অধিনায়ক লিটন দাস নিদেনপক্ষে ফাইনালে খেলতে চাচ্ছিলেন। সেটা হলে অন্তত একটা পদক নিয়ে ফেরা নিশ্চিত হতো। সেখানে বাংলাদেশ এবারের এশিয়ান গেমস থেকে ফিরছে কোনো পদক না জিতেই। এভাবে খালি হাতে ফেরায় জাতির কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন। শ্রীলঙ্কার কাছে ব্রোঞ্জের ম্যাচে ৬৩ রানে হারের পর তিনি জাপানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
সালাহউদ্দীন বলেন, ‘আমরা আসলে খুবই লজ্জিত। কোচ হিসেবে মনে করি আমরা ব্যর্থ হয়েছি। জাতির কাছে যে প্রত্যাশার কথা জানিয়েছিলাম, আমরা সেটার কিছুই করতে পারিনি। খুবই হতাশাজনক। আমরা লজ্জিত এবং পুরো জাতির কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।’
হারের কারণ নিয়েও কথা বলেন কোচ। তিনি মূল দায়টা দিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমানকে। তিনি আজ এক ওভারেই দিয়েছেন ২৫ রান। শেষ দিকে রিশাদ হোসেনও বেশ খরুচে বোলিং করেছেন। এরপর কাঠগড়ায় তুলেছেন ব্যাটারদেরও।
সালাহউদ্দীন বলেন, ‘আমি বলব আজকে যে উইকেটটা ছিল, বোলাররা কয়েকটা ওভার খুবই খারাপ বল করেছে। বিশেষত মূল বোলার যারা আছে, যারা টি-টুয়েন্টি স্পেশালিস্ট, তারাই হয়তো বেশি রান দিয়ে দিয়েছে। আর ব্যাটিংয়ে আমাদের পাওয়ার প্লেতে বেশি উইকেট পড়ে যাওয়াতে ওখান থেকে আসলে ম্যাচটা জেতা সম্ভব ছিল না।’
তবে সংবাদ সম্মেলনে ক্রিকেটারদের পাশে দাঁড়ান অধিনায়ক লিটন দাস। তিনি বলেন, ‘আমি সব সময় বলব, তারা দেশের জন্য লড়াই করে। তারা ব্যর্থ হয়েছে, সেটা নিয়ে আমরা অবশ্যই লজ্জিত এবং আমরা আসলে এটা কীভাবে পার করা যায়, সেই চেষ্টা করব। সত্যি বলতে আমরা পুরো দল হিসেবে ভালো পারফর্ম করিনি।’
সোনা জয়ের আশা নিয়ে আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমসে গিয়েছিল বাংলাদেশের ছেলেদের দল। এর আগে তিনবার এই আসরে খেলে প্রতিবারই পদক নিয়ে ফিরেছিল তারা। ২০১০ সালে প্রথমবারেই জিতেছিল সোনা। এবার সেমিফাইনালে পাকিস্তানের কাছে হেরে যায় বাংলাদেশ। ব্রোঞ্জের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় সারির দলের বিপক্ষেও তারা পারেনি।
ওই ম্যাচে টস হেরে আগে ফিল্ডিং করে বাংলাদেশ। ১০ ওভারে শ্রীলঙ্কার রান ছিল ৪ উইকেটে ৫১। কিন্তু শেষ ১০ ওভারে বাংলাদেশের বোলাররা এলোমেলো হয়ে পড়েন। শ্রীলঙ্কা শেষ পর্যন্ত করে ১৬৫ রান। জবাবে ব্যাটিংয়েও শুরু থেকে হতাশ করে বাংলাদেশ। তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান ও লিটন দাস শূন্য রানে ফেরেন। ৯ নম্বরে নামা নাসুম আহমেদ করেন ইনিংস সর্বোচ্চ ২৬ রান, দল ১০২ রানে অলআউট হয়।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
অধিনায়ক লিটন দাস নিদেনপক্ষে ফাইনালে খেলতে চাচ্ছিলেন। সেটা হলে অন্তত একটা পদক নিয়ে ফেরা নিশ্চিত হতো। সেখানে বাংলাদেশ এবারের এশিয়ান গেমস থেকে ফিরছে কোনো পদক না জিতেই। এভাবে খালি হাতে ফেরায় জাতির কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন। শ্রীলঙ্কার কাছে ব্রোঞ্জের ম্যাচে ৬৩ রানে হারের পর তিনি জাপানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
সালাহউদ্দীন বলেন, ‘আমরা আসলে খুবই লজ্জিত। কোচ হিসেবে মনে করি আমরা ব্যর্থ হয়েছি। জাতির কাছে যে প্রত্যাশার কথা জানিয়েছিলাম, আমরা সেটার কিছুই করতে পারিনি। খুবই হতাশাজনক। আমরা লজ্জিত এবং পুরো জাতির কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।’
হারের কারণ নিয়েও কথা বলেন কোচ। তিনি মূল দায়টা দিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমানকে। তিনি আজ এক ওভারেই দিয়েছেন ২৫ রান। শেষ দিকে রিশাদ হোসেনও বেশ খরুচে বোলিং করেছেন। এরপর কাঠগড়ায় তুলেছেন ব্যাটারদেরও।
সালাহউদ্দীন বলেন, ‘আমি বলব আজকে যে উইকেটটা ছিল, বোলাররা কয়েকটা ওভার খুবই খারাপ বল করেছে। বিশেষত মূল বোলার যারা আছে, যারা টি-টুয়েন্টি স্পেশালিস্ট, তারাই হয়তো বেশি রান দিয়ে দিয়েছে। আর ব্যাটিংয়ে আমাদের পাওয়ার প্লেতে বেশি উইকেট পড়ে যাওয়াতে ওখান থেকে আসলে ম্যাচটা জেতা সম্ভব ছিল না।’
তবে সংবাদ সম্মেলনে ক্রিকেটারদের পাশে দাঁড়ান অধিনায়ক লিটন দাস। তিনি বলেন, ‘আমি সব সময় বলব, তারা দেশের জন্য লড়াই করে। তারা ব্যর্থ হয়েছে, সেটা নিয়ে আমরা অবশ্যই লজ্জিত এবং আমরা আসলে এটা কীভাবে পার করা যায়, সেই চেষ্টা করব। সত্যি বলতে আমরা পুরো দল হিসেবে ভালো পারফর্ম করিনি।’
সোনা জয়ের আশা নিয়ে আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমসে গিয়েছিল বাংলাদেশের ছেলেদের দল। এর আগে তিনবার এই আসরে খেলে প্রতিবারই পদক নিয়ে ফিরেছিল তারা। ২০১০ সালে প্রথমবারেই জিতেছিল সোনা। এবার সেমিফাইনালে পাকিস্তানের কাছে হেরে যায় বাংলাদেশ। ব্রোঞ্জের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় সারির দলের বিপক্ষেও তারা পারেনি।
ওই ম্যাচে টস হেরে আগে ফিল্ডিং করে বাংলাদেশ। ১০ ওভারে শ্রীলঙ্কার রান ছিল ৪ উইকেটে ৫১। কিন্তু শেষ ১০ ওভারে বাংলাদেশের বোলাররা এলোমেলো হয়ে পড়েন। শ্রীলঙ্কা শেষ পর্যন্ত করে ১৬৫ রান। জবাবে ব্যাটিংয়েও শুরু থেকে হতাশ করে বাংলাদেশ। তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান ও লিটন দাস শূন্য রানে ফেরেন। ৯ নম্বরে নামা নাসুম আহমেদ করেন ইনিংস সর্বোচ্চ ২৬ রান, দল ১০২ রানে অলআউট হয়।

আপনার মতামত লিখুন