ঢাকা    বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩
ঢাকা    বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩
দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর গ্যাসের সরবরাহ বাড়ল শিল্পে



প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর গ্যাসের সরবরাহ বাড়ল শিল্পে
প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর শিল্প কারখানায় গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণার পর শিল্প কারখানায় গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে। সোমবার ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী। তার ঘোষণার পরই গত দুই দিনে শিল্পে গ্যাস সরবরাহ প্রায় আগের অবস্থায় ফিরে এসেছে। চাহিদা অনুযায়ী অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শিল্পে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরাসরি পরিস্থিতি তদারক করছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। দিনে দুবার শিল্পমালিকদের সঙ্গে কথা বলে কারখানাগুলোতে গ্যাস সরবরাহের পরিস্থিতির খোঁজ নিচ্ছেন তিনি।

গ্যাসের সাপ্লাই কতটা হয়েছে উন্নতি, তা নিয়মিত খোঁজ নিচ্ছেন সরকারপ্রধান তারেক রহমান। প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতও কমকর্তাদের নিয়ে শিল্প কারখানার মালিকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে সরবরাহ ব্যবস্থা তদারক করছেন। দিনে দুবার সকাল ও সন্ধ্যায় শিল্প কারখানার গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলছেন তিনি। সরেজমিন খোঁজখবরও নিচ্ছেন।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে সচিবালয়ে নিজ দফতরে বসে অন্তত ২৫টি শিল্প কারখানার মালিকদের সঙ্গে গ্যাসের প্রাপ্তি নিয়ে সরাসরি কথা বলেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এ সময় কয়েকজন শিল্প মালিক প্রতিমন্ত্রীকে বলেন, বাংলাদেশে সরকারের তরফ থেকে সরাসরি খোঁজ নেওয়ার কালচার আগে দেখিনি। বিষয়টি তাদের অবাক করেছে।

জবাবে অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দুদিন আগে শিল্পে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি সরাসরি মনিটরিং করারও নির্দেশ দিয়েছেন।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘২১ জুলাই কক্সবাজারের মহেশখালীর এলএনজির (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) ভাসমান টার্মিনালে অগ্নি দুর্ঘটনার পর থেকে সরবরাহ পরিস্থিতি বিঘ্নিত হয়। সরকার বিষয়টি সিরিয়াসলি নিয়েছে। এজন্য আমরা দুঃখ প্রকাশও করেছি। দেশের শিল্প উৎপাদনে যেকোনো সংকটে আপনাদের পাশে থাকা আমাদের দায়িত্ব।’ শিল্প মালিকদের অনেকেই প্রতিমন্ত্রীর সরাসরি তদারকিতে বিস্ময় প্রকাশ করেন।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কাজের ব্যস্ততার ফাঁকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে বিভিন্ন নির্দেশনা দিচ্ছেন। সরবরাহ পরিস্থিতি জানতে চাচ্ছেন। কোথাও সংকট থাকলে তার দ্রুত সমাধান করতে বলেছেন। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা দিনরাত এ নিয়ে কাজ করছেন। একটি দায়িত্বশীল জনগণের নির্বাচিত সরকার জনস্বার্থের বিষয়টি ছোট করে দেখতে পারে না।’

PM2
১৪ সেপ্টেম্বর সচিবালয়ে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় শিল্পে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংকট পূর্ববর্তী সরকারের রেখে যাওয়া। আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে তা পেয়েছি। এখন চেষ্টা করছি এর দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধানের। ইনশাআল্লাহ আমরা সফল হব। বিদ্যুৎ ও গ্যাস পরিস্থিতির উন্নতি হবে।’

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানান, ‘দেশে দিনে গ্যাসের চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে ২৬০-২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। এর মধ্যে এলএনজি থেকে সর্বোচ্চ ১০৫ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা হয়।’

তিনি আরো জানান, মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত ২৬০২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। ২১ জুলাই দুর্ঘটনার আগ পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ ছিল ২৬৪৯ মিলিয়ন ঘনফুট। গত দুই দিনে এলএনজি থেকে প্রায় এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। দেশি গ্যাসক্ষেত্র থেকে এসেছে ১৬২ কোটি ঘনফুট। এলএনজি থেকে সরবরাহ স্বাভাবিক হলেও দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন কমে যাওয়ায় ঘাটতি রয়ে গেছে। সরকার এই পরিস্থিতি উত্তোরণের চেষ্টা করছে।

পেট্রোবাংলা ও রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল) সূত্র বলছে, চলতি সেপ্টেম্বর মাসেই ১০টি এলএনজি কার্গো আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামী অক্টোবরে আরও ১১টি এলএনজি কার্গো কেনার প্রক্রিয়া চলছে। সবমিলিয়ে চলমান সংকট কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই সরকারের গৃহীত পরিকল্পনা অনেকটাই চূড়ান্ত হয়েছে।

বাংলাদেশে সরবরাহকৃত গ্যাসের ৬২ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত হয়। বাকি ৩৮ শতাংশ শিল্প ও গৃহস্থালীর কাজে ব্যবহার হয়। প্রতিবেশি দেশ ভারতে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র মাত্র ২ শতাংশ। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার গ্যাসের আমদানি ও দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি না করেই অতিরিক্ত গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র চালু করেছিল। এখন গ্যাস সংকটে ওইসব উৎপাদন কেন্দ্রগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুতের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

সরকার বেসরকারি খাতে সোলারভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিকে মনোযোগ দিয়েছে। একইসঙ্গে গ্যাস উত্তোলন বৃদ্ধি ও আমদানির দিকেও নজর দিয়েছে। স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী সংকট সমাধানের পরিকল্পনা নেওয়ায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে টেকসই উন্নয়নের আশা করছে সরকার।

আপনার মতামত লিখুন

দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর গ্যাসের সরবরাহ বাড়ল শিল্পে

প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণার পর শিল্প কারখানায় গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে। সোমবার ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী। তার ঘোষণার পরই গত দুই দিনে শিল্পে গ্যাস সরবরাহ প্রায় আগের অবস্থায় ফিরে এসেছে। চাহিদা অনুযায়ী অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শিল্পে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরাসরি পরিস্থিতি তদারক করছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। দিনে দুবার শিল্পমালিকদের সঙ্গে কথা বলে কারখানাগুলোতে গ্যাস সরবরাহের পরিস্থিতির খোঁজ নিচ্ছেন তিনি।

গ্যাসের সাপ্লাই কতটা হয়েছে উন্নতি, তা নিয়মিত খোঁজ নিচ্ছেন সরকারপ্রধান তারেক রহমান। প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতও কমকর্তাদের নিয়ে শিল্প কারখানার মালিকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে সরবরাহ ব্যবস্থা তদারক করছেন। দিনে দুবার সকাল ও সন্ধ্যায় শিল্প কারখানার গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলছেন তিনি। সরেজমিন খোঁজখবরও নিচ্ছেন।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে সচিবালয়ে নিজ দফতরে বসে অন্তত ২৫টি শিল্প কারখানার মালিকদের সঙ্গে গ্যাসের প্রাপ্তি নিয়ে সরাসরি কথা বলেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এ সময় কয়েকজন শিল্প মালিক প্রতিমন্ত্রীকে বলেন, বাংলাদেশে সরকারের তরফ থেকে সরাসরি খোঁজ নেওয়ার কালচার আগে দেখিনি। বিষয়টি তাদের অবাক করেছে।

জবাবে অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দুদিন আগে শিল্পে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি সরাসরি মনিটরিং করারও নির্দেশ দিয়েছেন।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘২১ জুলাই কক্সবাজারের মহেশখালীর এলএনজির (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) ভাসমান টার্মিনালে অগ্নি দুর্ঘটনার পর থেকে সরবরাহ পরিস্থিতি বিঘ্নিত হয়। সরকার বিষয়টি সিরিয়াসলি নিয়েছে। এজন্য আমরা দুঃখ প্রকাশও করেছি। দেশের শিল্প উৎপাদনে যেকোনো সংকটে আপনাদের পাশে থাকা আমাদের দায়িত্ব।’ শিল্প মালিকদের অনেকেই প্রতিমন্ত্রীর সরাসরি তদারকিতে বিস্ময় প্রকাশ করেন।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কাজের ব্যস্ততার ফাঁকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে বিভিন্ন নির্দেশনা দিচ্ছেন। সরবরাহ পরিস্থিতি জানতে চাচ্ছেন। কোথাও সংকট থাকলে তার দ্রুত সমাধান করতে বলেছেন। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা দিনরাত এ নিয়ে কাজ করছেন। একটি দায়িত্বশীল জনগণের নির্বাচিত সরকার জনস্বার্থের বিষয়টি ছোট করে দেখতে পারে না।’

PM2
১৪ সেপ্টেম্বর সচিবালয়ে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় শিল্পে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংকট পূর্ববর্তী সরকারের রেখে যাওয়া। আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে তা পেয়েছি। এখন চেষ্টা করছি এর দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধানের। ইনশাআল্লাহ আমরা সফল হব। বিদ্যুৎ ও গ্যাস পরিস্থিতির উন্নতি হবে।’

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানান, ‘দেশে দিনে গ্যাসের চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে ২৬০-২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। এর মধ্যে এলএনজি থেকে সর্বোচ্চ ১০৫ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা হয়।’

তিনি আরো জানান, মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত ২৬০২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। ২১ জুলাই দুর্ঘটনার আগ পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ ছিল ২৬৪৯ মিলিয়ন ঘনফুট। গত দুই দিনে এলএনজি থেকে প্রায় এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। দেশি গ্যাসক্ষেত্র থেকে এসেছে ১৬২ কোটি ঘনফুট। এলএনজি থেকে সরবরাহ স্বাভাবিক হলেও দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন কমে যাওয়ায় ঘাটতি রয়ে গেছে। সরকার এই পরিস্থিতি উত্তোরণের চেষ্টা করছে।

পেট্রোবাংলা ও রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল) সূত্র বলছে, চলতি সেপ্টেম্বর মাসেই ১০টি এলএনজি কার্গো আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামী অক্টোবরে আরও ১১টি এলএনজি কার্গো কেনার প্রক্রিয়া চলছে। সবমিলিয়ে চলমান সংকট কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই সরকারের গৃহীত পরিকল্পনা অনেকটাই চূড়ান্ত হয়েছে।

বাংলাদেশে সরবরাহকৃত গ্যাসের ৬২ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত হয়। বাকি ৩৮ শতাংশ শিল্প ও গৃহস্থালীর কাজে ব্যবহার হয়। প্রতিবেশি দেশ ভারতে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র মাত্র ২ শতাংশ। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার গ্যাসের আমদানি ও দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি না করেই অতিরিক্ত গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র চালু করেছিল। এখন গ্যাস সংকটে ওইসব উৎপাদন কেন্দ্রগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুতের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

সরকার বেসরকারি খাতে সোলারভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিকে মনোযোগ দিয়েছে। একইসঙ্গে গ্যাস উত্তোলন বৃদ্ধি ও আমদানির দিকেও নজর দিয়েছে। স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী সংকট সমাধানের পরিকল্পনা নেওয়ায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে টেকসই উন্নয়নের আশা করছে সরকার।


দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর

প্রকাশক ও সম্পাদক: মো: শাহ্ আলম নূর আকাশ (8801715412204)
বার্তা সম্পাদক: মো: নুরুল হুদা দুলাল (8801715803963)
হেড অব নিউজ: আব্দুস সালাম (8801721460008) 
আইন উপদেষ্টা: অ্যাড. সারওয়ার আহমেদ বাবু (8801318071980)

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর ডট কম