(দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর ডটকম) প্রতি বছর ঈদের আগে উপচেপড়া ভিড় থাকত রেলস্টেশনে। লঞ্চ ও বাস কাউন্টারের চিত্রও থাকতো একই রকম। যাত্রীদের চাপে দম ফেলার ফুরসত থাকতো না বাস কাউন্টারের দায়িত্বরত কর্মীদের।
কিন্তু এবারের চিত্র ভিন্ন। ঈদের আর এক-দুই দিন বাকি থাকলেও অন্যান্যবারের তুলনায় ভিড় নেই বাস কাউন্টারে। হাঁকডাক করেও বাসের যাত্রী মিলছে না। এর ফলে অলস সময় কাটছে কাউন্টার সংশ্লিষ্টদের।
শনিবার বিকেলে রাজধানীর কল্যাণপুর ও গাবতলী বাস টার্মিনালে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।
গাবতলীর সৌখিন পরিবহনের টিকিট বিক্রয় কর্মী হাবিবুর রহমান বলেন, ‘অন্যান্যবার ঈদের আগের এই সময়ে যাত্রীদের টিকিট নাই বলতে বলতে আমাদের গলা শুকিয়ে যেত। এবার টিকিটের জন্য লোক ডাকতে ডাকতে গলা শুকাচ্ছে। তারপরেও যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে না। মাঝেমধ্যে এক-দুইজন করে যাত্রী এলেও চাপ নেই বললেই চলে।’
গাবতলীর মতো একই চিত্র কল্যাণপুরেও। সেখানেও যাত্রীর খরা। কল্যাণপুরের হানিফ পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার আকাশ সিকদার বলেন, ‘যাত্রীর চাপ নাই। গত ঈদে এসময় দম ফেলার সময় পাইনি এখন বসে আছি। কয়েকজন করে যাত্রী আসছে। তবে সেভাবে নয়।’
রাস্তায় যানজট কেমন জানতে চাইলে আকাশ সিকদার বলেন, ‘রাস্তায় যানজট নেই বললেই চলে। শুধু চান্দুরার দিকে একটু যানজট আছে তবে এর জন্য আমাদের বাস চালকরা বিকল্প সড়ক ব্যবহার করছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগামীকাল রোববার যদি শেষ রমজান হয়, তাহলে আগামীকাল সন্ধ্যা ছয়টা থেকে সাতটার মধ্যে সব বাস ঢাকা ছেড়ে যাবে। আর যদি আগামী সোমবার (৩১ মার্চ) শেষ রমজান হয়, তাহলে কতটি বাস ওইদিন চলবে তা মালিকপক্ষ ও চালকরা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে।’
তিনি বলেন, ‘গতবার এ সময় টিকিটের জন্য এক কাউন্টার থেকে আরেক কাউন্টার চষে বেরিয়েছি, কিন্তু টিকিট পাইনি। শেষমেষ অতিরিক্ত টাকা দিয়ে টিকিট কেটে তারপর বাসায় গিয়েছি। তবে এবার এমনটা দেখছি না। প্রায় প্রতিটি কাউন্টারে গেলে তার বলছে টিকিট আছে।’ -ডেস্ক রিপোর্ট