দিনাজপুরে এক কৃষককে অপহরণ করে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এনসিপির যুব সংগঠনের পাঁচ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (০৬ জুলাই) সন্ধ্যায় শহরের গোর-এ শহীদ ময়দান এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, জাতীয় যুব নাগরিক শক্তির রংপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আরিফ মুন, হাসিন ইশরাক মিম, আজমির হোসেন, সাজিদুল মিনহাজ ও হৃদয় হোসেন।
পুলিশ ও মামলার এজাহার অনুযায়ী, সদর উপজেলার খোশালপুর এলাকার কৃষক আব্দুস সামাদ গত ৫ জুলাই রাতে একটি বাড়িতে গেলে সেখানে তাকে ও তার নাতিকে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর পর জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় তার মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোনও নিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। মামলায় আরও বলা হয়, পরদিন অপহৃত ব্যক্তির মোবাইল ফোন ব্যবহার করে তার পরিবারের কাছে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা নির্ধারিত স্থানে পৌঁছে না দিলে তাকে হত্যার বা গুরুতর ক্ষতির হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে শহরের গোর-এ শহীদ ময়দান এলাকা থেকে আব্দুস সামাদকে উদ্ধার করে। একই সঙ্গে একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা হয়েছে ভুক্তভোগীর মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোনও।
এ ঘটনায় আব্দুস সামাদের ছেলে মো. মামুন কোতোয়ালি থানায় অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচজনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর কোতোয়ালি থানায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিদের মুক্ত করার দাবিতে কয়েকজন নেতাকর্মী থানায় গেলে সেখানে হট্টগোল ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও থানার সামনে অবস্থান নেন। এ সময় কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার অভিযোগও ওঠে।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুন্নবী বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তার পাঁচজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি জানান, মামলার তদন্ত চলছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
দিনাজপুরে এক কৃষককে অপহরণ করে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এনসিপির যুব সংগঠনের পাঁচ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (০৬ জুলাই) সন্ধ্যায় শহরের গোর-এ শহীদ ময়দান এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, জাতীয় যুব নাগরিক শক্তির রংপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আরিফ মুন, হাসিন ইশরাক মিম, আজমির হোসেন, সাজিদুল মিনহাজ ও হৃদয় হোসেন।
পুলিশ ও মামলার এজাহার অনুযায়ী, সদর উপজেলার খোশালপুর এলাকার কৃষক আব্দুস সামাদ গত ৫ জুলাই রাতে একটি বাড়িতে গেলে সেখানে তাকে ও তার নাতিকে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর পর জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় তার মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোনও নিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। মামলায় আরও বলা হয়, পরদিন অপহৃত ব্যক্তির মোবাইল ফোন ব্যবহার করে তার পরিবারের কাছে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা নির্ধারিত স্থানে পৌঁছে না দিলে তাকে হত্যার বা গুরুতর ক্ষতির হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে শহরের গোর-এ শহীদ ময়দান এলাকা থেকে আব্দুস সামাদকে উদ্ধার করে। একই সঙ্গে একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা হয়েছে ভুক্তভোগীর মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোনও।
এ ঘটনায় আব্দুস সামাদের ছেলে মো. মামুন কোতোয়ালি থানায় অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচজনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর কোতোয়ালি থানায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিদের মুক্ত করার দাবিতে কয়েকজন নেতাকর্মী থানায় গেলে সেখানে হট্টগোল ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও থানার সামনে অবস্থান নেন। এ সময় কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার অভিযোগও ওঠে।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুন্নবী বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তার পাঁচজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি জানান, মামলার তদন্ত চলছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন