স্কটল্যান্ডের জালে চারবার বল জড়িয়েছে ব্রাজিল। এর তিনবারই যেন ‘উপহার’ পাওয়া। প্রথম গোলের জন্য খালি জাল, দ্বিতীয় গোলের জন্য ডিপ ক্রস থেকে ফাঁকা হেডের সুযোগ আর বাতিল হওয়া গোলের সময় ১৮ গজ লাইনের কাছে মনোযোগ হারানো—তিনটিই ছিল রক্ষণের দুর্বলতা।ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি এক বিশ্লেষণে জানিয়েছে, ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচে যেন মনস্তাত্ত্বিক খেলায় দূরে সরে গিয়েছিল স্কটল্যান্ড। সেই প্রভাব পড়েছিল মাঠে। অসংখ্য ভুল এবং ব্রাজিলের জন্য তৈরি হওয়া স্পষ্ট গোলের সুযোগ তাদের দুঃস্বপ্ন বাড়ায়।ইতিহাস গড়ার লড়াইয়ে স্কটল্যান্ডের অসহায় ও দুর্বল পারফরম্যান্সই তাদের সবচেয়ে বেশি কষ্ট দেবে। ধারণা ছিল, স্কটল্যান্ড খুব বেশি আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলবে না। তবে অনেকেই আশা করেছিলেন, অন্তত নিজেদের নিয়ে এতটা হাস্যকর পরিস্থিতি তৈরি করবে না। হয়েছে তেমনই।একটি দুঃস্বপ্নের ম্যাচ শেষ হয়েছে, কিন্তু সামনে রয়েছে আরেকটি কঠিন অপেক্ষা। আগামী কয়েক দিন ধরে তৃতীয় স্থানধারী দলগুলোর তালিকা বারবার পরিবর্তিত হবে, আর স্কটল্যান্ডকে সেই হিসাব-নিকাশের দিকেই তাকিয়ে থাকতে হবে।প্রচণ্ড গরমের মধ্যে ব্রাজিল যেন গতকাল সৌজন্য দেখিয়েই স্কোরলাইন তিন গোলেই সীমাবদ্ধ রেখেছে। ম্যাচের শেষ দিকে স্কট ম্যাকটমিনে গোল করতে পারলে ব্যবধান কিছুটা কমতে পারত। কিন্তু দুই দলের মধ্যে পার্থক্য ছিল একেবারে স্পষ্ট—ব্রাজিলের বড় খেলোয়াড়রা নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন, আর স্কটল্যান্ডের তারকারা ছিলেন ধীর ও নিষ্প্রভ।অনেক সুযোগ আর সম্ভাবনার ম্যাচটি ৩-০ গোলে জিতেছে ব্রাজিল।