শনিবার , ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ২৮শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. আইন আদালত
  3. আর্ন্তজাতিক
  4. এক্সক্লুসিভ
  5. কৃষি ও কৃষাণ
  6. ক্যাম্পাস
  7. ক্রিকেট
  8. গল্প-সাহিত্য
  9. চাকুরি
  10. জাতীয়
  11. জেলার খবর
  12. টালিউড
  13. টেনিস
  14. তথ্য-প্রযুক্তি
  15. ধর্ম ও ইসলাম

রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সুপার ফোরের মিশন শুরু বাংলাদেশের

প্রতিবেদক
admin
সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৫ ৬:৫১ অপরাহ্ণ

 (দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর ডটকম) অনেক নাটকীয়তার পর এশিয়া কাপের সুপার ফোরে জায়গা করে নিয়েছিল বাংলাদেশ। এই পর্বের প্রথম ম্যাচে দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হয় টাইগাররা। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টসে জিতে লঙ্কানদের ব্যাটিংয়ে পাঠান টাইগার অধিনায়ক লিটন দাস। শুরুটা বাংলাদেশ ভালো করলেও ক্যাচ মিসের মহরায় আর মুস্তাফিজ বাদে অন্যদের বোলিংয়ে খেই হারিয়ে ফেলে। তাতে শ্রীলঙ্কার ৭ উইকেট হারিয়ে ১৬৮ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দাড় করায়। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে সাইফ এবং হৃদয়ের অর্ধশতকে ১ বল হাত্র রেখে ৪ উইকেটের জয় পায় টাইগাররা।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য দরকার ছিল ৫ রান। প্রথম বলেই বাউন্ডারি মেরে ম্যাচ সমতায় আনেন জাকের আলী। তখন ৫ বল থেকে মাত্র ১ রান প্রয়োজন। কিন্তু পরের তিন বলে আউট হয়ে যান জাকের ও শেখ মেহেদি। উত্তেজনা বাড়লেও শেষ পর্যন্ত পঞ্চম বলে প্রয়োজনীয় রান তুলে নেন নাসুম আহমেদ। ফলে সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেটে হারায় বাংলাদেশ।

শ্রীলঙ্কার দেয়া ১৬৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামে টাইগাররা। তবে দলীয় ১ রানের মাথায় তানজিদ হাসান তামিম কোনো রান না করেই বিদায় নেন। পরবর্তীতে সাময়িক সেই চাপ সামলে নেন সাইফ হাসান এবং লিটন দাস। একসময় ৫০ রানের জুটিও পার করেন এই দুই ব্যাটার।

তবে দলীয় ৬০ রানে লিটন ফিরে যান ব্যক্তিগত ২৩ রান করে। এরপর সাইফ একাই চার ছক্কার ইনিংস খেলতে থাকেন, তাকে সঙ্গ দেন তাওহীদ হৃদয়। একসময় সাইফ তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধ-শতক। তখন ব্যাট হাতে রানের ফোয়ারা ছোটাচ্ছিলেন হৃদয়। এরপর ৪৫ বলে ৬১ রান করে বিদায় নেন সাইফ।

বাংলাদেশের জার্সিতে নিজের পঞ্চাশতম টি-টোয়েন্টি খেলতে নেমে ফিল্ডিংয়ে দুবার ক্যাচ ছাড়েন তাওহীদ হৃদয়। সেই শাপ মোচন করে ফিফটি দিয়েই ম্যাচ নম্বর ফিফটি জয়ে উদযাপন করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে দেশের অষ্টম ব্যাটসম্যান হিসেবে পেরিয়েছেন হাজার রানের মাইলফলক। ২০২৪ সালের অক্টোবরে ভারতের বিপক্ষে সবশেষ ফিফটি করেছিলেন হৃদয়। মাঝে খরা চলে ব্যাটিংয়ে। আজও শুরুতে ছিলেন সাবধানী। এর পর ৩১ বলে ছোঁন পঞ্চাশ। ৩৭ বলে ৪ চার ও ২ ছ্ক্কায় ৫৮ রান করে আউট হন হৃদয়।

সাইফ ও হৃদয়ের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে শেষ দুই ওভারে দরকার ছিল ১২ রান। খুবই সহজ লক্ষ্য। তবে শেষ ওভারে ২ বলের ব্যবধানে ২ উইকেট হারিয়ে ফেলে সহজ ম্যাচ জটিল করে তোলে বাংলাদেশ। শেষ দুই বলে যখন ১ রান দরকার, তখন নাসুম পয়েন্টে বলে ঠেলে দিয়ে দ্রুততার সঙ্গে প্রান্ত বদল করে জয়ের উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেন। এক বল হাতে রেখে ৪ উইকেটে জিতে যায় বাংলাদেশ।

এর আগে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কার ওপেনিং জুটি বেশ ভুগিয়েছে টাইগারদের। মেন্ডিস-নিশানকা ৫ ওভারের আগেই তুলছিলেন ৪৪ রান। তাসকিনের বলে ২২ রান করা নিশানকা ফিরলে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি।

লংকান টপ অর্ডারের বাকিরা তেমন বড় স্কোর গড়তে পারেননি। ভয়ংকর হয়ে ওঠার আগেই মেন্ডিস ৩৪ রানে ফেরেন মাহেদির বলে।  মিশরাকেও মাত্র ৫ রানে ফিরিয়েছেন মাহেদি। ১৬ রান করা কুশল পেরেরা ফিরেছেন মুস্তাফিজের আঘাতে। ৯৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে ছিল শ্রীলঙ্কা।

এরপর দলকে বড় পুঁজির স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন দাসুন শানাকা। ৩ চার ও ৬ ছক্কায় ৩৭ বলে ৬৪ রানে অপরাজিত থাকেন শানাকা। অন্য প্রান্তে অবশ্য তাকে তেমন সঙ্গ দিতে পারেননি কেউই। মিডল অর্ডারের বিপর্যয়ে শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৬৮ রানে থামে  শ্রীলঙ্কার ইনিংস। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন মুস্তাফিজুর রহমান। -ডেস্ক রিপোর্ট

সর্বশেষ - অর্থনীতি

আপনার জন্য নির্বাচিত