সিলেট সফরে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে তা ‘মধুর বিড়ম্বনা’। তারেক রহমানের শ্বশুরবাড়ি সিলেটের দক্ষিণ সুরমার বিরাইমপুরে। তাই সিলেটে বাসিয়া নদী পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনে গেলে সেখানকার মানুষ ‘দুলাভাই, দুলাভাই, স্বাগতম, শুভেচ্ছা’ স্লোগানে স্বাগত জানান তাকে।
শনিবার (২ মে) দুপুরে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেই সিলেট শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে কাশিপুরে বাসিয়া নদী পুনঃখনন কাজ উদ্বোধন করতে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ঠিক তখনই গ্রামবাসীরা ‘দুলাভাই দুলাভাই’ বলে মুহুমুহু স্লোগান দিতে থাকেন।
এ সময় তারেক রহমান উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বলেন, ‘বৃষ্টি হচ্ছে আকাশে সবাই ভিজে যাবেন। আস্তে, আস্তে, স্লোগান দিলে কথা শুনতে পাবা না তো! আস্তে আস্তে, এক মিনিট এক মিনিট, একটু চুপ করতে হবে, একটু চুপ করতে হবে।’
রসিকতা করে তিনি আরও বলেন, ‘দুলাভাইকে কথা বলতে না দিলে তো দুলাভাই যাবে গিয়া। যাই আমি? কথা বলব, না যাবো? আচ্ছা, তাহলে চুপ করতে হবে, কথা শুনতে হলে চুপ করতে হবে।’
এসময় গ্রামবাসীরা নীরব হয়ে গেলে তারেক রহমান বলেন, ‘আমি কথা বললে তাহলে শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে শুনতে হবে, কথা ঠিক আছে। আচ্ছা ঠিক আছে।’
বক্তব্য শেষে প্রধানমন্ত্রী বিদায় নিলে গ্রামবাসী আবারও ‘দুলাভাই, দুলাভাই’ স্লোগানে সরব হয়ে ওঠেন। এসময় প্রধানমন্ত্রী হাত নেড়ে তাদের কাছ থেকে হাস্যোজ্জ্বল মুখে বিদায় নেন।
তবে বাসিয়া নদী খাল পুনঃখনন কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ছিলেন না। তিনি এর আগের কর্মসূচি সিলেট সিটি করপোরেশনের আয়োজিত সুধী সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
সিলেট সফরে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে তা ‘মধুর বিড়ম্বনা’। তারেক রহমানের শ্বশুরবাড়ি সিলেটের দক্ষিণ সুরমার বিরাইমপুরে। তাই সিলেটে বাসিয়া নদী পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনে গেলে সেখানকার মানুষ ‘দুলাভাই, দুলাভাই, স্বাগতম, শুভেচ্ছা’ স্লোগানে স্বাগত জানান তাকে।
শনিবার (২ মে) দুপুরে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেই সিলেট শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে কাশিপুরে বাসিয়া নদী পুনঃখনন কাজ উদ্বোধন করতে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ঠিক তখনই গ্রামবাসীরা ‘দুলাভাই দুলাভাই’ বলে মুহুমুহু স্লোগান দিতে থাকেন।
এ সময় তারেক রহমান উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বলেন, ‘বৃষ্টি হচ্ছে আকাশে সবাই ভিজে যাবেন। আস্তে, আস্তে, স্লোগান দিলে কথা শুনতে পাবা না তো! আস্তে আস্তে, এক মিনিট এক মিনিট, একটু চুপ করতে হবে, একটু চুপ করতে হবে।’
রসিকতা করে তিনি আরও বলেন, ‘দুলাভাইকে কথা বলতে না দিলে তো দুলাভাই যাবে গিয়া। যাই আমি? কথা বলব, না যাবো? আচ্ছা, তাহলে চুপ করতে হবে, কথা শুনতে হলে চুপ করতে হবে।’
এসময় গ্রামবাসীরা নীরব হয়ে গেলে তারেক রহমান বলেন, ‘আমি কথা বললে তাহলে শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে শুনতে হবে, কথা ঠিক আছে। আচ্ছা ঠিক আছে।’
বক্তব্য শেষে প্রধানমন্ত্রী বিদায় নিলে গ্রামবাসী আবারও ‘দুলাভাই, দুলাভাই’ স্লোগানে সরব হয়ে ওঠেন। এসময় প্রধানমন্ত্রী হাত নেড়ে তাদের কাছ থেকে হাস্যোজ্জ্বল মুখে বিদায় নেন।
তবে বাসিয়া নদী খাল পুনঃখনন কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ছিলেন না। তিনি এর আগের কর্মসূচি সিলেট সিটি করপোরেশনের আয়োজিত সুধী সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন