সোমবার , ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৩রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. আইন আদালত
  3. আর্ন্তজাতিক
  4. এক্সক্লুসিভ
  5. কৃষি ও কৃষাণ
  6. ক্যাম্পাস
  7. ক্রিকেট
  8. গল্প-সাহিত্য
  9. চাকুরি
  10. জাতীয়
  11. জেলার খবর
  12. টালিউড
  13. টেনিস
  14. তথ্য-প্রযুক্তি
  15. ধর্ম ও ইসলাম

রমজানে প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা নাকি বন্ধ?

প্রতিবেদক
admin
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ ৬:০৯ পূর্বাহ্ণ

(দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর ডটকম) পবিত্র রমজান মাসে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে নাকি বন্ধ থাকবে এ নিয়ে অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

সম্প্রতি হাইকোর্ট সব ধরনের নিম্ন-মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজানে বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিলেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিয়ে কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা দেয়নি। ফলে প্রাথমিক স্তরের স্কুলগুলোর ছুটির বিষয়ে আলাদা করে সিদ্ধান্ত হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো পরিচালনা করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা ইতোমধ্যে একটি বাৎসরিক ছুটির তালিকা প্রণয়ন করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। ওই তালিকায় রমজান ও ঈদুল ফিতরসহ বিভিন্ন ছুটি মিলিয়ে মোট ১৯ দিন বিদ্যালয় বন্ধ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারশন্স বিভাগের উপ-পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মো. জয়নাল আবেদীন গণমাধ্যমকে জানান, ৮ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত রোজা, ঈদ ও সাপ্তাহিক ছুটিসহ মোট ১৯ দিন বন্ধ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা একটি তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। সেটি ওয়েবসাইটে প্রকাশ হয়েছে কি না তা এই মুহূর্তে নিশ্চিত নই। এর বাইরে প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধের বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো অতিরিক্ত নির্দেশনা নেই।’

তিনি আরও জানান, হাইকোর্টের আদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। তিনি বলেন, যতদূর জেনেছি, ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে নিম্ন-মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধের কথা বলা হয়েছে। প্রাথমিকের বিষয়ে আমরা কোনো নির্দেশ পাইনি। সে ক্ষেত্রে ৮ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত যে ছুটি প্রস্তাব করা হয়েছে, সেটিই আপাতত কার্যকর হিসেবে ধরা হচ্ছে। তবে এটি বহাল থাকবে নাকি পরিবর্তন হবে, সে সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রণালয়।

এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের অবস্থান জানতে সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শিক্ষাপ্রশাসনের একাধিক সূত্র বলছে, গত কয়েক বছরে রাজনৈতিক অস্থিরতা, শিক্ষকদের আন্দোলন, প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দীর্ঘ সময় বন্ধ রাখতে হয়েছে। এর ফলে শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের সময় কমে গিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘শিখন ঘাটতি’ তৈরি হয়েছে। সেই ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যেই সরকার এ বছর ছুটির দিন কিছুটা কমিয়ে শিক্ষাপঞ্জি প্রণয়ন করেছিল। পরিকল্পনা ছিল, রমজানের প্রথম ১৫ থেকে ১৮ দিন বিদ্যালয় খোলা রেখে পাঠদান চালু রাখা হবে।

কিন্তু রমজানে স্কুল বন্ধের দাবিতে করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট নিম্ন-মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ছুটি দেওয়ার নির্দেশনা দেন। ফলে মাধ্যমিক স্তরে ছুটির বিষয়টি পরিষ্কার হলেও প্রাথমিক বিদ্যালয় নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় সংশ্লিষ্টদের মধ্যে বিভ্রান্তি রয়ে গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে পূর্বনির্ধারিত ছুটির তালিকাই বহাল থাকতে পারে। তবে মন্ত্রণালয় চাইলে পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তাই অভিভাবক ও শিক্ষকদের এখন মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দিকেই তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে। -ডেস্ক রিপোর্ট

সর্বশেষ - আর্ন্তজাতিক

আপনার জন্য নির্বাচিত