ঢাকা    বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩
ঢাকা    বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩
দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর

আর্কাইভ দেখুন

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর গ্যাসের সরবরাহ বাড়ল শিল্পে

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর গ্যাসের সরবরাহ বাড়ল শিল্পে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণার পর শিল্প কারখানায় গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে। সোমবার ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী। তার ঘোষণার পরই গত দুই দিনে শিল্পে গ্যাস সরবরাহ প্রায় আগের অবস্থায় ফিরে এসেছে। চাহিদা অনুযায়ী অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শিল্পে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরাসরি পরিস্থিতি তদারক করছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। দিনে দুবার শিল্পমালিকদের সঙ্গে কথা বলে কারখানাগুলোতে গ্যাস সরবরাহের পরিস্থিতির খোঁজ নিচ্ছেন তিনি।গ্যাসের সাপ্লাই কতটা হয়েছে উন্নতি, তা নিয়মিত খোঁজ নিচ্ছেন সরকারপ্রধান তারেক রহমান। প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতও কমকর্তাদের নিয়ে শিল্প কারখানার মালিকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে সরবরাহ ব্যবস্থা তদারক করছেন। দিনে দুবার সকাল ও সন্ধ্যায় শিল্প কারখানার গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলছেন তিনি। সরেজমিন খোঁজখবরও নিচ্ছেন।মঙ্গলবার দিবাগত রাতে সচিবালয়ে নিজ দফতরে বসে অন্তত ২৫টি শিল্প কারখানার মালিকদের সঙ্গে গ্যাসের প্রাপ্তি নিয়ে সরাসরি কথা বলেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এ সময় কয়েকজন শিল্প মালিক প্রতিমন্ত্রীকে বলেন, বাংলাদেশে সরকারের তরফ থেকে সরাসরি খোঁজ নেওয়ার কালচার আগে দেখিনি। বিষয়টি তাদের অবাক করেছে।জবাবে অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দুদিন আগে শিল্পে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি সরাসরি মনিটরিং করারও নির্দেশ দিয়েছেন।’প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘২১ জুলাই কক্সবাজারের মহেশখালীর এলএনজির (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) ভাসমান টার্মিনালে অগ্নি দুর্ঘটনার পর থেকে সরবরাহ পরিস্থিতি বিঘ্নিত হয়। সরকার বিষয়টি সিরিয়াসলি নিয়েছে। এজন্য আমরা দুঃখ প্রকাশও করেছি। দেশের শিল্প উৎপাদনে যেকোনো সংকটে আপনাদের পাশে থাকা আমাদের দায়িত্ব।’ শিল্প মালিকদের অনেকেই প্রতিমন্ত্রীর সরাসরি তদারকিতে বিস্ময় প্রকাশ করেন।অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কাজের ব্যস্ততার ফাঁকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে বিভিন্ন নির্দেশনা দিচ্ছেন। সরবরাহ পরিস্থিতি জানতে চাচ্ছেন। কোথাও সংকট থাকলে তার দ্রুত সমাধান করতে বলেছেন। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা দিনরাত এ নিয়ে কাজ করছেন। একটি দায়িত্বশীল জনগণের নির্বাচিত সরকার জনস্বার্থের বিষয়টি ছোট করে দেখতে পারে না।’১৪ সেপ্টেম্বর সচিবালয়ে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় শিল্পে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংকট পূর্ববর্তী সরকারের রেখে যাওয়া। আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে তা পেয়েছি। এখন চেষ্টা করছি এর দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধানের। ইনশাআল্লাহ আমরা সফল হব। বিদ্যুৎ ও গ্যাস পরিস্থিতির উন্নতি হবে।’বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানান, ‘দেশে দিনে গ্যাসের চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে ২৬০-২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। এর মধ্যে এলএনজি থেকে সর্বোচ্চ ১০৫ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা হয়।’তিনি আরো জানান, মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত ২৬০২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। ২১ জুলাই দুর্ঘটনার আগ পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ ছিল ২৬৪৯ মিলিয়ন ঘনফুট। গত দুই দিনে এলএনজি থেকে প্রায় এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। দেশি গ্যাসক্ষেত্র থেকে এসেছে ১৬২ কোটি ঘনফুট। এলএনজি থেকে সরবরাহ স্বাভাবিক হলেও দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন কমে যাওয়ায় ঘাটতি রয়ে গেছে। সরকার এই পরিস্থিতি উত্তোরণের চেষ্টা করছে।পেট্রোবাংলা ও রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল) সূত্র বলছে, চলতি সেপ্টেম্বর মাসেই ১০টি এলএনজি কার্গো আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামী অক্টোবরে আরও ১১টি এলএনজি কার্গো কেনার প্রক্রিয়া চলছে। সবমিলিয়ে চলমান সংকট কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই সরকারের গৃহীত পরিকল্পনা অনেকটাই চূড়ান্ত হয়েছে।বাংলাদেশে সরবরাহকৃত গ্যাসের ৬২ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত হয়। বাকি ৩৮ শতাংশ শিল্প ও গৃহস্থালীর কাজে ব্যবহার হয়। প্রতিবেশি দেশ ভারতে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র মাত্র ২ শতাংশ। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার গ্যাসের আমদানি ও দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি না করেই অতিরিক্ত গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র চালু করেছিল। এখন গ্যাস সংকটে ওইসব উৎপাদন কেন্দ্রগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুতের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।সরকার বেসরকারি খাতে সোলারভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিকে মনোযোগ দিয়েছে। একইসঙ্গে গ্যাস উত্তোলন বৃদ্ধি ও আমদানির দিকেও নজর দিয়েছে। স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী সংকট সমাধানের পরিকল্পনা নেওয়ায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে টেকসই উন্নয়নের আশা করছে সরকার।


হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনাসহ গণহত্যাকারীদের আশ্রয় দিয়ে ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গভীর চক্রান্তের জাল বুনছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের ফেরত চেয়ে বাংলাদেশ সরকার বারবার তাগিদ দিলেও ভারত তা শুনছে না। বরং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্রিকস সম্মেলনে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্তের পরদিনই আদানি পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের নাটক সাজানো হয়েছে।বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও প্রজন্ম দলের উদ্যোগে আয়োজিত এক মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।রুহুল কবির রিজভী বলেন, আপনারা (ভারত) তো আমাদের বন্ধু দেশ দাবি করেন, আমরাও বলি। কিন্তু কেমন বন্ধু আপনারা? যিনি একাত্তরের পরে ১৪০০ তরুণ-কিশোর, ছাত্র-জনতা ও শ্রমিকের রক্ত পান করেছেন, সেই রক্তপিপাসু শেখ হাসিনাকে আপনারা আশ্রয় দিয়েছেন। তার সাথে যারা গণতন্ত্রকামী মানুষের ওপর গুলি চালিয়েছে, গণহত্যা চালিয়েছে, তারাও সেখানে পালিয়ে রয়েছে। অথচ বাংলাদেশ সরকার আদালতের পরোয়ানা অনুযায়ী তাদের বারবার ফেরত চেয়েও পাচ্ছে না।তিনি অতীতে শেখ মুজিবের খুনের দায়ে অভিযুক্ত এক সাবেক মেজরের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, আপনারা যদি সেই সাবেক মেজরকে ধরে শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করতে পারেন, তবে ১৪০০ মানুষকে হত্যাকারী শেখ হাসিনাকে কেন হস্তান্তর করছেন না? তাকে নিয়ে আপনাদের উদ্দেশ্য কী? নিশ্চয়ই কোনো গভীর চক্রান্ত আছে। মুখে বন্ধুত্বের সুমধুর কথা বললেও ভেতরে ভেতরে শেখ হাসিনাকে কেন্দ্র করে আপনারা চক্রান্তের জাল বুনছেন।‘ব্রিকসে না যাওয়ায় বিদ্যুৎ সংকট তৈরি’প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস সম্মেলনে অংশ না নেওয়ার প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের প্রধানমন্ত্রী। অথচ ব্রিকসে তাকে দেশের সরকারপ্রধান হিসেবে নয়, বরং বিমসটেক চেয়ারম্যান হিসেবে সাইডলাইনে বসার মতো করে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। একজন স্বাধীন দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি সেই অসম্মানজনক আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছেন। এটি তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়, বরং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদাকে সমুন্নত রাখার প্রতীক।তিনি আরও যোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী ব্রিকসে যাবেন না বলার পরের দিনই আদানি পাওয়ার প্ল্যান্ট ঘোষণা দিল তাদের ইউনিট নষ্ট হয়ে গেছে। এই সুইচ তো ভারতের ঝাড়খণ্ডে, তারা যখন ইচ্ছা বন্ধ করে। এই কূটকৌশল বোঝার জন্য ব্যারিস্টারি পাস বা পিএইচডি করতে হয় না, দেশের সাধারণ মানুষও তা বোঝে।‘বিরোধী মতের ওপর জুলুম নেই, দেশ গণতান্ত্রিক পথে’বিগত সরকারের সমালোচনা করে  বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, গত ১৬ বছর ধরে দেশে লুণ্ঠন, ব্যাংকের টাকা পাচার, গুম ও গুপ্তহত্যা চলেছে। শীতলক্ষ্যা, পদ্মা ও বুড়িগঙ্গায় লাশের মিছিল ভেসেছে। সেই অন্ধকার থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার বিপ্লব এবং পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনরায়ে সরকার গঠিত হয়েছে।তিনি বলেন, আজকে পার্লামেন্টে এবং বাইরে বিরোধী দল সকাল-সন্ধ্যা সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও গালিগালাজ করছে। কিন্তু কোনো বিরোধী নেতা কি গুম হয়েছেন? কোনো বিচারবহির্ভূত হত্যা হয়েছে? হয়নি। কারণ জনগণের বাকস্বাধীনতা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের মূল অঙ্গীকার।জ্বালানি সংকট ও অর্থনীতির ইতিবাচক দিকবর্তমান গ্যাস ও জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, বর্তমান গ্যাস ও জ্বালানির সমস্যা সরকারের তৈরি কোনো সংকট নয়। এটি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালীতে অচলাবস্থার কারণে সৃষ্ট একটি বৈশ্বিক সংকট। এর মধ্যেও সরকার দিনরাত চেষ্টা করছে। বিকল্প হিসেবে পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো—মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানির মাধ্যমে শিল্প-কারখানা ও গৃহস্থালির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, এত বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও দেশে রেমিট্যান্সের প্রবাহ বেড়েছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শেখ হাসিনার আমলের চেয়ে প্রায় আড়াই থেকে তিন গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিকল্পিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার কারণেই দেশ আজ ঘুরে দাঁড়িয়েছে।মধুর ক্যান্টিন নিয়ে সতর্কবার্তাসম্প্রতি মধুর ক্যান্টিন বিতর্ক নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে রিজভী বলেন, একাত্তরের অর্জনকে মুছে ফেলার কোনো অপচেষ্টা এ দেশের মানুষ বরদাশত করবে না। সম্প্রতি ডাকসুসহ কয়েকটি জায়গায় অপতৎপরতা দেখা যাচ্ছে। মধুর ক্যান্টিনকে ‘বিশ্রাম মঞ্জিল’ বানানোর চেষ্টা শহীদ মধুর আত্মত্যাগের প্রতি চরম অপমান। মধুর ক্যান্টিনের মধু একাত্তরের শহীদ। একাত্তরের পরাজিত শক্তি যদি ভিন্ন কায়দায় এর প্রতিশোধ নিতে চায়, তবে এ দেশের মুক্তিকামী ছাত্র-জনতা ও মুক্তিযোদ্ধারা তা প্রতিহত করবে।মানববন্ধনে মুক্তিযোদ্ধা দলের সহ-সভাপতি কর্নেল (অব.) জয়নুল আবেদীন, আনিসুজ্জামান খোকন, মেজর (অব.) মিজানসহ মুক্তিযোদ্ধা দল ও প্রজন্ম দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


কাদের-নাছিম-আরাফাতসহ ৫ নেতার অর্ধেক সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ

কাদের-নাছিম-আরাফাতসহ ৫ নেতার অর্ধেক সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ

২০২৪ সালের জুলাইয়ের আন্দোলনের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলটির এবং যুবলীগ ও ছাত্রলীগের শীর্ষ সাত নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।একইসঙ্গে রায়ে পাঁচ নেতার সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির অর্ধেক বাজেয়াপ্ত করে তা আন্দোলনে হতাহতদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।প্যানেলের বাকি দুই সদস্য হলেন- বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া সাত নেতা হলেন- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, দলটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।এছাড়া রায়ে ওবায়দুল কাদের, বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ এবং মাইনুল হোসেন খান নিখিলের সব স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির অর্ধেক বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।রায়ে বলা হয়, বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ জুলাই-আগস্ট (২০২৪) সময়কালে নিহত ও আহত সব ব্যক্তি বা তাদের পরিবারবর্গকে ‘জুলাই ফাউন্ডেশন’ বা অন্য কোনো বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে।জুলাই আন্দোলনের পর থেকেই এই সাত আসামি পলাতক রয়েছেন।ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদসহ অন্যান্য প্রসিকিউটররা। অন্যদিকে পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত (স্টেট ডিফেন্স) আইনজীবী এম হাসান ইমাম ও ইশরাত জাহান উপস্থিত ছিলেন।২০২৫ সালের ১৮ জুন এ মামলার তদন্তকাজ শুরু হয়। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ওই বছরের ৭ ডিসেম্বর চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তারা। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনালে ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়।একই দিন ট্রাইব্যুনাল-২ প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন। এরপর ধাপে ধাপে গ্রেফতারি পরোয়ানা, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও স্টেট ডিফেন্স নিয়োগসহ শুনানি শেষে চলতি বছরের (২০২৬ সাল) ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়।১৭ ফেব্রুয়ারি প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন এবং প্রথম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ। গত ২ আগস্ট এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শেষ হয়। তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৯ জন সাক্ষী এতে সাক্ষ্য দেন। এরপর ১৭ আগস্ট যুক্তিতর্ক সম্পন্ন হলে ট্রাইব্যুনাল-২ রায় ঘোষণার জন্য মামলাটি অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখেন।সপ্তম রায় ও আগের সাজাজুলাই আন্দোলনে সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় এটি সপ্তম রায়। ছাত্র-জনতার তুমুল আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। এরপর পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এসব মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার চলছে।এর আগে দুটি ট্রাইব্যুনাল জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ছয়টি মামলার রায় দিয়েছে। ওইসব রায়ে মোট ৬১ জন আসামিকে সাজা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানসহ ১৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই ১৫ আসামির মধ্যে ১১ জনই পলাতক এবং কারাগারে বন্দী আছেন মাত্র ৪ জন।শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর। তার প্রায় ১০ মাস পর মঙ্গলবার দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ শীর্ষ সাত আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের এই রায় ঘোষণা হলো।আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপ্রসিকিউশনের আনা অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা জুলাই-আগস্টে আন্দোলন দমনে সমন্বিতভাবে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। নেতাকর্মীরা যেন রাজপথে নেমে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন, সে আহ্বান জানানোসহ একাধিক বৈঠকে সহিংসতার পরিকল্পনা করেন তারা।অভিযোগে আরও বলা হয়, আসামিরা কোথাও কোথাও সশস্ত্র হামলা, কঠোর দমন-পীড়ন ও গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখেন। তাদের এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতা সংঘটিত হয়, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য।


ওবায়দুল কাদের-নাছিম-আরাফাতসহ শীর্ষ ৭ নেতার মৃত্যুদণ্ড

ওবায়দুল কাদের-নাছিম-আরাফাতসহ শীর্ষ ৭ নেতার মৃত্যুদণ্ড

জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের শীর্ষ সাত নেতার মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এই রায় ঘোষণা করেন।প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন- বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।ওবায়দুল কাদের ছাড়া মৃত্যুদণ্ড পাওয়া অন্য আসামিরা হলেন-দলটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।এর আগে সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।অন্যদিকে পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত (স্টেট ডিফেন্স) আইনজীবী এম হাসান ইমাম ও ইশরাত জাহান উপস্থিত ছিলেন। মামলার রায় সরাসরি বাংলাদেশ টেলিভিশনে সম্প্রচার করা হয়েছে।মামলার আদ্যপান্তমামলাটির তদন্তকাজ শুরু হয় ২০২৫ সালের ১৮ জুন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে একই বছরের ৭ ডিসেম্বর প্রতিবেদন জমা দেন কর্মকর্তারা। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনালে ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আকারে দাখিল করা হয়। প্রসিকিউশনের দাখিল করা ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন  আদালত। একই দিন অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২। ধাপে ধাপে গ্রেফতারি পরোয়ানা, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি, স্টেট ডিফেন্স নিয়োগসহ শুনানি শেষে চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়।১৭ ফেব্রুয়ারি প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন ও প্রথম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হয়।এর আগে ১৭ আগস্ট যুক্তিতর্ক সম্পন্ন হলে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল-২। গত ২ আগস্ট এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শেষ হয়। তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপক্ষে সাক্ষ্য দেন মোট ২৯ জন সাক্ষী।জুলাই  আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। তারপর পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হচ্ছে। এর আগে দুটি ট্রাইব্যুনাল জুলাই আন্দোলনে সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ছয়টি মামলার রায় দিয়েছে। এসব রায়ে ৬১ আসামিকে সাজা দেওয়া হয়েছে।মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এর মধ্যে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানসহ ১৫ জনকে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে ১১ জনই পলাতক, কারাগারে বন্দী আছেন ৪ জন।জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল গত বছরের ১৭ নভেম্বর। তার প্রায় ১০ মাস পর মঙ্গলবার দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করা হলো।প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা জুলাই-আগস্টে আন্দোলন দমনে সমন্বিতভাবে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আহ্বান জানানোসহ একাধিক বৈঠকে সহিংসতার পরিকল্পনা করেন। কোথাও কোথাও সশস্ত্র হামলা, কঠোর দমন-পীড়ন ও গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখেন। তাদের এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতা সংঘটিত হয়, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য।


দিনাজপুরে লিচুর মুকুলে হাসছে চাষির স্বপ্ন

দিনাজপুরে লিচুর মুকুলে হাসছে চাষির স্বপ্ন

দিনাজপুরে বাসের ধাক্কায় শিশু শিক্ষার্থী নিহত

দিনাজপুরে বাসের ধাক্কায় শিশু শিক্ষার্থী নিহত

যৌতুক মামলায় দিনাজপুর ডিসির দেহরক্ষী কারাগারে

যৌতুক মামলায় দিনাজপুর ডিসির দেহরক্ষী কারাগারে

দিনাজপুরে শহীদ মিনারে ডিসি আগে ফুল দেওয়ায় এমপির ক্ষোভ, বললেন ‘মিটিংয়ে এর জবাব নেবো’

দিনাজপুরে শহীদ মিনারে ডিসি আগে ফুল দেওয়ায় এমপির ক্ষোভ, বললেন ‘মিটিংয়ে এর জবাব নেবো’

কে হচ্ছেন সরকার দলীয় চিফ হুইপ, আলোচনায় নোয়াখালীর ২ সিনিয়র নেতা

কে হচ্ছেন সরকার দলীয় চিফ হুইপ, আলোচনায় নোয়াখালীর ২ সিনিয়র নেতা

খানসামা টিটিসি পরিদর্শনে হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া

খানসামা টিটিসি পরিদর্শনে হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া

ঈদে রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ৩ মার্চ

ঈদে রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ৩ মার্চ

ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক: বাজার স্থিতিশীলতা, নাকি দামের ওপর নতুন চাপ

ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক: বাজার স্থিতিশীলতা, নাকি দামের ওপর নতুন চাপ

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নেতানিয়াহু নিহতের দাবি

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নেতানিয়াহু নিহতের দাবি

দিনাজপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি রেজিস্ট্রি চেষ্টার অভিযোগ: কাচারী চত্বরে হাতাহাতি আহত ৭

দিনাজপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি রেজিস্ট্রি চেষ্টার অভিযোগ: কাচারী চত্বরে হাতাহাতি আহত ৭

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর গ্যাসের সরবরাহ বাড়ল শিল্পে

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর গ্যাসের সরবরাহ বাড়ল শিল্পে

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

কাদের-নাছিম-আরাফাতসহ ৫ নেতার অর্ধেক সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ

কাদের-নাছিম-আরাফাতসহ ৫ নেতার অর্ধেক সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ

ওবায়দুল কাদের-নাছিম-আরাফাতসহ শীর্ষ ৭ নেতার মৃত্যুদণ্ড

ওবায়দুল কাদের-নাছিম-আরাফাতসহ শীর্ষ ৭ নেতার মৃত্যুদণ্ড

পরিবর্তন হচ্ছে না শাহজালাল বিমানবন্দরের নাম, থার্ড টার্মিনাল চালু ১৬ ডিসেম্বর

পরিবর্তন হচ্ছে না শাহজালাল বিমানবন্দরের নাম, থার্ড টার্মিনাল চালু ১৬ ডিসেম্বর

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

রাজনীতিতে হানাহানি নয়, শান্তি ও সমঝোতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি

রাজনীতিতে হানাহানি নয়, শান্তি ও সমঝোতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি

লংমার্চে পথে পথে জনস্রোত, ছয় দফা থেকে এক দফার হুঁশিয়ারি

লংমার্চে পথে পথে জনস্রোত, ছয় দফা থেকে এক দফার হুঁশিয়ারি

জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী