রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার দাওকান্দি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে মারামারির ঘটনায় আলোচিত শিক্ষিকা আলেয়া খাতুন হীরাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে কলেজটি পরিদর্শন শেষে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাজশাহী অঞ্চলিক মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর মোহা. আছাদুজ্জামান।
পরিচালক বলেন, তদন্তের স্বার্থে আলেয়া খাতুন হীরাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
এর আগে নারী শিক্ষিকার সঙ্গে অশোভন আচরণের অভিযোগে বিএনপি নেতা আকবর আলীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজশাহীর দূর্গাপুরে দাওকান্দি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ঢুকে ভাঙচুর ও একজন শিক্ষিকার সঙ্গে দূর্গাপুর উপজেলাধীন জয়নগর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আকবর আলীর অশোভন আচরণের ঘটনা ঘটেছে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার শিক্ষিকা আলেয়া খাতুন হীরার সঙ্গে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার হাতাহাতির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি ভাইরাল হলে বিষয়টি নজরে আসে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি)। ফলে এই ঘটনার তদন্তে নামে কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার দাওকান্দি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে মারামারির ঘটনায় আলোচিত শিক্ষিকা আলেয়া খাতুন হীরাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে কলেজটি পরিদর্শন শেষে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাজশাহী অঞ্চলিক মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর মোহা. আছাদুজ্জামান।
পরিচালক বলেন, তদন্তের স্বার্থে আলেয়া খাতুন হীরাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
এর আগে নারী শিক্ষিকার সঙ্গে অশোভন আচরণের অভিযোগে বিএনপি নেতা আকবর আলীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজশাহীর দূর্গাপুরে দাওকান্দি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ঢুকে ভাঙচুর ও একজন শিক্ষিকার সঙ্গে দূর্গাপুর উপজেলাধীন জয়নগর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আকবর আলীর অশোভন আচরণের ঘটনা ঘটেছে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার শিক্ষিকা আলেয়া খাতুন হীরার সঙ্গে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার হাতাহাতির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি ভাইরাল হলে বিষয়টি নজরে আসে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি)। ফলে এই ঘটনার তদন্তে নামে কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন