লেবাননের ইরান-সমর্থিত সংগঠন হিজবুল্লাহ আত্মসমর্পণ না করার ঘোষণা দিয়েছে। সংগঠনটির নেতা নাইম কাসেম সোমবার টেলিভিশনে বলেন, ‘আমরা সীমার শেষ প্রান্ত পর্যন্ত লড়ব এবং কখনও আত্মসমর্পণ করব না।’
লেবাননেও আঞ্চলিক সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার পর এটি ছিল তার প্রথম প্রকাশ্য ভাষণ। নাইম কাসেম বলেন, হিজবুল্লাহ ২০২৪ সালের শেষ দিকে হওয়া যুদ্ধবিরতির চুক্তি মেনে চলেছিল, কিন্তু ইসরায়েল চুক্তির কোনো ধারাই মানেনি।
হিজবুল্লাহর এই নেতা বলেন, ‘আমরা কূটনৈতিক সমাধানে সম্মত হয়েছিলাম এবং এটিকে রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালনের একটি সুযোগ হিসেবে দেখেছিলাম। কিন্তু বারবার বলেছি-ধৈর্যেরও সীমা আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সিদ্ধান্ত হলো তাদের মোকাবিলা করা-চরমতম ত্যাগের বিনিময়ে, সীমার শেষ প্রান্ত পর্যন্তও এবং আমরা আত্মসমর্পণ করব না।’
গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা শুরু করে। প্রথম দিনের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। কয়েক দিন ধরে চলা সংঘাতে প্রাণ হারান আরও সহস্রাধিক মানুষ।
এর দুই দিন পর সোমবার রকেট ও ড্রোন দিয়ে ইসরায়েলে হামলা চালায় হিজবুল্লাহ। এর প্রতিক্রিয়ায় লেবাননে ব্যাপক বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। দক্ষিণ লেবাননে সেনা মোতায়েন করেছে দখলদার দেশটি। এমন পরিস্থিতিতে লাখো মানুষ বাধ্য হয়েছে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে।
বিষয় : হিজবুল্লাহ নেতা নাইম কাসেম।

বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
লেবাননের ইরান-সমর্থিত সংগঠন হিজবুল্লাহ আত্মসমর্পণ না করার ঘোষণা দিয়েছে। সংগঠনটির নেতা নাইম কাসেম সোমবার টেলিভিশনে বলেন, ‘আমরা সীমার শেষ প্রান্ত পর্যন্ত লড়ব এবং কখনও আত্মসমর্পণ করব না।’
লেবাননেও আঞ্চলিক সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার পর এটি ছিল তার প্রথম প্রকাশ্য ভাষণ। নাইম কাসেম বলেন, হিজবুল্লাহ ২০২৪ সালের শেষ দিকে হওয়া যুদ্ধবিরতির চুক্তি মেনে চলেছিল, কিন্তু ইসরায়েল চুক্তির কোনো ধারাই মানেনি।
হিজবুল্লাহর এই নেতা বলেন, ‘আমরা কূটনৈতিক সমাধানে সম্মত হয়েছিলাম এবং এটিকে রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালনের একটি সুযোগ হিসেবে দেখেছিলাম। কিন্তু বারবার বলেছি-ধৈর্যেরও সীমা আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সিদ্ধান্ত হলো তাদের মোকাবিলা করা-চরমতম ত্যাগের বিনিময়ে, সীমার শেষ প্রান্ত পর্যন্তও এবং আমরা আত্মসমর্পণ করব না।’
গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা শুরু করে। প্রথম দিনের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। কয়েক দিন ধরে চলা সংঘাতে প্রাণ হারান আরও সহস্রাধিক মানুষ।
এর দুই দিন পর সোমবার রকেট ও ড্রোন দিয়ে ইসরায়েলে হামলা চালায় হিজবুল্লাহ। এর প্রতিক্রিয়ায় লেবাননে ব্যাপক বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। দক্ষিণ লেবাননে সেনা মোতায়েন করেছে দখলদার দেশটি। এমন পরিস্থিতিতে লাখো মানুষ বাধ্য হয়েছে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে।

আপনার মতামত লিখুন