ঢাকা    রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
ঢাকা    রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর
হাসিনাকে ফেরাতে ৪০৪ শিক্ষকের গোপন তৎপরতা, ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

হাসিনাকে ফেরাতে ৪০৪ শিক্ষকের গোপন তৎপরতা, ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, গত তিনদিন আগে আমরা দেখেছি, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষক শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে চাচ্ছেন। আমরা তাদের পর্যবেক্ষণ করছি। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি বলেন, কেউ যদি মনে করেন এটা প্রতিহিংসা, তা নয়। আমরা কারও প্রতি প্রতিহিংসা চাই না। কিন্তু কেউ অপরাধ করলে তাকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।শনিবার (৮ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান-২০২৪-এর দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘ফ্যাসিস্ট সরকার পতনে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।উপাচার্য বলেন, কেন একজন ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে তারা দেশে ফিরিয়ে আনতে চাইছেন, আমরা জানি না। যদি কেউ রাষ্ট্রদ্রোহিতার সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তাহলে আইনের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার বিচার করবেন।তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ভিন্নমত পোষণকারী শিক্ষকদের ওপর নজরদারি ও নির্যাতন চালানো হয়েছে। সাদা দলের সভায় আওয়ামী লীগের শিক্ষকদের নজরদারি থাকত। ফলে শিক্ষকরা স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারতেন না। বিভিন্ন সময় শিক্ষকদের তালিকা করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল।তিনি আরও বলেন, আমরা থেমে যাইনি। কথা বলেছি, রাজপথে নেমেছি, বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছি, অবস্থান নিয়েছি এবং ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়েছি। আজ আমরা যদি সেই বিষয়গুলো ভুলে যাই, তাহলে যারা শহীদ হয়েছেন এবং যারা ১৭ বছর ধরে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে হামলা-মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তাদের সঙ্গে অন্যায় করা হবে।জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে উপাচার্য বলেন, শুরুতে শিক্ষার্থীদের দাবি ছিল বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা তাদের নৈতিক সমর্থন জানিয়েছিলেন। পরে আন্দোলনের ওপর নির্যাতন বাড়তে থাকলে তা গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। একপর্যায়ে শহীদের সংখ্যা বাড়তে থাকে এবং জুলাইয়ের শেষ দিকে দেশের মানুষ নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখার সুযোগ পায়।তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আমাদের ওপর গণহত্যা চালিয়েছে। আর ২০২৪ সালে একই দেশের সরকারপ্রধান দেশের মানুষের ওপর নির্যাতন চালিয়েছেন। দুটি ঘটনার মাত্রা ও প্রেক্ষাপট ভিন্ন। ১৯৭১ সালে আমরা বাংলাদেশ রাষ্ট্র পেয়েছি, আর ২০২৪ সালে বাংলাদেশের পতাকা ও স্বাধীনতার মর্যাদা সমুন্নত রাখার নতুন প্রত্যয় পেয়েছি। দুটোকেই আমাদের মনে রাখতে হবে।বর্তমান সরকারকে সময় দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম বলেন, মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যে ১৭ বছরের সব সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও অন্যায়ের সমাধানে সময় প্রয়োজন।তিনি আরও বলেন, নতুন বাংলাদেশে কোনো ধরনের বৈষম্য, দমন-পীড়ন কিংবা স্বৈরাচার প্রতিষ্ঠা করা যাবে না। সবার মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে।শেখ হাসিনার শাসনামলে গুম, খুন, হামলা ও মামলার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের দমন-পীড়নের অবসান ঘটিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তির প্রতিহিংসার শিকার না করে অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে।শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এ লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
৪ ঘন্টা আগে

দিনাজপুরে লিচুর মুকুলে হাসছে চাষির স্বপ্ন

দিনাজপুরে লিচুর মুকুলে হাসছে চাষির স্বপ্ন

দিনাজপুরে বাসের ধাক্কায় শিশু শিক্ষার্থী নিহত

দিনাজপুরে বাসের ধাক্কায় শিশু শিক্ষার্থী নিহত

যৌতুক মামলায় দিনাজপুর ডিসির দেহরক্ষী কারাগারে

যৌতুক মামলায় দিনাজপুর ডিসির দেহরক্ষী কারাগারে

দিনাজপুরে শহীদ মিনারে ডিসি আগে ফুল দেওয়ায় এমপির ক্ষোভ, বললেন ‘মিটিংয়ে এর জবাব নেবো’

দিনাজপুরে শহীদ মিনারে ডিসি আগে ফুল দেওয়ায় এমপির ক্ষোভ, বললেন ‘মিটিংয়ে এর জবাব নেবো’

কে হচ্ছেন সরকার দলীয় চিফ হুইপ, আলোচনায় নোয়াখালীর ২ সিনিয়র নেতা

কে হচ্ছেন সরকার দলীয় চিফ হুইপ, আলোচনায় নোয়াখালীর ২ সিনিয়র নেতা

খানসামা টিটিসি পরিদর্শনে হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া

খানসামা টিটিসি পরিদর্শনে হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া

ঈদে রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ৩ মার্চ

ঈদে রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ৩ মার্চ

ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক: বাজার স্থিতিশীলতা, নাকি দামের ওপর নতুন চাপ

ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক: বাজার স্থিতিশীলতা, নাকি দামের ওপর নতুন চাপ

দিনাজপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি রেজিস্ট্রি চেষ্টার অভিযোগ: কাচারী চত্বরে হাতাহাতি আহত ৭

দিনাজপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি রেজিস্ট্রি চেষ্টার অভিযোগ: কাচারী চত্বরে হাতাহাতি আহত ৭

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নেতানিয়াহু নিহতের দাবি

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নেতানিয়াহু নিহতের দাবি

কোন ভিডিও নেই !

বাবা হারালেন লিওনেল মেসি

আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির বাবা হোর্হে মেসি মারা গেছেন। ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে শুক্রবার তিনি মারা যান বলে আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম ইনফোবায়ে ও টিএনসহ কয়েকটি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে। তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। তবে মেসির পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো মৃত্যুর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।আর্জেন্টিনার কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, কয়েক মাস ধরে গুরুতর অসুস্থ থাকা হোর্হে মেসি রোসারিওর একটি হাসপাতালে মারা গেছেন।[TECHTARANGA-POST:643]লিওনেল মেসির বিয়েতে স্ত্রী সেলিয়া মারিয়া কুচ্চিত্তিনি ও মেয়ে মারিয়া সল মেসির সঙ্গে হোর্হে মেসি।ফুটবলবিষয়ক সংবাদমাধ্যম গোলও মৃত্যুর খবর প্রকাশ করেছে। তবে তারা জানিয়েছে, এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।২০২৬ বিশ্বকাপ চলাকালে হোর্হে মেসির শারীরিক অবস্থা নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়েছিল। সে সময় আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছিল, তিনি বেশ কিছু স্বাস্থ্যগত সমস্যায় ভুগছিলেন।বিশ্বকাপে আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ম্যাচে প্রথম গোল করার পর মেসিকে জার্সি দিয়ে চোখের পানি মুছতে দেখা যায়। পরে মেসি জানান, ব্যক্তিগত একটি কারণে তিনি কেঁদেছিলেন, যার সঙ্গে ফুটবলের কোনো সম্পর্ক ছিল না। তিনি বলেছিলেন, ‘কঠিন কিছু দিনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম।’লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারে হোর্হে মেসি ছিলেন অন্যতম প্রধান ভিত্তি।এর কিছুদিন পর এক বিবৃতিতে মেসির পরিবার জানিয়েছিল, সিনিয়র মেসি চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে আছেন এবং অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। বিশ্বকাপ শেষেই নিজের শহর রোজারিওতে গিয়েছিলেন মেসি। বাবার সঙ্গে সময় কাটিয়ে আবার ফেরেন ইন্টার মায়ামির হয়ে অনুশীলনে, এর মধ্যে খেলেছেন মায়ামির হয়ে।লিওনেল মেসির ফুটবল ক্যারিয়ারে তার বাবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। দীর্ঘদিন তিনি ছেলের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।সিনিয়র মেসি পেশায় ছিলেন একজন প্রশিক্ষিত রাসায়নিক প্রযুক্তিবিদ। এর আগে নিউয়েলসের যুবদলে মাঝমাঠের খেলোয়াড় হিসেবে নিজেও ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন, তবে সামরিক চাকরির বাধ্যবাধকতায় খেলা ছেড়ে দিতে হয়।নিউয়েলসের যুবদলে মেসি যখন আলোচিত এক প্রতিভা, তখন আর্জেন্টিনাতেই ছেলের হরমোন চিকিৎসার খরচ জোগাড়ের চেষ্টা করেন জর্জ। ক্লাব থেকে সাড়া না পেয়ে রিভার প্লেটে সুযোগের চেষ্টা করেন, তবে সেই আলোচনাও ভেস্তে যায়। শেষ পর্যন্ত বার্সেলোনার সঙ্গে এক ব্যতিক্রমী চুক্তি করাতে সক্ষম হন তিনি। মাত্র ১৩ বছর বয়সে মেসিকে ক্লাবে ভেড়ানোর পাশাপাশি তার চিকিৎসা খরচ, বার্ষিক বেতন, থাকার ব্যবস্থা, পরিবারের জন্য চাকরির ব্যবস্থাও করে বার্সেলোনা।বার্সেলোনায় শুরুর দিকের কঠিন সময়ে যখন পরিবার ইউরোপীয় জীবনযাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছিল না, তখন ছেলের ইচ্ছাতেই সেখানে থেকে যান মেসি সিনিয়র। প্রচারমাধ্যম থেকে বেশিরভাগ সময়ই দূরে থাকতেন মেসির বাবা।ছেলের ক্যারিয়ারের বাণিজ্যিক দিক ও বিশ্বের বড় বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনার দায়িত্বও সামলাতেন হোর্হে মেসি।

বাবা হারালেন লিওনেল মেসি
২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:৪৬ পিএম
বিশ্বকাপে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ‘কঠিন’ গ্রুপে পড়েছে দাবি দুই দেশের কোচের। আপনিও কী এমনটি মনে করেন?

বিশ্বকাপে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ‘কঠিন’ গ্রুপে পড়েছে দাবি দুই দেশের কোচের। আপনিও কী এমনটি মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন