ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর
সর্বশেষ
সয়াবিন তেল, চিনি ও দুধেও মাইক্রোপ্লাস্টিক

সয়াবিন তেল, চিনি ও দুধেও মাইক্রোপ্লাস্টিক

দেশের মানুষের প্রতিদিনের খাবারের থালায় এবার নতুন আতঙ্ক মাইক্রোপ্লাস্টিক। রান্নার সয়াবিন তেল থেকে শুরু করে চিনি ও শিশুর জন্য কেনা দুধ সবখানেই মিলেছে এই অতি ক্ষুদ্র্র কণা। দেশের তিনটি পৃথক গবেষণায় এই দূষণের প্রমাণ মিলেছে। গবেষকরা মনে করেন, প্রতিদিন অজান্তেই হাজারো প্লাস্টিক কণা শরীরে প্রবেশ করছে। যা ভবিষ্যতে জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি।সম্প্রতি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগ পরিচালিত গবেষণায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগ্রহ করা ৬০টি সয়াবিন তেলের নমুনা বিশ্লেষণ করা হয়। পরীক্ষায় প্রতিটি নমুনাতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে। প্রতি লিটার তেলে গড়ে পাওয়া গেছে ৫৩ হাজার ৯২২টি কণা। এর মধ্যে ব্র্যান্ডেড বোতলজাত তেলে গড়ে ৪৮ হাজার ৬৭টি ও খোলা তেলে ৫৯ হাজার ৭৭৮টি কণা পাওয়া গেছে। অর্থাৎ খোলা তেলে দূষণের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। বিশ্বখ্যাত জার্নাল অব ফুড কম্পোজিশন অ্যান্ড অ্যানালাইসিস এপ্রিলে এই গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে। এতে সয়াবিন তেলে ছয় ধরনের মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়ার তথ্য রয়েছে। এছাড়া নেদারল্যান্ডসভিত্তিক আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান এলসেভিয়ারেও একটি গবেষণা প্রকাশ হয়েছে। গবেষকদের পর্যবেক্ষণে তেজগাঁও এলাকা থেকে সংগ্রহ করা খোলা তেলের নমুনায় সবচেয়ে বেশি দূষণ পাওয়া যায়। তাদের ধারণা, প্লাস্টিকের পাত্রের পুনর্ব্যবহার, খোলা অবস্থায় খাদ্য বিক্রি ও সংরক্ষণে অনিয়ম এবং শিল্পাঞ্চলের পরিবেশ এসব দূষণের অন্যতম কারণ। বোতলজাত তেলেও মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়ায় উৎপাদন, পরিশোধন, প্যাকেজিং ও পরিবহণের বিভিন্ন ধাপকে সম্ভাব্য উৎস হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।জার্নাল অব ফুড কম্পোজিশন অ্যান্ড অ্যানালাইসিসে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া সাত ধরনের ব্র্যান্ডেড ও খোলা চিনির নমুনা পরীক্ষায় ৯৫ শতাংশ নমুনায় মাইক্রোপ্লাস্টিক রয়েছে। প্রতি কেজি চিনিতে ২১০ থেকে ৫০৮টি পর্যন্ত কণা শনাক্ত হয়েছে। ব্র্যান্ডেড চিনিতে গড়ে ৩২২টি ও খোলা চিনিতে ৪০৩টি কণা পাওয়া গেছে। গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন গবেষক সাদিয়া আফরিন, নায়ন হোসেন এবং মোস্তাফিজুর রহমান। গবেষণার জন্য ঢাকার বিভিন্ন খুচরা বাজার থেকে সংগ্রহ করা সাত ধরনের বাণিজ্যিক চিনির ব্র্যান্ডেড ও খোলা উভয় ধরনের চিনি পরীক্ষা করা হয়েছে। গবেষকদের মতে-উৎপাদন, পরিশোধন, সংরক্ষণ, পরিবহণ এবং প্লাস্টিক প্যাকেজিংয়ের বিভিন্ন ধাপ থেকেই এসব কণা চিনিতে মিশেছে।অন্যদিকে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরাও একটি গবেষণা করেছেন। তারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সংগৃহীত কাঁচা দুধ, বাজারজাত তরল ও গুঁড়া দুধ এবং অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্যের ৪১টি নমুনা পরীক্ষা করে প্রতিটির মধ্যেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পেয়েছেন।এতে বলা হয়েছে, প্রতি ১০০ মিলিলিটার ব্র্যান্ডের দুধে গড়ে ১৫৬ দশমিক ৬টি, কাঁচা দুধে ৯৩ দশমিক ৩৯টি এবং দুগ্ধজাত পণ্যে ৭০ দশমিক ৮০টি প্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। গবেষকদের আশঙ্কা, দুধ সংগ্রহ, পরিবহণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্যাকেটজাত করার বিভিন্ন ধাপেই প্লাস্টিক কণা খাদ্যে যুক্ত হয়েছে।তিনটি গবেষণাতেই পলিইথিলিন, পলিপ্রোপিলিন, পিইটি, নাইলন, পিভিসি, পলিইউরেথেন, টেফলনসহ বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিক পলিমারের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে আঁশ বা ফাইবারজাতীয় কণা, যা কৃত্রিম তন্তুর পোশাক, প্লাস্টিকের যন্ত্রপাতি, ফিল্টার, পাইপ, প্যাকেজিং উপকরণ কিংবা বাতাসের মাধ্যমে খাদ্যে মিশতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।গবেষণার তথ্যমতে, শুধু সয়াবিন তেল থেকেই একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির শরীরে বছরে প্রায় ৬ হাজার ৪৪১টি মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা ঢুকছে। অন্যদিকে দুধের ওপর নির্ভরতা বেশি হওয়ায় শিশুদের শরীরে মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রবেশের সম্ভাব্য হার আরও বেশি। যদিও গবেষণাগুলো সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট রোগের কারণ হিসাবে মাইক্রোপ্লাস্টিককে চিহ্নিত করেনি। তবে দীর্ঘমেয়াদে শরীরে এসব কণা জমে প্রদাহ, অক্সিডেটিভ স্ট্রেস, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা এবং অন্যান্য জটিল স্বাস্থ্যসমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন বলেন, যেসব খাবারে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে, তা দেশের খাদ্যমান তদারকি সংস্থার পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ছাড় করা হয়েছে ও বাজারে বিক্রি হচ্ছে। মান নিয়ন্ত্রক সংস্থার গাফিলতি আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে। তিনি দাবি করেন, যেসব খাবারে প্লাস্টিক পাওয়া গেছে, তা আবারও পরীক্ষা করতে হবে। সমস্যা পেলে তা বাজার থেকে তুলে নেওয়া ও সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা জরুরি।জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. শামীম আহমেদ বলেন, অতিক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা রক্তনালিতে প্রদাহ সৃষ্টি করে হৃদরোগ, হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। পাশাপাশি এটি অন্ত্রে প্রদাহ, হজমের সমস্যা ও উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। শ্বাসের সঙ্গে ফুসফুসে প্রবেশ করলে শ্বাসতন্ত্রের জটিলতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া প্লাস্টিকের কিছু রাসায়নিক হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করে প্রজনন স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। অতি ক্ষুদ্র কণা মস্তিষ্কেও পৌঁছাতে পারে, যা ভবিষ্যতে স্নায়বিক রোগের ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
১৬ মিনিট আগে

দিনাজপুরে লিচুর মুকুলে হাসছে চাষির স্বপ্ন

দিনাজপুরে লিচুর মুকুলে হাসছে চাষির স্বপ্ন

দিনাজপুরে বাসের ধাক্কায় শিশু শিক্ষার্থী নিহত

দিনাজপুরে বাসের ধাক্কায় শিশু শিক্ষার্থী নিহত

যৌতুক মামলায় দিনাজপুর ডিসির দেহরক্ষী কারাগারে

যৌতুক মামলায় দিনাজপুর ডিসির দেহরক্ষী কারাগারে

দিনাজপুরে শহীদ মিনারে ডিসি আগে ফুল দেওয়ায় এমপির ক্ষোভ, বললেন ‘মিটিংয়ে এর জবাব নেবো’

দিনাজপুরে শহীদ মিনারে ডিসি আগে ফুল দেওয়ায় এমপির ক্ষোভ, বললেন ‘মিটিংয়ে এর জবাব নেবো’

কে হচ্ছেন সরকার দলীয় চিফ হুইপ, আলোচনায় নোয়াখালীর ২ সিনিয়র নেতা

কে হচ্ছেন সরকার দলীয় চিফ হুইপ, আলোচনায় নোয়াখালীর ২ সিনিয়র নেতা

খানসামা টিটিসি পরিদর্শনে হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া

খানসামা টিটিসি পরিদর্শনে হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া

ঈদে রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ৩ মার্চ

ঈদে রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ৩ মার্চ

ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক: বাজার স্থিতিশীলতা, নাকি দামের ওপর নতুন চাপ

ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক: বাজার স্থিতিশীলতা, নাকি দামের ওপর নতুন চাপ

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নেতানিয়াহু নিহতের দাবি

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নেতানিয়াহু নিহতের দাবি

দিনাজপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি রেজিস্ট্রি চেষ্টার অভিযোগ: কাচারী চত্বরে হাতাহাতি আহত ৭

দিনাজপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি রেজিস্ট্রি চেষ্টার অভিযোগ: কাচারী চত্বরে হাতাহাতি আহত ৭

কোন ভিডিও নেই !

মেসির আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্বকাপ জিতল স্পেন

বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে ম্যাচের শুরু থেকেই দাপুটে ফুটবল খেললো স্পেন। একের পর এক আক্রমণে ব্যস্ত রাখল আর্জেন্টিনার রক্ষণ। লামিন ইয়ামাল, রদ্রি, দানি ওলমোদের দুর্দান্ত পারফর্ম্যান্সে দারুণসব আক্রমণ শাণীয়েও প্রথমার্ধে গোলের দেখা পেল না স্প্যানিশরা। ওদিকে প্রতিপক্ষের আক্রমণ সামলাতেই হিমশিম খাওয়া আর্জেন্টাইনরাও মেলে ধরতে পারেছিলেন না নিজেদের। দ্বিতীয়ার্ধেও দেখা মিলল একই চিত্রের। লুই দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা বারবার গোলের কাছে গিয়েই খেই হারাচ্ছিলেন। আর রক্ষণ সামলে স্পেনের বক্সেই যেতে পারছিলেন মেসিরা, উল্টো যোগ করা সময়ে এঞ্জো ফার্নান্দেজ লাল কার্ড দেখলে আলবিসেলেস্তেরা পরিণত হয় দশ জনের দলে। এদিকে গোলখরার ম্যাচটি নির্ধারিত নব্বই মিনিট শেষে গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। আর অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধেই দুর্দান্ত আক্রমণ থেকে নিকো উইলিয়ামসের পাসে বল পেয়ে দারুণ এক ভলিতে গোল করলেন বদলি নামা ফেরান তোরেস। তাঁর এই গোলেই দশজনের আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মত বিশ্বকাপ শিরোপা জিতল স্পেন। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম শিরোপা জিতেছিল স্পেন। সেবার নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল স্প্যানিশরা। প্রথম ট্রফি জয়ের ২৬ বছর পর এসে দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ পেল ইউরোপিয়ান পরাশক্তি দলটি। একই সঙ্গে ইউরো জয়ের পর বিশ্বকাপ জয়ের রেকর্ডও গড়লেন লামিন ইয়ামালরা। নিউইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে শিরোপার লড়াইয়ে দুই দলই নেমেছে শক্তিশালী একাদশ নিয়ে। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচের শুরু থেকেই দাপুটে ফুটবল খেলেছে স্পেন। ম্যাচের শুরুতেই দলকে এগিয়ে দেওয়ার দারুণ এক সুযোগও পেয়েছিলেন লামিন ইয়ামাল। তবু তরুণ এই তারকা গোলের দেখা পাননি। ম্যাচের ৫ মিনিটেই বক্সের ভেতরে গোল করার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। দারুণ এক শটও নিয়েছিলেন, কিন্তু এমি মার্তিনেজের দেয়াল টপকে জালের দেখা পাননি। এদিকে ম্যাচের শুরুতেই গোলের সুযোগ হাতছাড়া করা স্পেন প্রথমার্ধের খেলার নিয়ন্ত্রণ রেখেছিল নিজেদের কাছেই। বল দখলে রেখে দলীয় সমন্বয়ে বেশ কয়েকবারই নিপুণ আক্রমণ গড়েছে দলটি। গোলের লক্ষ্যে নিয়েছে বেশ কয়েকটি শট। আর্জেন্টিনার রক্ষণকে ফাকি দিয়ে তৈরি করেছে গোলের সুযোগ। তবে সেসব কাজে লাগাতে পারেনি। এদিকে প্রথমার্ধে স্পেনের একের পর এক আক্রমণের বিপরীতে আর্জেন্টিনার রক্ষণ কিছুটা ভুগেছে, তেমন একটা আক্রমণের সুযোগও তৈরি করতে পারেনি লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। তবে ধীরে ধীরে ছন্দে ফেরার আভাস দিয়েছে দলটি। এদিকে আক্রমণের ধারাবাহিকতায় ম্যাচের ৩৯ মিনিটে দারুণ এক সযুওগ পেয়েছিল স্পেন। তবে মিকেল ওয়ারজাবাল শট নিলেও তা ঠেকিয়ে দেন আলবিসেলেস্তে গোলরক্ষক মার্তিনেজ। শেষ পর্যন্ত কোনো দলই গোল করতে না পারায় প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য সমতায়। এদিকে প্রথমার্ধের মত বিরতির পরও আক্রমণের ধারা বজায় রাখে স্প্যানিশরা। ৬৮ মিনিটে ইয়ামালের ক্রস থেকে হেডে গোলের চেষ্টার করেছিলেন ফেরান তোরেস। তবে মার্তিনেজও এবারও বাধা হয়ে দাঁড়ান। এরপর নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত আরও বেশ কয়েকটি আক্রমণে গোলের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছিল স্প্যানিশরা। তবে কোনোভাবেই জালের দেখা পায়নি দলটি। স্প্যানিশরা যখন গোলের দেখা না পেয়ে ক্লান্ত, ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর খুব কাছে তখনই দুঃসংবাদ ডেকে আনেন এঞ্জো ফার্নান্দজ। পাউ কুবার্সিকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে এঞ্জোকে। ফলে যোগ করা সময়ে দশ জনের পরিণত হয় আর্জেন্টিনা। ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে এখন একজন কম নিয়েই খেলবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। বিস্তারিত আসছে... 

মেসির আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্বকাপ জিতল স্পেন
২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:৪৬ পিএম
বিশ্বকাপে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ‘কঠিন’ গ্রুপে পড়েছে দাবি দুই দেশের কোচের। আপনিও কী এমনটি মনে করেন?

বিশ্বকাপে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ‘কঠিন’ গ্রুপে পড়েছে দাবি দুই দেশের কোচের। আপনিও কী এমনটি মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন