চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলে দেশের ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ২০২টি। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯১টি। একই সঙ্গে কমেছে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠান ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা। এবার পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা গত ২১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন ফলাফল ঘোষণা করেন।
প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা গতবারের তুলনায় কমেছে। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন। গত বছর এই সংখ্যাটা ছিল ৬৯ হাজার ৯৭ জন। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রী ছিলেন ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন।
সারাদেশের ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। এ বছর সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
গত ২ জুলাই সারাদেশে একযোগে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পাশাপাশি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনেও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ৮ আগস্টের মধ্যে লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি শিক্ষা বোর্ডের কিছু পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে স্থগিত পরীক্ষাগুলো গ্রহণ করা হয়। সব বোর্ডে ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষাও সম্পন্ন করা হয়।

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলে দেশের ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ২০২টি। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯১টি। একই সঙ্গে কমেছে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠান ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা। এবার পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা গত ২১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন ফলাফল ঘোষণা করেন।
প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা গতবারের তুলনায় কমেছে। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন। গত বছর এই সংখ্যাটা ছিল ৬৯ হাজার ৯৭ জন। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রী ছিলেন ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন।
সারাদেশের ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। এ বছর সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
গত ২ জুলাই সারাদেশে একযোগে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পাশাপাশি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনেও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ৮ আগস্টের মধ্যে লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি শিক্ষা বোর্ডের কিছু পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে স্থগিত পরীক্ষাগুলো গ্রহণ করা হয়। সব বোর্ডে ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষাও সম্পন্ন করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন