দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর
বর্ষবরণে প্রস্তুত দেশ, থাকছে নানা আয়োজন

বর্ষবরণে প্রস্তুত দেশ, থাকছে নানা আয়োজন

বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে নতুন বছরের আগমনী সুর। পুরোনো বছরের জীর্ণতা, গ্লানি ও শোককে বিদায় জানিয়ে আজ শুরু হয়েছে প্রাণের উৎসব- পহেলা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ। ঋতুচক্রের নবায়নের মতোই এ উৎসব বয়ে আনে আশা, পুনর্জাগরণ ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের বার্তা।হাজার বছরের ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা এই দিনটি জাতি, ধর্ম ও বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে থাকা কোটি কোটি বাংলাদেশি একযোগে মেতে উঠবে বাংলা বর্ষবরণের আনন্দে। অন্তরের গভীরে লালিত দেশপ্রেম, অসাম্প্রদায়িক চেতনা এবং সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয়ের এক অনন্য রূপ প্রকাশিত হয় এই দিনে। অশুভ ও অসুন্দর দূরীভূত হোক, সত্য ও সুন্দরের জয়গান প্রতিধ্বনিত হোক সর্বত্র, বিদায়ী বছরের সব দুঃখ-বেদনা মুছে যাক; সবার মনে এমন প্রত্যাশা বিরাজ করে।নববর্ষ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বার্তায় দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।বাংলা নববর্ষ আমাদের প্রাণের সর্বজনীন উৎসব। এটি আমাদের ঐক্য, সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘জাতি, ধর্ম ও বর্ণের ভেদাভেদ অতিক্রম করে পহেলা বৈশাখ আমাদের সবার জন্য হয়ে ওঠে এক আনন্দ ও মিলনের দিন। আমাদের গৌরবময় ঐতিহ্য, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি এবং আত্মপরিচয়ের ধারক ও বাহক হিসেবে এ উৎসবের গুরুত্ব অপরিসীম। বৈশাখের আগমনে আমাদের জীবনে জাগে নতুন প্রত্যাশা, নব প্রতিশ্রুতি ও অসীম সম্ভাবনার স্বপ্ন। অতীতের গ্লানি, বেদনা ও ব্যর্থতাকে পেছনে ফেলে আমরা এগিয়ে চলি নব উদ্যমে ও নব প্রত্যয়ে।’প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই দিনটি আমাদের জীবনে প্রতি বছর ফিরে আসে নতুনের আহ্বান নিয়ে। নতুন বছরের আগমনে পুরোনো জীর্ণতা ও গ্লানি পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়।’‘পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ’ উপলক্ষে এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পহেলা বৈশাখের সঙ্গে আমাদের এ অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমের সম্পর্ক নিবিড়। তথ্যপ্রযুক্তির এই সুবর্ণ সময়েও প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই কৃষক তার ফসল উৎপাদনের দিনক্ষণ ঠিক করে। বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য, লোকজ সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও মূল্যবোধের ধারাবাহিকতা পহেলা বৈশাখের মাধ্যমে নতুন করে উজ্জীবিত হয়।’শহরের পাশাপাশি গ্রামবাংলাও প্রস্তুত বর্ষবরণের উচ্ছ্বাস নিয়ে। নানা বয়সী নারী, পুরুষ ও শিশুরা বর্ণিল পোশাকে উদযাপন করবে দিনটি। বসবে বৈশাখী মেলা; আয়োজন থাকবে বলিখেলা, লাঠিখেলা ও হা-ডু-ডু’ র মতো ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলার। চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলিখেলা, যা শতবর্ষের ঐতিহ্য বহন করে আসছে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বরাবরের মতোই আয়োজিত হবে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, যেখানে লোকঐতিহ্য ও স্বকীয়তাকে ধারণ করে বৃহৎ পরিসরে সর্বজনীন অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শোভাযাত্রার থিম ও মোটিফে ফুটে উঠবে আবহমান বাংলার লোকজ সংস্কৃতি। বাঁশ, কাঠ ও রঙিন কাগজে নির্মিত বিশাল বাঘ, হাতি, ময়ূর এবং মা-শিশুর প্রতিকৃতি শোভাযাত্রাকে দেবে এক অনন্য মাত্রা। এই শোভাযাত্রার মূল বার্তা- অশুভ শক্তির বিনাশ এবং কল্যাণময় আগামীর পথে যাত্রা।এবারের শোভাযাত্রায় ‘মোরগ, বেহালা, পায়রা, হাতি ও ঘোড়া’- এই পাঁচটি মোটিফ বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে। লোকজ প্রতীকের ধারায় এগুলো যথাক্রমে শক্তি, সৃজন, শান্তি, গৌরব ও গতিময়তার প্রতীক হিসেবে বহুমাত্রিক তাৎপর্য বহন করে। প্রতিটি মোটিফেই প্রতিফলিত হবে বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গভীর অনুষঙ্গ। পাশাপাশি ৩৫ জন বাদ্যযন্ত্রশিল্পীর পরিবেশনায় জাতীয় সংগীত, ‘এসো হে বৈশাখ’ এবং দেশাত্মবোধক গান শোভাযাত্রার আবহকে আরো প্রাণবন্ত করে তুলবে। এতে অংশ নেবে ২০০ জন শিক্ষার্থী, যারা বহন করবে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা।‘শান্তি, মানবতা ও সম্প্রীতি’- এই প্রতিপাদ্য নিয়ে রমনার বটমূলে ছায়ানটের শিল্পীরা সম্মিলিত কণ্ঠে পরিবেশন করবেন বর্ষবরণের গান, যা দীর্ঘদিন ধরেই এ দিনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। অন্যদিকে, উদীচী সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তোপখানা রোডে আড্ডা, গান, কবিতা ও নৃত্যের মাধ্যমে বর্ষবরণ করবে। বিকেল ৪টায় তাদের মূল আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। এবারের প্রতিপাদ্য-‘বৈশাখের রুদ্র-রোষে ধ্বংস হোক সামাজিক ফ্যাসিবাদ।’ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। ‘বাংলার হারিয়ে যাওয়া আনন্দ মিলে যাক বৈশাখে’-এই প্রতিপাদ্যে আর্ট পিক্স ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত পুতুলনাট্য উপস্থাপন করবে। রাজধানীর বিজয় স্মরণীর বাংলাদেশ মিলিটারি মিউজিয়াম (গেট নং-২) প্রাঙ্গণে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এ আয়োজন চলবে।পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও র‌্যাব বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে শিল্পকলা একাডেমি, বাংলা একাডেমিসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন সারাদেশে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করবে। এদিকে জাতীয় প্রেসক্লাব ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।বিগত বছরের সব ‘প্রতিকূলতা, আবর্জনা’ দূর করে আরো ‘মানবমুখী’ হওয়ার প্রত্যয় নিয়ে এবার বর্ষবরণ করবে দেশের সংস্কৃতিচর্চার পথিকৃৎ সংগঠন ছায়ানট।আজন্ম বাংলা সংস্কৃতির চর্চা ও প্রসারে নিয়োজিত ছায়ানটের এবারের আহ্বান, ‘আমরা নির্বিঘ্নে সংস্কৃতি চর্চা করতে চাই’।ষাটের দশকে রমনার বটমূলে যে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের সূচনা করেছিল ছায়ানট, এখন তা বাঙালির নববর্ষ উদযাপনের অন্যতম অনুষঙ্গ।১৯৬৭ সালে শুরু হওয়া এ উৎসব ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের বছর ছাড়া প্রতিটি পহেলা বৈশাখেই হয়েছে। নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়েছে সুরের মূর্ছনা আর কথামালায়। কোভিডের দুই বছর এ আয়োজন হয় ভার্চুয়ালি।২০০১ সালে ছায়ানটের বৈশাখ বরণের অনুষ্ঠানে বোমা হামলা হয়। তাতে ১০ জন নিহত হন। এরপর থেকে কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে প্রতিবছর বর্ষবরণের এ আয়োজন চলছে।বরাবরের মতোই সংস্কৃতিবিরোধী অপশক্তিকে তুচ্ছ করে ধর্ম-বর্ণ-শ্রেণি নির্বিশেষে বাঙালি তার সর্ববৃহৎ উৎসব, নতুন বছর বরণ করতে প্রস্তুত বলেও জানানো হয় ছায়ানটের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ছায়ানট জানায়, ‘ছায়ানটের বর্ষবরণের আয়োজনে বলতে চাই, ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’, সেখানেই বাঙালির জয়। বিগত বছরের সব প্রতিকূল আবর্জনা দূর করে আমরা হতে চাই আরো মানবমুখী। নতুন বছর বাঙালিকে সে শক্তি জোগাক।’ছায়ানটের সাধারণ সম্পাদক লাইসা আহমদ লিসা বলেন, ‘বাঙালি যখন আপন বর্ষবরণের আয়োজন করছে, তখন মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধবাজরা হাজার বছরের পারস্য সভ্যতার ধ্বংসলীলায় মত্ত, বিশ্ব জনজীবন বিপর্যয়ের সম্মুখীন।’সব শঙ্কা-অনিশ্চয়তা-আতঙ্কের অবসান চায় ছায়ানট, প্রত্যাশা করে মানবজাতির শান্তি-কল্যাণ-স্বস্তি। স্বপ্ন দেখে, পৃথিবী জুড়েই মানবতা-সংহতি-সাম্য-সম্প্রীতির ফুল ফুটবে।ছায়ানটের ভাষ্য, ‘সংকল্প হোক, মিলিত পথের সাথী হয়ে অন্ধকারের অর্গল খুলে, আলোর ভুবনে যাত্রা।’নতুন বছরে ভোর সোয়া ৬টায় ছায়ানটের সুরবাণীছন্দের সূচনা হবে। এবারের অনুষ্ঠান গাঁথা হয়েছে ৮টি সম্মেলক, ১৪টি একক গান ও ২টি পাঠ দিয়ে। এতে অংশ নেবেন প্রায় ২০০ শিল্পী।এবারের আয়োজনে সকালের স্নিগ্ধ প্রকৃতি এবং মানব ও দেশপ্রেমের গানের পাশাপাশি থাকছে লোক জনজীবনের সুর। বিশেষ সংযোজন, বৃটিশবিরোধী আন্দোলনের প্রখ্যাত গণসঙ্গীতজ্ঞ সলিল চৌধুরী ও পাকিস্তানবিরোধী আন্দোলনের দুর্দম গীতিকার-সুরকার মতলুব আলীর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি।রমনা উদ্যান থেকে দুই ঘণ্টার এই আয়োজন একযোগে সম্প্রচার করবে বিটিভিসহ বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। সরাসরি দেখা যাবে ছায়ানটের ইউটিউব চ্যানেল (youtube.com/@chhayanautbd) ও ফেইসবুক পেইজেও (facebook.com/chhayanautbd)।
২ ঘন্টা আগে

দিনাজপুরে বাসের ধাক্কায় শিশু শিক্ষার্থী নিহত

দিনাজপুরে বাসের ধাক্কায় শিশু শিক্ষার্থী নিহত

দিনাজপুরে শহীদ মিনারে ডিসি আগে ফুল দেওয়ায় এমপির ক্ষোভ, বললেন ‘মিটিংয়ে এর জবাব নেবো’

দিনাজপুরে শহীদ মিনারে ডিসি আগে ফুল দেওয়ায় এমপির ক্ষোভ, বললেন ‘মিটিংয়ে এর জবাব নেবো’

কে হচ্ছেন সরকার দলীয় চিফ হুইপ, আলোচনায় নোয়াখালীর ২ সিনিয়র নেতা

কে হচ্ছেন সরকার দলীয় চিফ হুইপ, আলোচনায় নোয়াখালীর ২ সিনিয়র নেতা

ঈদে রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ৩ মার্চ

ঈদে রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ৩ মার্চ

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নেতানিয়াহু নিহতের দাবি

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নেতানিয়াহু নিহতের দাবি

দিনাজপুরে লিচুর মুকুলে হাসছে চাষির স্বপ্ন

দিনাজপুরে লিচুর মুকুলে হাসছে চাষির স্বপ্ন

দিনাজপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি রেজিস্ট্রি চেষ্টার অভিযোগ: কাচারী চত্বরে হাতাহাতি আহত ৭

দিনাজপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি রেজিস্ট্রি চেষ্টার অভিযোগ: কাচারী চত্বরে হাতাহাতি আহত ৭

ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক: বাজার স্থিতিশীলতা, নাকি দামের ওপর নতুন চাপ

ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক: বাজার স্থিতিশীলতা, নাকি দামের ওপর নতুন চাপ

ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

কেন রাষ্ট্রপতিকে রক্ষায় অনড় ছিল বিএনপি?

কেন রাষ্ট্রপতিকে রক্ষায় অনড় ছিল বিএনপি?

কোন ভিডিও নেই !

২০২৬ বিশ্বকাপের ম্যাচ অফিসিয়ালদের তালিকা প্রকাশ করল ফিফা

আসন্ন ২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ম্যাচ অফিসিয়ালদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করেছে ফিফা। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই আসর শুরু হবে আগামী ১১ জুন।ফিফা ঘোষিত ফিফা টিম ওয়ানে জায়গা পেয়েছেন মোট ৫২ জন রেফারি, ৮৮ জন সহকারী রেফারি এবং ৩০ জন ভিডিও ম্যাচ অফিসিয়াল (ভিএআর)। বিশ্বের ছয়টি কনফেডারেশন ও ৫০টি সদস্য দেশ থেকে বাছাই করা হয়েছে এই কর্মকর্তাদের, যা বৈশ্বিক প্রতিনিধিত্বের এক অনন্য উদাহরণ।এবারের তালিকায় নারী কর্মকর্তাদের উপস্থিতিও নজর কেড়েছে। কাতার বিশ্বকাপের মতো এবারও ছয়জন নারী রেফারি ও সহকারী রেফারিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:300]রেফারিদের তালিকায় আছে বেশ কিছু পরিচিত নাম। যেমন, পোল্যান্ডের সিমন মারচিনিয়াক, ইংল্যান্ডের মাইকেল অলিভার, ফ্রান্সের ক্লেমঁ তুরপাঁসহ বিশ্বের শীর্ষ ম্যাচ কর্মকর্তারা।দেশভিত্তিক প্রতিনিধিত্বে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল থেকে সর্বোচ্চ ৯ জন করে ম্যাচ অফিসিয়াল নির্বাচিত হয়েছেন। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড থেকেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক রেফারি অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

২০২৬ বিশ্বকাপের ম্যাচ অফিসিয়ালদের তালিকা প্রকাশ করল ফিফা
২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:৪৬ পিএম
বিশ্বকাপে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ‘কঠিন’ গ্রুপে পড়েছে দাবি দুই দেশের কোচের। আপনিও কী এমনটি মনে করেন?

বিশ্বকাপে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ‘কঠিন’ গ্রুপে পড়েছে দাবি দুই দেশের কোচের। আপনিও কী এমনটি মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন