দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর

আর্কাইভ দেখুন

বিরামপুরে ক্লুলেস হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন : সব আসামী গ্রেফতার

বিরামপুরে ক্লুলেস হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন : সব আসামী গ্রেফতার

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার একটি ক্লুলেস হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করে পুলিশ সব আসামীকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনার ৪ দিনের মধ্যে ২ জন ও সর্বশেষ পুলিশ শনিবার একজনকে এবং সোমবার (১১ মে) একজনকে দিনাজপুর আদালতে সোপর্দ করেছে। মামলা সূত্রে প্রকাশ, বিরামপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের সন্দলপুর এলাকার পাকা রাস্তার পাশে গত ৫ ফেব্রæয়ারি সকালে এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীরা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির মাধমে পরিচয় সনাক্ত করে জানতে পারে লাশটি বিরামপুর উপজেলার বেগমপুর গ্রামের কছির উদ্দিনের ছেলে বাবুল হোসেনের।পরে অনুসন্ধানে পুলিশ জানতে পারে, বাবুল হোসেন একজন অটোরিক্সা চালক ছিলেন। তার অটোরিক্সা ছিনিয়ে নিয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা তাকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে। ব্যাপক তৎপরতার মাধ্যমে মাত্র ৪ দিনের মধ্যে ছিনতাইকৃত অটোরিক্সা উদ্ধার এবং হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত সন্দেহে বিরামপুর পৌর এলাকার হাতিডোবা নয়াপাড়া গ্রামের আসমত আলীর ছেলে লিয়ন মÐল (১৯) ও ইসলামপাড়া গ্রামের বিশ্বনাথ দোমাসুর ছেলে সাগর ঋষি দিপুলকে (৩৩) গ্রেফতার করে। সর্বশেষ বিরামপুর থানা পুলিশ শুক্রবার (৮মে) ঢাকার আশুলিয়া থেকে বর্ষন ঋষিকে (২১) এবং রবিবার (১০মে) নোয়াখালীর সুধারাম থানা পুলিশের সহায়তায় হৃদয় ঋষি বাবুকে (২২) গ্রেফতার করেছে। ঋষি সম্প্রদায়ের ৩ আসামি পেশায় জুতা সেলাইকারী মুচি পরিবারের সদস্য।বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম সরকার দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর ডটকমে জানান, ক্লুলেস ওই হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করে অটোরিক্সা উদ্ধার এবং সর্বশেষ রবিবার একজনকে গ্রেফতারের মাধ্যমে সব আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আগের তিন আসামী জেল হাজতে রয়েছে এবং তাদের মধ্যে একজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। সর্বশেষ রবিবার হৃদয়কে গ্রেফতারের পর রিমাÐ আবেদনসহ সোমবার (১১মে) দিনাজপুর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।


যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল নয়, পর্যালোচনা হবে

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল নয়, পর্যালোচনা হবে

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া বাণিজ্য চুক্তি বাতিল নয়, পর্যালোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।মঙ্গলবার (১২ মে) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা এ কথা জানান।ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘চুক্তি যদি দেখি তাহলে দেখবো এটা বাতিল করার অপশন আছে। মানে ৬০ দিনের নোটিশ দিয়ে বাতিল করে দেওয়া যাবে। এটা হলো এক নম্বর। দুই নম্বর হচ্ছে, এই চুক্তির মধ্যে আরেকটা কন্ডিশন আছে—দুই দেশ আলোচনার মাধ্যমে চুক্তির বিভিন্ন শর্তে পরিবর্তন করতে পারে। তো আমি আমার জায়গা থেকে মনে করি যে, অন্তত আমরা পরে যে অপশনটা বললাম, যে চুক্তিটা পর্যালোচনা করা—আগে সরকারি পর্যায়ে এটার পর্যালোচনা করা।’তিনি বলেন, আমি দেখলাম পত্রিকায় কলাম লেখা হচ্ছে যে, এখানে (চুক্তি) কোন কোন ক্ষেত্রে সমস্যা আছে, ভিডিও তৈরি হচ্ছে—এগুলো কন্টিনিউ করুক।তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমি এই ইস্যুতে কথা বলেছি। সরকারের মধ্যেও এই চুক্তিটা নিয়ে কিছু পর্যালোচনা, এটা বাতিল করে দেওয়ার ইমপ্যাক্ট (প্রভাব) কী হতে পারে নিশ্চয়ই আমরা বুঝতে পারি বা কোন প্রেক্ষাপটে এই চুক্তিটা স্বাক্ষরিত হয়েছে সেটাও আমরা বুঝতে পারি। কিন্তু ওই যে বললাম ওই সুযোগটা তো আমরা নিতে পারি যে এই চুক্তি রিকনসিডার (পুনর্বিবেচনা) করা কিছু কিছু জায়গায়, যে যে জায়গাগুলোকে আমরা বেশি সমস্যাজনক মনে করি, রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর মনে করি হতে পারে মনে করছি—সেগুলো নিয়ে আমরা আগে আমাদের প্রাথমিক বিবেচনা করব। আমরা আশা করি যে আমরা ওরকম একটা নেগোসিয়েশনে তাদের সঙ্গে যেতে চাই। বাতিল করাটা বাইল্যাটারাল (দ্বিপাক্ষিক) সম্পর্ক বা রেসিপ্রোকাল ট্যারিফে যে সংকট আছে সেটা আবার চলে আসার সম্ভাবনা আছে।’চুক্তি নিয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, চুক্তির ব্যাপারে একটু বলি। মানে আমরা অনেকে চুক্তি কমনলি বলে ফেলি, চুক্তির অনেকগুলো টাইপ আছে। তাই না? কতগুলো আছে এগ্রিমেন্ট, কতগুলো আছে মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং (সমঝোতা স্মারক)। সো বিভিন্ন ক্যাটাগরি। আমরা যেগুলো এগ্রিমেন্ট হয়ে গেছে, সেগুলো থেকেও যে বেরিয়ে যাওয়া যাবে না তা নয়, কিন্তু এগুলোর কতগুলো লিগ্যাল বাইন্ডিং আছে যখন চুক্তিগুলো হয়ে যায়। এবং অনেকের ক্ষেত্রেই লিগ্যাল বাইন্ডিং (আইনগত বাধ্যবাধকতা) এতটাই টাফ থাকে যে, বেরিয়ে যাওয়াটা অনেক সময় থাকার চাইতে বেশি ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে। এর বাইরে যা যা আছে, ইনফ্যাক্ট একটা গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার অনেকগুলো ব্যাপার মাথায় রেখেই চিন্তা করবে। আরেকটা কথা একটু আমি জাস্ট ইনফরমেশনের জন্য বলি—কোনো কোনো চুক্তির কিছু অংশ গোপন রাখার শর্তও থাকে। জনগণের অধিকার আছে এবং এমনকি সংসদে ওঠানোরও কনস্টিটিউশনাল প্রভিশন আছে। কিছু কিছু চুক্তির মধ্যে ওটা থাকতে পারে।’তিনি আরও বলেন, ‘আমি আপনাকে এটুকু বলতে পারি—আমাদের জনগণের জন্য ক্ষতিকর কোনো চুক্তি আগে যেগুলো হয়েছে, প্রত্যেকটার ইভ্যালুয়েশন সরকার করবে। চুক্তি বলতে আমি কমনলি বলছি, এর মধ্যে কিন্তু আবারও সমঝোতা স্মারক থাকতে পারে যেগুলো থেকে বেরিয়ে আসা হয়তো তুলনামূলকভাবে সহজ হবে। কিন্তু চুক্তি থেকে এটা এতটা সহজ নয়, কিন্তু আমরা ইভ্যালুয়েট নিশ্চয়ই করব।’এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ইয়াসীন এবং তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য অফিসার সৈয়দ আবদাল আহমদ।


সিদ্দিককে ভণ্ড হুজুর বললেন প্রাক্তন স্ত্রী মারিয়া মিম!

সিদ্দিককে ভণ্ড হুজুর বললেন প্রাক্তন স্ত্রী মারিয়া মিম!

ছোটপর্দার পরিচিত মুখ সিদ্দিকুর রহমানের সাবেক স্ত্রী ও মডেল মারিয়া মিম তার ফেসবুকে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন। সরাসরি কারও নাম উল্লেখ না করলেও ‘ভণ্ড হুজুর’ আখ্যা দিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।মঙ্গলবার (১২ মে) এক পোস্টে মিম লিখেছেন, ‘ভণ্ড হুজুর ফেসবুকটা নোংরা বানায় ফেলতেছে।’ স্ট্যাটাসটি শেয়ারের পর অনেকেই ধারণা করছেন, মিমের নিশানার তীর সম্ভবত তার প্রাক্তন স্বামী সিদ্দিকুর রহমানের দিকেই! যদিও মিম কারও নাম পরিষ্কার করেননি, তবুও দুইয়ে দুইয়ে চার মেলাচ্ছেন নেটিজেনরা। কারণ, সিদ্দিকুর রহমান গত বছর কারাগারে যাওয়ার পর ধর্মের প্রতি মনোনিবেশ করেছেন। সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনার কথা জানিয়েছেন তিনি।সম্প্রতি একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন মিম। সেখানে প্রাক্তন স্বামী সিদ্দিকুর রহমানের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি রেগে বেরিয়ে যান।২০১২ সালে সিদ্দিকুর ও মারিয়া মিম বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। দীর্ঘ কয়েক বছর সংসার করার পর ২০১৯ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। এ জুটির আরশ হোসেন আলিফ নামে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। 


ফেনী ও পঞ্চগড়ের আলোচিত দুই এসপি প্রত্যাহার

ফেনী ও পঞ্চগড়ের আলোচিত দুই এসপি প্রত্যাহার

ফেনী ও পঞ্চগড় জেলায় নতুন পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া আলোচিত দুই কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করেছে পুলিশ সদর দফতর। তারা হলেন— ফেনীর এসপি হিসেবে বদলির আদেশ হওয়া মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান এবং পঞ্চগড়ের এসপি মো. মিজানুর রহমান।পুলিশ সদর দফতর সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের স্বাক্ষর করা পৃথক দুই আদেশে তাদের প্রত্যাহার করা হয়।আদেশে বলা হয়, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ মাহবুব আলম খানকে আগামী ১০ মে’র মধ্যে পুলিশ সদর দফতরে রিপোর্ট করতে হবে। অন্য আদেশে পঞ্চগড়ের এসপি মো. মিজানুর রহমানকে পরবর্তী জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করে একই সময়ের মধ্যে সদর দফতরে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে।এর আগে গত ৫ মে দেশের ১২টি জেলায় পুলিশ সুপার পদে রদবদল করা হয়। ওই আদেশে মাহবুব আলম খানকে ফেনীর এসপি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছিল।তবে তার পদায়নের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। অভিযোগ ওঠে, তিনি দুটি হত্যা মামলার আসামি থাকা অবস্থায় ফেনীর এসপি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।এ ঘটনায় গত ৭ মে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়। রিটে তার নিয়োগ বাতিল, সাময়িক বরখাস্ত এবং পুরো বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্তের নির্দেশনা চাওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী ও ন্যাশনাল লইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস এম জুলফিকার আলী জুনু জনস্বার্থে রিটটি দায়ের করেন।এদিকে এসপি মিজানুর রহমানকে অসদাচরণ ও দুর্নীতিপরায়ণ আচরণের অভিযোগে অতীতে সরকার একবার শাস্তি দিয়েছিল। ২০২২ সালের ৩০ অক্টোবর সরকারের জননিরাপত্তা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে বিভাগীয় শাস্তি দেওয়া হয়। শাস্তি হিসেবে তার এক বছরের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি স্থগিত করা হয়েছিল।এই কর্মকর্তাকেই আবার পঞ্চগড় জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) করা নিয়ে প্রশ্ন উঠে। মিজানুর রহমান বিসিএস পুলিশের ২৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা। তার বাড়ি বরিশাল জেলায়। পঞ্চগড়ে যোগদানের আগে তিনি ঢাকায় স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রোটেকশন ব্যাটালিয়ন-১ এ সহ-অধিনায়ক (পুলিশ সুপার) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।


গবেষণা ও উদ্ভাবনে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

গবেষণা ও উদ্ভাবনে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

উচ্চ শিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হার বৃদ্ধির কারণ হিসেবে দক্ষতা অর্জনে ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সাথে গবেষণা ও উদ্ভাবনে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।মঙ্গলবার (১২ মে) ‘ট্রান্সফরমিং হায়ার এডুকেশন ইন বাংলাদেশ: রোডম্যাপ টু সাস্টেইনেবল এক্সসেলেন্স’ শীর্ষক জাতীয় কর্মশালায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রাথমিক থেকে উচ্চতর পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষা কারিকুলাম সময়োপযোগী করতে বর্তমান সরকার কাজ শুরু করেছে। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম জোরদার করতে দেশের প্রতিষ্ঠিত অ্যালামনাইদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, একবিংশ শতাব্দীতে শিক্ষা, গবেষণা ও জ্ঞানের উৎকর্ষ অর্জনের ক্ষেত্রে বিশ্বখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান এখনো প্রত্যাশিত উচ্চতায় পৌঁছেনি।তিনি বলেন, র‍্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে সাধারণত গবেষণা প্রকাশনা, সাইটেশন এবং উদ্ভাবনকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়। শুধু পুথিগত শিক্ষা নয়, গবেষণা ও উদ্ভাবনের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নজর না দিলে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকা কষ্টকর হবে।বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভাবন ও গবেষণা এগিয়ে নিতে সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি অ্যালামনাইদের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ, আর অ্যালামনাইরা হলো তার মেরুদণ্ড। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব অ্যালামনাই বর্তমানে দেশে-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত, তাদের শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নিতে তিনি শিক্ষাবিদদের প্রতি আহ্বান জানান।উচ্চ শিক্ষিতদের বেকারত্বের সমস্যা সমাধানে বর্তমান সরকার নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন কর্মমুখী শিক্ষার ওপর জোর দিচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী করতে এপ্রেন্টিসশীপ, ইন্টার্নশিপ এবং ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা বাড়ানোর কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।এছাড়া ক্যাম্পাস থেকে ব্যবসায়িক উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে ইনোভেটিভ বিজনেস আইডিয়া বাণিজ্যিকীকরণ করতে প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ায় ‘সিড ফান্ডিং’ বা ‘ইনোভেশন গ্রান্ট’ প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ‘উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন ইনস্টিটিউট’ এবং ‘সায়েন্স পার্ক’ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এআই, রোবটিক্স, সাইবার সিকিউরিটি ও ন্যানো টেকনোলজির মতো উন্নত প্রযুক্তি বিষয়ে জ্ঞান অর্জনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, মুখস্থ বিদ্যা ও সার্টিফিকেট নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।হাজারো প্রাণের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক সরকার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে চায় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার একটি জ্ঞান ও মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র এবং সমাজ গড়তে চায়। যেখানে শিক্ষা, গবেষণা, মেধা, যোগ্যতা এবং সৃজনশীলতা সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে।তিনি প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ আলিঙ্গনের পাশাপাশি ধর্মীয় ও সামাজিক নৈতিক মূল্যবোধ বজায় রাখতে শিক্ষক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীসহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।


দিনাজপুরে বাসের ধাক্কায় শিশু শিক্ষার্থী নিহত

দিনাজপুরে বাসের ধাক্কায় শিশু শিক্ষার্থী নিহত

দিনাজপুরে শহীদ মিনারে ডিসি আগে ফুল দেওয়ায় এমপির ক্ষোভ, বললেন ‘মিটিংয়ে এর জবাব নেবো’

দিনাজপুরে শহীদ মিনারে ডিসি আগে ফুল দেওয়ায় এমপির ক্ষোভ, বললেন ‘মিটিংয়ে এর জবাব নেবো’

কে হচ্ছেন সরকার দলীয় চিফ হুইপ, আলোচনায় নোয়াখালীর ২ সিনিয়র নেতা

কে হচ্ছেন সরকার দলীয় চিফ হুইপ, আলোচনায় নোয়াখালীর ২ সিনিয়র নেতা

ঈদে রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ৩ মার্চ

ঈদে রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ৩ মার্চ

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নেতানিয়াহু নিহতের দাবি

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নেতানিয়াহু নিহতের দাবি

ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক: বাজার স্থিতিশীলতা, নাকি দামের ওপর নতুন চাপ

ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক: বাজার স্থিতিশীলতা, নাকি দামের ওপর নতুন চাপ

দিনাজপুরে লিচুর মুকুলে হাসছে চাষির স্বপ্ন

দিনাজপুরে লিচুর মুকুলে হাসছে চাষির স্বপ্ন

ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

দিনাজপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি রেজিস্ট্রি চেষ্টার অভিযোগ: কাচারী চত্বরে হাতাহাতি আহত ৭

দিনাজপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি রেজিস্ট্রি চেষ্টার অভিযোগ: কাচারী চত্বরে হাতাহাতি আহত ৭

কেন রাষ্ট্রপতিকে রক্ষায় অনড় ছিল বিএনপি?

কেন রাষ্ট্রপতিকে রক্ষায় অনড় ছিল বিএনপি?

বিরামপুরে ক্লুলেস হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন : সব আসামী গ্রেফতার

বিরামপুরে ক্লুলেস হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন : সব আসামী গ্রেফতার

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল নয়, পর্যালোচনা হবে

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল নয়, পর্যালোচনা হবে

সিদ্দিককে ভণ্ড হুজুর বললেন প্রাক্তন স্ত্রী মারিয়া মিম!

সিদ্দিককে ভণ্ড হুজুর বললেন প্রাক্তন স্ত্রী মারিয়া মিম!

ফেনী ও পঞ্চগড়ের আলোচিত দুই এসপি প্রত্যাহার

ফেনী ও পঞ্চগড়ের আলোচিত দুই এসপি প্রত্যাহার

গবেষণা ও উদ্ভাবনে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

গবেষণা ও উদ্ভাবনে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

এনআইডি ফরমে বড় পরিবর্তন, যুক্ত হচ্ছে দাওরা-এমবিবিএস ডিগ্রিও

এনআইডি ফরমে বড় পরিবর্তন, যুক্ত হচ্ছে দাওরা-এমবিবিএস ডিগ্রিও

আটোয়ারীতে এক অনলাইন ক্যাসিনো জুয়ারু আটক

আটোয়ারীতে এক অনলাইন ক্যাসিনো জুয়ারু আটক

উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ফের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’

উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ফের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’

হাম ও উপসর্গে আরো ১১ শিশুর মৃত্যু, মোট ৪০৯

হাম ও উপসর্গে আরো ১১ শিশুর মৃত্যু, মোট ৪০৯

বাংলাদেশ আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা- এ হাবিপ্রবি’র সাফল্য

বাংলাদেশ আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা- এ হাবিপ্রবি’র সাফল্য