দিনাজপুরের বিরামপুরে রামকৃষ্ণপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জুলফিকার মতিনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দূর্নীতি ও অব্যস্থাপনার অভিযোগে সর্বস্তরের এলাকাবাসি বিদ্যালয় মাঠে দাঁড়িয়ে তাঁর দ্রুত অপসারণের দাবী জানিয়ে মানববন্ধন করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল দশটায় দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার বিনাইল ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এলাকার নারী, পুরুষ ও শিশুরা ব্যানার, ফেস্টুন হাতে নিয়ে বিদ্যালয় মাঠে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে মানববন্ধন করেন। এ সময় তাঁরা রামকৃষ্ণপুর দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জুলফিকার মতিনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দূর্ণীতি, অব্যস্থাপনার অভিযোগ এনে তাঁর দ্রুত অপসারণের দাবীতে ফেটে পড়েন।
এ সময় শিক্ষার্থী অভিভাবক আবুল হোসেন, বিনাইল ইউনিয়ন ছাত্রদলের
সভাপতি জাহিদ হোসেন সৌরভ, সাবেক ছাত্র ইমরান হোসেন রকি, সাবেক শিক্ষার্থী ইদ্রিস আলি, বিপ্লব হোসেন, আজিজার রহমানসহ আরো অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, প্রধান শিক্ষক জুলফিকার মতিন প্রায় দিন স্কুলে অনুপস্থিত থাকেন। তিনি বিদ্যালয়ের দুটি পুকুরের ইজারার ১৪ লক্ষ কাটা দির্ঘদিন ধরে আত্নসাত করে আসচ্ছেন। সেচ্ছাচারীতার মাধ্যমে বিদ্যালয়টি পরিচালনা করণসহ নানা অনিয়মের কারণে অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা দূর্বল হয়ে পড়ে্ছে বলে তারা দাবী করেন। মানববন্ধন শেষে উপস্থিত সকলেই শোভাযাত্রায় বিদ্যালয়ের মাঠে প্রধান শিক্ষকের দ্রুত অপসরণ চেয়ে প্রতিবাদ জানান। বিদ্যালয়ের ৩ শতাধীক শিক্ষার্থীদের জন্য একটিও টিউবওয়েল নেই, নেই শৌচাগারের পানির ব্যবস্থা, শ্রেণী কক্ষে ময়লা আবর্জণার উৎকট গন্ধে শিক্ষার্থীরা অতিষ্ট। কিশোরী শিক্ষার্থীদের কমন রুমে বসার বেঞ্চ ভেঙ্গে পড়ে রয়েছে। প্রধান শিক্ষকের অফিস রুমে একটি এসি, দুইটি সেইলিং ফ্যান ও একটি স্ট্যান্ডফ্যান থাকলেও শিক্ষার্থীদের রুমের সেলিং ফ্যান অকেজো। শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত বই গুলোও সিঁড়ির নিচে রয়েছে ময়লা আবর্জণার স্তুপে। ঘটনাস্থলে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি বিনাইল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ হুমায়ুন কবির বাদশা বলেন, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে যে এতটা অনিয়ম ও দূর্নীতি রয়েছে সেটি আমি আগে জানতাম না এই মানববন্ধনে এসে জানতে পারলাম। এবিষয়ে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দায়েরের পরামর্শ দেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রধান শিক্ষক জুলফিকার মতিনের সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি যা করেছি বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কল্পেই কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক করেছি। দুটি পুকুরের ইজারদার টাকা বিদ্যালয়ের ব্যাংক একাউন্টে জমা রয়েছে যা বিদ্যালয় কাজে ব্যায় করা হয়। অপরদিকে এলাকাবাসী
স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ পত্র বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট
দিয়ে তারা প্রধান শিক্ষক জুলফিকার মতিনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দূর্নীতি ও অব্যস্থাপনার বিষয়টি সরেজমিন তদন্তপূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
দিনাজপুরের বিরামপুরে রামকৃষ্ণপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জুলফিকার মতিনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দূর্নীতি ও অব্যস্থাপনার অভিযোগে সর্বস্তরের এলাকাবাসি বিদ্যালয় মাঠে দাঁড়িয়ে তাঁর দ্রুত অপসারণের দাবী জানিয়ে মানববন্ধন করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল দশটায় দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার বিনাইল ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এলাকার নারী, পুরুষ ও শিশুরা ব্যানার, ফেস্টুন হাতে নিয়ে বিদ্যালয় মাঠে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে মানববন্ধন করেন। এ সময় তাঁরা রামকৃষ্ণপুর দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জুলফিকার মতিনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দূর্ণীতি, অব্যস্থাপনার অভিযোগ এনে তাঁর দ্রুত অপসারণের দাবীতে ফেটে পড়েন।
এ সময় শিক্ষার্থী অভিভাবক আবুল হোসেন, বিনাইল ইউনিয়ন ছাত্রদলের
সভাপতি জাহিদ হোসেন সৌরভ, সাবেক ছাত্র ইমরান হোসেন রকি, সাবেক শিক্ষার্থী ইদ্রিস আলি, বিপ্লব হোসেন, আজিজার রহমানসহ আরো অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, প্রধান শিক্ষক জুলফিকার মতিন প্রায় দিন স্কুলে অনুপস্থিত থাকেন। তিনি বিদ্যালয়ের দুটি পুকুরের ইজারার ১৪ লক্ষ কাটা দির্ঘদিন ধরে আত্নসাত করে আসচ্ছেন। সেচ্ছাচারীতার মাধ্যমে বিদ্যালয়টি পরিচালনা করণসহ নানা অনিয়মের কারণে অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা দূর্বল হয়ে পড়ে্ছে বলে তারা দাবী করেন। মানববন্ধন শেষে উপস্থিত সকলেই শোভাযাত্রায় বিদ্যালয়ের মাঠে প্রধান শিক্ষকের দ্রুত অপসরণ চেয়ে প্রতিবাদ জানান। বিদ্যালয়ের ৩ শতাধীক শিক্ষার্থীদের জন্য একটিও টিউবওয়েল নেই, নেই শৌচাগারের পানির ব্যবস্থা, শ্রেণী কক্ষে ময়লা আবর্জণার উৎকট গন্ধে শিক্ষার্থীরা অতিষ্ট। কিশোরী শিক্ষার্থীদের কমন রুমে বসার বেঞ্চ ভেঙ্গে পড়ে রয়েছে। প্রধান শিক্ষকের অফিস রুমে একটি এসি, দুইটি সেইলিং ফ্যান ও একটি স্ট্যান্ডফ্যান থাকলেও শিক্ষার্থীদের রুমের সেলিং ফ্যান অকেজো। শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত বই গুলোও সিঁড়ির নিচে রয়েছে ময়লা আবর্জণার স্তুপে। ঘটনাস্থলে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি বিনাইল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ হুমায়ুন কবির বাদশা বলেন, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে যে এতটা অনিয়ম ও দূর্নীতি রয়েছে সেটি আমি আগে জানতাম না এই মানববন্ধনে এসে জানতে পারলাম। এবিষয়ে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দায়েরের পরামর্শ দেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রধান শিক্ষক জুলফিকার মতিনের সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি যা করেছি বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কল্পেই কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক করেছি। দুটি পুকুরের ইজারদার টাকা বিদ্যালয়ের ব্যাংক একাউন্টে জমা রয়েছে যা বিদ্যালয় কাজে ব্যায় করা হয়। অপরদিকে এলাকাবাসী
স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ পত্র বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট
দিয়ে তারা প্রধান শিক্ষক জুলফিকার মতিনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দূর্নীতি ও অব্যস্থাপনার বিষয়টি সরেজমিন তদন্তপূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন