জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর ভাসমান সেতু ঈদে ঘুরতে আসা মানুষের ভারে উল্টে ও ভেঙে গেলে পানিতে ডুবে ভাই-বোনসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা সবাই শিশু।
শনিবার (২১ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার কাছে নদীতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- উপজেলার ঝালুরচর এলাকার শের আলীর মেয়ে খাদিজা (১২) ও ছেলে আব্দুল মোতালেব (৬), একই উপজেলার ডাকাতিয়াপাড়া এলাকার জয়নাল মিয়ার ছেলে রিফাত (১৬) ও মেয়ে মায়ামনি (১০) এবং গামারিয়া এলাকার আবির (১৬)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষে বিপুলসংখ্যক মানুষ ভাসমান সেতুটিতে ভিড় করেন। অতিরিক্ত চাপ সহ্য করতে না পেরে সেতুটি ভেঙে পড়ে এবং অনেকেই নদীতে পড়ে যান। তাদের মধ্যে বেশির ভাগই সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও কয়েকজন শিশু নিখোঁজ হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস একে একে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে উদ্ধার করা হয়, সবাই মারা গেছেন। আর কোনো নিখোঁজের তথ্য না থাকায় অভিযান সমাপ্ত করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ব্রিজটি প্রায় এক বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। অতিরিক্ত মানুষ ওঠায় এটি ভেঙে যায়।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জামালপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। এ সময় তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা দেওয়া হবে এবং সেখানে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২৬
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর ভাসমান সেতু ঈদে ঘুরতে আসা মানুষের ভারে উল্টে ও ভেঙে গেলে পানিতে ডুবে ভাই-বোনসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা সবাই শিশু।
শনিবার (২১ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার কাছে নদীতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- উপজেলার ঝালুরচর এলাকার শের আলীর মেয়ে খাদিজা (১২) ও ছেলে আব্দুল মোতালেব (৬), একই উপজেলার ডাকাতিয়াপাড়া এলাকার জয়নাল মিয়ার ছেলে রিফাত (১৬) ও মেয়ে মায়ামনি (১০) এবং গামারিয়া এলাকার আবির (১৬)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষে বিপুলসংখ্যক মানুষ ভাসমান সেতুটিতে ভিড় করেন। অতিরিক্ত চাপ সহ্য করতে না পেরে সেতুটি ভেঙে পড়ে এবং অনেকেই নদীতে পড়ে যান। তাদের মধ্যে বেশির ভাগই সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও কয়েকজন শিশু নিখোঁজ হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস একে একে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে উদ্ধার করা হয়, সবাই মারা গেছেন। আর কোনো নিখোঁজের তথ্য না থাকায় অভিযান সমাপ্ত করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ব্রিজটি প্রায় এক বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। অতিরিক্ত মানুষ ওঠায় এটি ভেঙে যায়।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জামালপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। এ সময় তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা দেওয়া হবে এবং সেখানে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন