে এই মূল্যবৃদ্ধির কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফলে উৎপাদন উদ্বৃত্ত এই জেলায় চালের দাম নিয়ন্ত্রণে না আসায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ ও নিম্ন আয়ের মানুষ। এ যেন চাল নিয়ে চালবাজী চলছে।
দিনাজপুর শহরের সবচেয়ে বড় খুচরা বাজার ‘বাহাদুর বাজার’ ঘুরে দেখা গেছে, গত কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজি চালের দাম ২ থেকে ৪ টাকা এবং সুগন্ধি ও চিকন চালের দাম ১৫ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
বর্তমানে বাজারে ব্রি-২৮ ৫৮-৬২ টাকা, ব্রি-২৯ ৫৬-৬০ টাকা, মিনিকেট ৭০-৭৫ টাকা এবং নাজির শাইল ৭৮-৮৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বিশেষ করে জিরা কাঠারী ১১৫-১৩০ টাকা এবং সিদ্ধ কাঠারী ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
বাজারে আসা সাধারণ ক্রেতাদের মতে, ভরা মৌসুমে চালের দাম বৃদ্ধি অযৌক্তিক। দাম বাড়ার ফলে নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষেরা দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন। খুচরা ব্যবসায়ী প্রদ্যুত কুমার রায় জানান, পাইকারি আড়ত থেকে প্রতি বস্তায় (৫০ কেজি) ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বাড়তি দামে চাল কিনতে হচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে। অন্যদিকে, আড়তদারদের দাবি বড় অটো রাইস মিল ও করপোরেট কোম্পানিগুলো বাজার নিয়ন্ত্রণ করায় স্থানীয় বাজারে এর প্রভাব পড়ছে।
চালের দাম বৃদ্ধির পেছনে ধানের বাজারমূল্যকে প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন মিলাররা। মিলার-চালকল মালিক গ্রুপের যুগ্ম সম্পাদক আজিজুল ইকবাল চৌধুরী বলেন, ধানের দামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই চালের দাম নির্ধারিত হয়। তবে তিনি একটি ভিন্ন সংকটের দিকে ইঙ্গিত করে জানান, লাইসেন্সবিহীন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ধান ও চাল মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। খাদ্য বিভাগ নিয়মিত অভিযান চালালে বাজার স্থিতিশীল হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুবীর নাথ চৌধুরীর দেওয়া তথ্যমতে, দিনাজপুর জেলায় বছরে চালের চাহিদা ৭ লাখ মেট্রিক টন হলেও উৎপাদন হয় প্রায় ১৬ লাখ মেট্রিক টন। ৯ লাখ মেট্রিক টন উদ্বৃত্ত চাল জাতীয় খাদ্য ভাণ্ডারে সরবরাহ করা হয়। বর্তমানে জেলায় ২৯০টি অটো রাইস মিল এবং ১,২১০টি হাসকিং মিলের মাধ্যমে চাল উৎপাদন কার্যক্রম চলছে।
বাজারের এই ঊর্ধ্বগতি রোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত নজরদারির কথা বলা হলেও সাধারণ মানুষের অভিযোগ, মাঠ পর্যায়ে এর কার্যকর সুফল এখনো মেলেনি।

সর্বশেষ - আর্ন্তজাতিক

আপনার জন্য নির্বাচিত

ঘোড়াঘাটে পরীক্ষাকেন্দ্রে উত্তর শিখিয়ে না দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধ ও হামলা

রাত পোহালেই রাকসুর ভোট: শীর্ষ ৩ পদে হতে পারে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

চালু হলো মেট্রোরেল, বহন করা যাবে না মাংস

ভারতে নাইটক্লাবে ভয়াবহ আগুন, ২৩ জনের প্রাণহানি

স্বামীর পাশে চিরশয্যায় বেগম খালেদা জিয়া

কাতারে ইসরায়েলের হামলায় নিহত ৬, হাইকমান্ড অক্ষত : ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী

আসছে নতুন নোট, ফুটে উঠেছে দেশের ইতিহাস ঐতিহ্য সংস্কৃতির প্রতিচ্ছবি

১৭ ও ২৪ মে শনিবারের ছুটি বাতিল, খোলা থাকবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও

ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার মধ্যে সীমান্তে এসপিদের সতর্ক থাকার নির্দেশ

বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক সই