চলমান জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে একাত্তর বিধিতে (পয়েন্ট অব অর্ডার) দাঁড়িয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সত্যকে মিথ্যা এবং মিথ্যাকে সত্য হিসেবে চমৎকারভাবে পরিবেশন করতে পারেন।’
অন্যদিকে বিরোধীদলীয় নেতার ব্যবহৃত ‘মিথ্যা’ শব্দটিকে অসংসদীয় রীতি হিসেবে আখ্যায়িত করে তা এক্সপাঞ্জ (কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়া) করার দাবি জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে এই দুই নেতার মধ্যে পাল্টাপাল্টি এই বাক্যবিনিময় চলে। স্পিকারের উদ্দেশে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘মাননীয় সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমরা কালকে চলে যাওয়ার পর আমাকে ভালোবেসে একটা কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন যে আমি একটি অসত্য কথা এখানে বলে গেছি। আমি এটা জানতে পারলাম। তো আসলে আল্লাহ তা’আলা তাকে অপূর্ব দক্ষতা দিয়েছেন। জাস্ট বোতল পরিবর্তন করে মেটেরিয়াল ঠিক রেখে তিনি সত্যকে মিথ্যা এবং মিথ্যাকে সত্য হিসেবে চমৎকারভাবে পরিবেশন করতে পারেন। এ জন্য শুধু তাকে ধন্যবাদ জানানোর জন্য আমি এখানে দাঁড়িয়েছি।’
এ সময় স্পিকার বিরোধীদলীয় নেতাকে বলেন, ‘মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা, আপনি পয়েন্ট অব অর্ডারে নিশ্চয় এ বক্তব্য রেখেছেন। পয়েন্ট অব অর্ডার চলমান বিষয়ের ওপরে। এটা তো গতকালকের বিষয় গতকালকেই শেষ হয়ে গিয়েছে। সুতরাং এখন আর নতুন করে তোলার প্রয়োজন নেই।
পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ পাল্টা যুক্তি দিয়ে বলেন, ‘এই মুহূর্তে বিরোধীদলীয় নেতা দুটি অসংসদীয় শব্দ ব্যবহার করেছেন। সেটা হচ্ছে ‘মিথ্যা’। এটা অসত্য বললে আমি আপত্তি করতাম না। আমি অনুরোধ করব এটি এক্সপাঞ্জ করা হোক।’
গতকাল বুধবারের বক্তব্য প্রসঙ্গে ব্যাখ্যা দিয়ে স্পিকারের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দ্বিতীয় কথা হচ্ছে, তার কালকের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আমি বলেছিলাম মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা এখানে একটা অসত্য বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন। এটা ছিল যেখানে রুল ৬২ অনুসারে আপনি একজন বেসরকারি সদস্যের মুলতবি প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন উনারা (বিরোধী দল) ওয়াকআউট করার অনেক পরে। তাহলে সেটা পার্লামেন্টে উত্থাপিত বা পড়িত হলো কীভাবে? সুতরাং আমি বলেছিলাম সে বক্তব্যটা অসত্য।’
জবাবে জামায়াত আমির বলেন, ‘বিভ্রান্তিটা এখানে। একই প্রস্তাব একজন স্বতন্ত্র সদস্য এনেছিলেন, যা গতকাল ভিন্ন নামে এসেছে। বিষয়বস্তু একই ছিল, কিন্তু শুধু নাম বদলে গেছে। আমি আগেরটি জানতাম বলেই বলেছি, এখানে কোনো ভুল তথ্য দিইনি।’

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
চলমান জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে একাত্তর বিধিতে (পয়েন্ট অব অর্ডার) দাঁড়িয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সত্যকে মিথ্যা এবং মিথ্যাকে সত্য হিসেবে চমৎকারভাবে পরিবেশন করতে পারেন।’
অন্যদিকে বিরোধীদলীয় নেতার ব্যবহৃত ‘মিথ্যা’ শব্দটিকে অসংসদীয় রীতি হিসেবে আখ্যায়িত করে তা এক্সপাঞ্জ (কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়া) করার দাবি জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে এই দুই নেতার মধ্যে পাল্টাপাল্টি এই বাক্যবিনিময় চলে। স্পিকারের উদ্দেশে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘মাননীয় সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমরা কালকে চলে যাওয়ার পর আমাকে ভালোবেসে একটা কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন যে আমি একটি অসত্য কথা এখানে বলে গেছি। আমি এটা জানতে পারলাম। তো আসলে আল্লাহ তা’আলা তাকে অপূর্ব দক্ষতা দিয়েছেন। জাস্ট বোতল পরিবর্তন করে মেটেরিয়াল ঠিক রেখে তিনি সত্যকে মিথ্যা এবং মিথ্যাকে সত্য হিসেবে চমৎকারভাবে পরিবেশন করতে পারেন। এ জন্য শুধু তাকে ধন্যবাদ জানানোর জন্য আমি এখানে দাঁড়িয়েছি।’
এ সময় স্পিকার বিরোধীদলীয় নেতাকে বলেন, ‘মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা, আপনি পয়েন্ট অব অর্ডারে নিশ্চয় এ বক্তব্য রেখেছেন। পয়েন্ট অব অর্ডার চলমান বিষয়ের ওপরে। এটা তো গতকালকের বিষয় গতকালকেই শেষ হয়ে গিয়েছে। সুতরাং এখন আর নতুন করে তোলার প্রয়োজন নেই।
পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ পাল্টা যুক্তি দিয়ে বলেন, ‘এই মুহূর্তে বিরোধীদলীয় নেতা দুটি অসংসদীয় শব্দ ব্যবহার করেছেন। সেটা হচ্ছে ‘মিথ্যা’। এটা অসত্য বললে আমি আপত্তি করতাম না। আমি অনুরোধ করব এটি এক্সপাঞ্জ করা হোক।’
গতকাল বুধবারের বক্তব্য প্রসঙ্গে ব্যাখ্যা দিয়ে স্পিকারের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দ্বিতীয় কথা হচ্ছে, তার কালকের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আমি বলেছিলাম মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা এখানে একটা অসত্য বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন। এটা ছিল যেখানে রুল ৬২ অনুসারে আপনি একজন বেসরকারি সদস্যের মুলতবি প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন উনারা (বিরোধী দল) ওয়াকআউট করার অনেক পরে। তাহলে সেটা পার্লামেন্টে উত্থাপিত বা পড়িত হলো কীভাবে? সুতরাং আমি বলেছিলাম সে বক্তব্যটা অসত্য।’
জবাবে জামায়াত আমির বলেন, ‘বিভ্রান্তিটা এখানে। একই প্রস্তাব একজন স্বতন্ত্র সদস্য এনেছিলেন, যা গতকাল ভিন্ন নামে এসেছে। বিষয়বস্তু একই ছিল, কিন্তু শুধু নাম বদলে গেছে। আমি আগেরটি জানতাম বলেই বলেছি, এখানে কোনো ভুল তথ্য দিইনি।’

আপনার মতামত লিখুন